About Us
শনিবার, ১৯ জুন ২০২১
  • সোশ্যাল প্ল্যাটফর্ম:
এম.এ হান্নান
প্রকাশ ১৯/১১/২০২০ ০৪:৪২পি এম

জালিয়াতি করে নিয়োগ, সরকারি টাকা আত্মসাৎ

জালিয়াতি করে নিয়োগ, সরকারি টাকা আত্মসাৎ Ad Banner

পটুয়াখালীর বাউফলে অপ্রাপ্ত বয়সে সার্টিফিকেট জালিয়াতি করে  চাকরিতে নিয়োগ নিয়ে লাখ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে এক মাদ্রাসার সহকারি সুপারের বিরুদ্ধে। তাঁর নাম মুহাম্মাদ আবু হানিফ। তিনি উপজেলার দক্ষিণ হোসনাবাদ বালিকা দাখিল মাদ্রাসায় সহকারি সুপার হিসাবে কর্মরত আছেন। ইনডেক্স নম্বর ৩৫১১১৮  এবিষয়ে মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছে একই উপজেলার খাঁন মো. নওতাজ নামের এক ব্যক্তি।     

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, আবু হানিফ ১৯৮৫সালে দক্ষিণ হোসনাবাদ বালিকা দাখিল মাদ্রাসায় জুনিয়র মৌলভী পদে যোগদান করেন। যোগদান কালে তার বয়স ১৩ হওয়ায় এমপিও বিল করতে অসুবিধার সম্মুখিন হয়। পরে জালিয়াতির মাধ্যমে বয়স বৃদ্ধি করে ২২ বছর করেন।   

আরও জানা যায়, তিনি হোসনাবাদ বালিকা দাখিল মাদ্রাসায় কর্মরত অবস্থায় বাউফল ছালেহিয়া দাখিল মাদ্রাসা থেকে নিয়মিত ছাত্র হিসাবে ১৯৮৬সালে  আলিম পাশ করেন। বির্তকিত সার্টিফিকেট দিয়ে ওই মাদ্রাসায় পদোন্নতি  না পাওয়ায় জুনিয়র মৌলভী পদ থেকে পদত্যাগ করেন। পরে হোসিংগা  রশিদিয়া দাখিল মাদ্রসায় একই পদে যোগদান করেন। কর্মরত অবস্থায় বে-আইনীভাবে ফাজিল পাশ করেন। ফাজিল পাশের সনদ দিয়ে পূর্বের মাদ্রসায় সহকারি মৌলভী-২ পদে যোগদান করেন। পরে একইভাবে কামিল পাশে করেন। এখন সে একই প্রতিষ্ঠানে সহকারি সুপার হিসাবে কর্মরত আছেন।     

নওতাজ জানান, আবু হানিফ সম্পূর্ণ বে-আইনীভাবে কর্মরত অবস্থায় জালিয়াতি করে আলিম ফাজিল ও কামিল পাশ করেন। সে জন্ম তারিখও জালিয়াতি করেন। এছাড়াও তার একই ব্যাংকে দুই এ্যাকাউন্ট ও দুই ইনডেক্স ব্যবহার করে আসছে। এবিষয়ে মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছি।অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য নিতে  আবু হানিফের ব্যক্তিগত মুঠোফোনে (০১৭২৫৬৭৯৫৪৯)  একাধিক বার কল দিলেও তিনি রিসিভ করেননি।


শেয়ার করুন

সম্পর্কিত সংবাদ