Feedback

খোলা কলাম, সম্পাদকীয়

পাঁচসালা পরিকল্পনা ও পাঁচ বছরে চীনের বড় অর্জন

পাঁচসালা পরিকল্পনা ও পাঁচ বছরে চীনের বড় অর্জন
November 19
01:56pm
2020
Rakib Monasib
Dhaka, Bangladesh:
Eye News BD App PlayStore

ছোটবেলায় বাংলাদেশে পাঁচসালা পরিকল্পনার কথা শুনেছি। এখন বড়বেলায় এসে চীনে পাঁচসালা পরিকল্পনা বাস্তবায়নের সুফল দেখছি। চীনে‘পাঁচসালা পরিকল্পনা’ প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের কাজ শুরু হয় গত শতাব্দির পঞ্চাশের দশকের মাঝামাঝি। প্রথম পরিকল্পনাটি বাস্তবায়নের ফলে বলতে গেলে শূন্য থেকে গড়ে উঠেছিল চীনের শিল্প খাত। আর এখন দেশটি রয়েছে ত্রয়োদশ পাঁচসালা পরিকল্পনা বাস্তবায়নের শেষ পর্যায়ে। চীন এখন বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতি। বৈশ্বিক অর্থনীতির প্রবৃদ্ধিতে চীনের অবদান এখন প্রায় ৩০ শতাংশ। ২০০৬ সাল থেকে দেশটি এক্ষেত্রে বিশ্বের সব দেশ থেকে এগিয়ে আছে। আশা করা হচ্ছে, চলতি বছর শেষ হবার আগেই সার্বিকভাবে সচ্ছল সমাজ গড়ে তোলার লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হবে।     

পাঁচসালা পরিকল্পনার মতো চীনের প্রেসিডেন্টও প্রতি পাঁচ বছর পর পর নির্বাচিত হন। এ দুয়ের মধ্যে যোগসূত্র আছে কি না তা আমার জানা নেই। তবে, পাঁচসালা পরিকল্পনাগুলোর সবচেয়ে ভালো দিক হচ্ছে ধারাবাহিকতা। যা বাস্তবায়িত হয়েছে কোনো বাধা-বিপত্তি ছাড়াই। প্রতিটি পাঁচসালা পরিকল্পনাই জাতীয় পরিকল্পনা। একবার গ্রহণের পর সেটি বাস্তবায়িত হবেই। কখনও কখনও কোনো কর্মসূচি একাধিক পাঁচসালা পরিকল্পনার অংশ হতে পারে, যেমন দারিদ্র্যবিমোচন কর্মসূচি। দশকের পর দশক ধরে এই কর্মসূচি বাস্তবায়নের কাজ চলছে। গত শতাব্দির আশির দশকের মাঝামাঝি থেকে চীন সরকার দারিদ্র্যবিমোচন কার্যক্রম হাতে নেয়। সেই থেকে এটা প্রতিটি পাঁচসালা পরিকল্পনায় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে স্থান পেয়ে আসছে। ২০১২ সালে চীনে হতদরিদ্রের সংখ্যা ছিল ৯ কোটি ৯০ লাখ। ২০১৯ সালের শেষ নাগাদ এ সংখ্যা কমে দাঁড়ায় ৫৫ লাখে। চলতি বছরেই বাকিরা দারিদ্র্যমুক্ত হবেন বলে আশা করা হচ্ছে। জাতিসংঘের টার্গেট ২০৩০ সালের মধ্যে বিশ্বকে দারিদ্র্যমুক্ত করা। চীন একটি দেশ হিসেবে, এই লক্ষ্য অর্জন করতে যাচ্ছে ১০ বছর আগেই!   

এখন চলছে ত্রয়োদশ পাঁচসালা পরিকল্পনার বাস্তবায়নের কাজ। ২০১৬ থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত বিস্তৃত এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নকালে চীন বিভিন্ন খাতে অর্জন করেছে অবিস্মরণীয় অগ্রগতি। এই তালিকায় সর্বশেষ যুক্ত হয়েছে কোভিড-১৯ মহামারির বিরুদ্ধে অর্জিত সাফল্য। চীন এই মহামারির জন্য প্রস্তুত ছিল না। তবে, সার্স ও মার্স-এর অভিজ্ঞতার আলোকে এ ধরনের যে-কোনো মহামারি মোকাবিলায় নিজের সামর্থ্য বাড়িয়ে নিয়েছিল চীন। কোভিড-১৯ মোকাবিলায় সেই সামর্থ্য কাজে দিয়েছে।   

শি চিনপিং যখন প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নেন, তখন চীনে দ্বাদশ পাঁচসালা পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হচ্ছিল। ত্রয়োদশ পাঁচসালা পরিকল্পনা গৃহীত হয় প্রেসিডেন্ট শি’র প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে। গত পাঁচ বছর ধরে এই পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হচ্ছে তাঁর প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধান ও দিক-নির্দেশনায়। গত সেপ্টেম্বরে হুনান প্রদেশ পরিদর্শনের সময় তিনি বলেন, ত্রয়োদশ পাঁচসালা পরিকল্পনার লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করতে হবে যে-কোনো মূল্যে। মহামারি হানা দেওয়ার পর বছরের প্রথম প্রান্তিকে চীনের অর্থনীতি সংকুচিত হয় প্রায় সাড়ে আট শতাংশ, তখন প্রেসিডেন্ট শি দৃঢ়ভাবে বলেছিলেন, দারিদ্র্যবিমোচন লক্ষ্যমাত্রা যে-কোনো মূল্যে অর্জন করতে হবে। তিনি এক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় দিক্-নির্দেশনাও দেন।   

বিগত পাঁচ বছরে চীনের অর্থনীতি প্রায় ১০০ ট্রিলিয়ন ইউয়ান তথা ১৪.৯ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলারে পৌঁছায়। চীনাদের মাথাপিছু জিডিপি ছাড়িয়ে যায় ১০ হাজার মার্কিন ডলারের কোঠা। ২০১৯ সালে বৈশ্বিক অর্থনীতিতে চীনের হিস্যা দাঁড়ায় ১৬.৩ শতাংশে। বিশ্বের বৃহত্তম মধ্যবিত্ত শ্রেণির বাস এখন চীনে। দারিদ্র্যবিমোচন কর্মসূচির অসাধারণ সাফল্য ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের ফলে চীনে এখন ৪০ কোটি মধ্যবিত্তের বাস। দারিদ্র্যমুক্ত চীনের স্বপ্ন যখন বাস্তবায়িত হতে চলেছে, তখন চীনের জনসংখ্যার কথাও মনে রাখা দরকার। ১৪০ কোটি মানুষের দেশকে সম্পূর্ণ দারিদ্র্যমুক্ত করার স্বপ্ন দেখেছিলেন চীনের নেতৃবৃন্দ। ত্রয়োদশ পাঁচসালা পরিকল্পনার সময়ে সে স্বপ্ন পূরণ হতে চলেছে। আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা একে ‘মিরাকল’ বলে আখ্যায়িত করছেন।   

বিগত পাঁচ বছরে চীনের উন্নয়ন-প্রক্রিয়া এক নতুন পর্যায়েও উন্নীত হয়। বৈশ্বিক ও অভ্যন্তরীণ বাস্তবতার প্রেক্ষাপটে, প্রেসিডেন্ট শি অর্থনৈতিক উন্নয়নের ক্ষেত্রে ‘নিউ নরমাল’ বা ‘নতুন স্বাভাবিকতা’কে ধারণ করার ওপর গুরুত্ব আরোপ করছেন। তাঁর আমলে উন্নয়নের নতুন ধারণা পেশ করা হয়। এই নতুন উন্নয়ন হবে উদ্ভাবনকেন্দ্রিক, সমন্বিত, সবুজ ও উন্মুক্ত। সবচেয়ে বড় কথা, এ উন্নয়ন হবে সবার জন্য ও মানসম্পন্ন। ২০১৭ সালের শেষদিকে, সিপিসির জাতীয় কংগ্রেসে শি চিন পিং বলেছিলেন, চীনের অর্থনীতির চরিত্র পরিবর্তন হচ্ছে। এতদিন জিডিপি প্রবৃদ্ধি ছিল অর্থনৈতিক উন্নয়নের মূল মাপকাঠি। কিন্তু এখন থেকে চীনের অর্থনৈতিক উন্নয়নের মূল মাপকাঠি হবে উচ্চমান। অর্থাৎ চীনের অর্থনৈতিক উন্নয়ন হবে উচ্চমানসম্পন্ন।   

বিগত পাঁচ বছরে প্রেসিডেন্ট শি চিন পিং সারাদেশ চষে বেড়িয়েছেন। বিভিন্ন শহর, গ্রাম, ব্যবসা-প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করেছেন; বিভিন্ন সভা-সিম্পোজিয়ামে বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে কথা বলেছেন; উদ্যোক্তা, বিজ্ঞানী ও জনপ্রতিনিধিদের মতামত শুনেছেন। এসময় দেশের উন্নয়নের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থাদি গৃহীত হয়। এসময়ই চীনে দারিদ্র্যবিমোচনের লক্ষ্যে নতুন নতুন কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়, পরিবেশ দূষণ নিয়ন্ত্রণের উদ্যোগ নেয়া হয়, গ্রহণ করা হয় আঞ্চলিক সমন্বিত উন্নয়ন-কৌশল এবং সংস্কার ও উন্মুক্তকরণ সম্প্রসারণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।     

গত পাঁচ বছর চীনের জন্য আন্তর্জাতিক পরিবেশ ছিল প্রতিকূল। বিশ্বজুড়ে অনেক নেতিবাচক পরিবর্তন ঘটেছে এসময়। অর্থনৈতিক বিশ্বায়ন প্রক্রিয়া বিগত পাঁচ বছরে বার বার বাধাগ্রস্ত হয়েছে; বহুপক্ষবাদের পরিবর্তে মাথা চাড়া দিয়ে উঠেছে একতরফাবাদ ও বাণিজ্যে সংরক্ষণবাদ। কিন্তু এই প্রতিকূলতার মধ্যেও চীন সামনে এগিয়ে গেছে। এর প্রমাণ পাওয়া যায় মহামারি মোকাবিলা ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড পুনরুদ্ধারে দেশটির সাফল্যে। চলতি বছরের তৃতীয় প্রান্তিকে চীন অর্থনীতি ৪.৯ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জন করে। আইএমএফ বলছে, চলতি বছর চীন হবে একমাত্র বড় অর্থনীতি যে প্রবৃদ্ধি অর্জনে সক্ষম হবে।     

চীন বিগত পাঁচ বছরে পরিবেশ খাতেও ঈর্ষণীয় সাফল্য অর্জন করেছে। ২০১৫ থেকে ২০১৯ সালের মধ্যে, চীনে ইউনিটপ্রতি জিডিপি-তে জ্বালানির ভোগ কমেছে ১৩.২ শতাংশ। শহরের বাসিন্দারা এখন বছরের ৮২ শতাংশ দিনে বিশুদ্ধ বাতাসে শ্বাস নিতে পারেন। পানির মানও অনেক উন্নত হয়েছে। পরিবেশ দূষণ নিয়ন্ত্রণে ত্রয়োদশ পাঁচসালা পরিকল্পনায় যে-লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল, তা ইতোমধ্যেই অর্জিত হয়েছে।     

এই সময়ে চীনের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি খাতেও অর্জিত হয়েছে বিপুল সাফল্য। মহাকাশ গবেষণায় সাফল্য ছিল চোখে পড়ার মতো। চীনই একমাত্র দেশ যে চাঁদের অন্ধকার অংশে চন্দ্রযান নামিয়েছে। সেই যান এখনও কাজ করে যাচ্ছে। চীনের মঙ্গলযান ছুটে চলেছে মঙ্গলের পানে। চাঁদে মনুষ্যবাহী যান পাঠানোর কার্যক্রমও চলছে। চলছে মহাশূন্যে নিজস্ব মহাকাশকেন্দ্র স্থাপনের কাজও। বেইজিং, সাংহাই এবং কুয়াংতুং-হংকং-ম্যাকাও বৃহত্তর উপসাগর এলাকাকে বৈশ্বিক বিজ্ঞান-প্রযুক্তি উদ্ভাবনকেন্দ্রে পরিণত করার কাজ দ্রুত এগিয়ে চলেছে।   

বিগত পাঁচ বছরে চীন আরও উন্মুক্ত হয়েছে। ২০১৮ সালের বোয়াও এশিয়া ফোরামে প্রেসিডেন্ট শি বলেছিলেন, আরও উন্মুক্ত হবার মাধ্যমেই কেবল চীন উচ্চমানের উন্নয়ন সাধন করতে পারে। চীন বিদেশিদের জন্য নিজেকে ধীরে ধীরে আরও উন্মুক্ত করছে। এখন পর্যন্ত চীন ১৩৮টি দেশ ও ৩০টি আন্তর্জাতিক সংস্থার সঙ্গে ‘এক অঞ্চল, এক পথ’ উদ্যোগের আওতায় সহযোগিতা চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। দেশের বিভিন্ন জায়গায় অতিরিক্ত ২১টি পরীক্ষামূলক মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চল গড়ে তোলা হয়েছে। উন্নত ব্যবসা-পরিবেশের বিচারে ২০২০ সালে বিশ্বে চীনের অবস্থান উন্নীত হয় ৩১তম স্থানে।   

অর্থনীতি চাঙ্গা করার জন্য চীন সরকার গত মে মাসে নতুন কৌশল গ্রহণ করে। এই কৌশলের প্রয়োগের ফলে অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক বাজার পরস্পরকে পুষ্টি যোগাবে। তবে, অভ্যন্তরীণ বাজার হবে অর্থনীতির মূল কেন্দ্র। গত মে মাসে প্রেসিডেন্ট শি এক সিম্পোজিয়ামে বলেন: ‘অভ্যন্তরীণ বাজারকে মূল কেন্দ্র হিসেবে বিবেচনা করার অর্থ এই নয় যে আমরা নিজেদের দরজা বন্ধ করে উন্নয়নের কথা ভাবছি।’ তিনি বলেন, অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক বাজার পরস্পরকে পুষ্টি যোগাবে।     

বিগত পাঁচ বছরে চীনের শহরগুলোতে নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে ৬ কোটি; প্রায় ৫ কোটি শহুরে বাসিন্দাকে অস্বাস্থ্যকর বসতি থেকে স্থানান্তর করা হয়েছে নতুন স্বাস্থ্যকর বাসস্থানে; নতুন করে প্রায় ৩ কোটি প্রবীণকে বয়স্কভাতার আওতায় আনা হয়েছে; এবং দারিদ্র্যের কারণে নয় বছরের বাধ্যতামূলক শিক্ষা থেকে বঞ্চিত শিক্ষার্থীর সংখ্যা নেমে এসেছে শূন্যে।     

ত্রয়োদশ পাঁচসালা পরিকল্পনা বাস্তবায়নকালে চীনা মানুষের আয় বেড়েছে, নিরাপত্তাবোধ বেড়েছে; দেশের চিকিৎসাসেবার মান বেড়েছে, বেড়েছে চিকিৎসক ও নার্সের সংখ্যা। ২০১৬ সাল থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত চীন সরকার রোগ নিয়ন্ত্রণকেন্দ্রসহ ৮ হাজারের বেশি জনস্বাস্থ্য ও চিকিৎসা প্রকল্পে মোট ১৪১৫০ কোটি ইউয়ান বরাদ্দ দিয়েছে, যা ‘দ্বাদশ পাঁচসালা পরিকল্পনা’ চলাকালে ব্যয় করা অর্থের চেয়ে ২৩ শতাংশ বেশি। এই সময়ে চীন জনস্বাস্থ্য ব্যবস্থা জোরদার করেছে, সংক্রামক রোগ সময়মতো নিয়ন্ত্রণে রাখার সক্ষমতা অর্জন করেছে, এবং জনসাধারণের জন্য নিরাপদ সুবিধাজনক চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করেছে। বিগত পাঁচ বছরে ১ কোটি ৯০ লাখ দরিদ্র রোগীকে চিকিৎসাসেবা দেওয়া হয়েছে এবং ১ কোটি মানুষ অসুখ-বিসুখের কারণে দরিদ্র হয়ে পড়ার পর পুনরায় দারিদ্র্যমুক্ত হয়েছেন।     

২০১৫ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত চীনে প্রতি দশ হাজার মানুষের জন্য ডাক্তারের সংখ্যা ১.৩৮ জন থেকে বেড়ে ২.৬১ জনে দাঁড়ায়। আর প্রতি হাজার মানুষের জন্য হাসপাতালের শয্যা সংখ্যা ৫.১১টি থেকে বেড়ে হয় ৬.৩টিতে। ত্রয়োদশ পাঁচসালা পরিকল্পনা বাস্তবায়নকালে চীনকে এইচ১এন১ ফ্লু, এইচ৭এন৯, ইবোলা ইত্যাদি জরুরি অবস্থা মোকাবিলা করতে হয়েছে। সর্বশেষ মোকাবিলা করতে হচ্ছে করোনাভাইরাস।     

আর্থিক সামর্থ্য বৃদ্ধি ও দেশের চিকিৎসা ব্যবস্থার উন্নয়ন চীনা জনগণের গড় আয়ু বৃদ্ধিতে ভূমিকা রেখেছে। নয়াচীন প্রতিষ্ঠার পর চীনাদের গড় আয়ু ছিল ৩৪-৩৫ বছর। ২০১৯ সালের শেষ নাগাদ তা বেড়ে দাঁড়ায় ৭৭.৩ বছরে। বর্তমানে দেশের প্রায় ৯৫ শতাংশ নাগরিক মৌলিক চিকিৎসাবীমার আওতায় এসেছেন। জনগণের সুখের বোধও অনেক বেড়েছে। তারা সরকারের পারফরমেন্সে খুশি। সম্প্রতি এক জনমত জরিপে দেখা যায়, প্রায় ৯৩ শতাংশ চীনা সরকারের প্রতি সন্তুষ্ট। বলা বাহুল্য, জনগণকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে, জনগণের মতামতকে গুরুত্ব দিয়ে, পরিকল্পনামাফিক দেশকে এগিয়ে নেয়ার নীতির কারণেই এটা সম্ভব হয়েছে।       

লেখক: বার্তা সম্পাদক, চায়না মিডিয়া গ্রুপ (সিএমজি), alimulh@yahoo.com

All News Report

Add Rating:

0

সম্পর্কিত সংবাদ

ট্রেন্ডিং

করোনা শেষ না হওয়া পর্যন্ত মেস ভাড়া মওকুফ চায় হাবিপ্রবি শিক্ষার্থীরা

করোনা শেষ না হওয়া পর্যন্ত মেস ভাড়া মওকুফ চায় হাবিপ্রবি শিক্ষার্থীরা

ভাস্কর্য নির্মাণ সম্পর্কে যা বললেন আজহারী

ভাস্কর্য নির্মাণ সম্পর্কে যা বললেন আজহারী

"গৌরির নাম বদলে আয়েশা, পরতে হবে বোরখা"-স্ত্রীকে বললেন শাহরুখ

"গৌরির নাম বদলে আয়েশা, পরতে হবে বোরখা"-স্ত্রীকে বললেন শাহরুখ

বাগেরহাটের মোড়েলগঞ্জের আলোচিত শিশু সানজিদা হত্যার দায় স্বীকার করলো গর্ভধারিনী মা

বাগেরহাটের মোড়েলগঞ্জের আলোচিত শিশু সানজিদা হত্যার দায় স্বীকার করলো গর্ভধারিনী মা

মসজিদের কক্ষে প্রেমিকার সঙ্গে অন্তরঙ্গ মুহূর্তে ধরা ইমাম

মসজিদের কক্ষে প্রেমিকার সঙ্গে অন্তরঙ্গ মুহূর্তে ধরা ইমাম

২৫ পৌরসভায় আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেলেন যারা

২৫ পৌরসভায় আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেলেন যারা

১৪৪ তলা বিল্ডিং গুলিয়ে ফেলা হলো মুহূর্তের মধ্যে

১৪৪ তলা বিল্ডিং গুলিয়ে ফেলা হলো মুহূর্তের মধ্যে

এবার 'বাবু খাইছো' গান গেয়ে আলোচনায় হিরো আলম

এবার 'বাবু খাইছো' গান গেয়ে আলোচনায় হিরো আলম

জয়পুরহাট জেলা আইনজীবী সমিতি নির্বাচনে সভাপতি আ’লীগের, সম্পাদক বিএনপির

জয়পুরহাট জেলা আইনজীবী সমিতি নির্বাচনে সভাপতি আ’লীগের, সম্পাদক বিএনপির

চেতনার ভিসুভিয়াস ! তানিয়া সুলতানা হ্যাপি

চেতনার ভিসুভিয়াস ! তানিয়া সুলতানা হ্যাপি

পানিতে সারা-বরুণের ঠোঁটঠাসা চুমু, "কুলি নম্বর ১"এর ট্রেলার নিয়ে হইচই

পানিতে সারা-বরুণের ঠোঁটঠাসা চুমু, "কুলি নম্বর ১"এর ট্রেলার নিয়ে হইচই

মৃত্যুকে ভয় না করে সেনাদের যুদ্ধ জয়ের প্রস্তুতি নিতে বললেন শি

মৃত্যুকে ভয় না করে সেনাদের যুদ্ধ জয়ের প্রস্তুতি নিতে বললেন শি

ইরানের শীর্ষ পরমাণু বিজ্ঞানী আততায়ীর হাতে নিহত

ইরানের শীর্ষ পরমাণু বিজ্ঞানী আততায়ীর হাতে নিহত

সন্তান রেখে উধাও প্রবাসীর স্ত্রী, শ্বশুর-শাশুড়িকে হয়রানি

সন্তান রেখে উধাও প্রবাসীর স্ত্রী, শ্বশুর-শাশুড়িকে হয়রানি

শীতের সকালেও উষ্ণতা ছড়াচ্ছেন মধুমিতা

শীতের সকালেও উষ্ণতা ছড়াচ্ছেন মধুমিতা

সর্বশেষ

নিজ পুত্রবধূকে ধর্ষণের অভিযোগে সুন্দরগঞ্জে ধর্ষক শ্বশুর গ্রেফতার

নিজ পুত্রবধূকে ধর্ষণের অভিযোগে সুন্দরগঞ্জে ধর্ষক শ্বশুর গ্রেফতার

কবি ও গীতিকার খন্দকার মোঃ সাইদুর রহমানের মৃত্যুতে ভাওয়াইয়া অঙ্গনের শোক

কবি ও গীতিকার খন্দকার মোঃ সাইদুর রহমানের মৃত্যুতে ভাওয়াইয়া অঙ্গনের শোক

স্বাধীনতাবিরোধী শক্তির কর্মকাণ্ড আজো থেমে নেই: রেজাউল করিম

স্বাধীনতাবিরোধী শক্তির কর্মকাণ্ড আজো থেমে নেই: রেজাউল করিম

ঘুমের সমস্যা কে চিরতরে বিদায় জানান

ঘুমের সমস্যা কে চিরতরে বিদায় জানান

ভিপি নুরের ডিজিটাল আইনের মামলা প্রতিবেদন ৫ জানুয়ারি

ভিপি নুরের ডিজিটাল আইনের মামলা প্রতিবেদন ৫ জানুয়ারি

আবরার হত্যা: সাক্ষ্য দিলেন আবরার মামা

আবরার হত্যা: সাক্ষ্য দিলেন আবরার মামা

ধুনটে নূর-থ্রী স্টার অটো ব্রিকস এর ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করলেন

ধুনটে নূর-থ্রী স্টার অটো ব্রিকস এর ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করলেন

কিশোরগঞ্জে সিএনজিতে আগুন, দুই জন গুরুতর  আহত

কিশোরগঞ্জে সিএনজিতে আগুন, দুই জন গুরুতর আহত

ভারতীয় ওটিটি ফিল্মফেয়ার অ্যাওয়ার্ডে মনোনয়ন পেলেন বাংলাদেশের তন্বী

ভারতীয় ওটিটি ফিল্মফেয়ার অ্যাওয়ার্ডে মনোনয়ন পেলেন বাংলাদেশের তন্বী

পৌর নির্বাচনে ফুলবাড়ীতে নৌকার প্রার্থী  খাজা মঈন উদ্দিন চিশতি

পৌর নির্বাচনে ফুলবাড়ীতে নৌকার প্রার্থী খাজা মঈন উদ্দিন চিশতি

অসমাপ্ত ভালোবাসার আবেগঘন গল্প

অসমাপ্ত ভালোবাসার আবেগঘন গল্প

ঝালকাঠিতে জেলা আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবকলীগের মানব বন্ধন ও সমাবেশ

ঝালকাঠিতে জেলা আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবকলীগের মানব বন্ধন ও সমাবেশ

শীতকালে থাকুন খুঁশকি মুক্ত

শীতকালে থাকুন খুঁশকি মুক্ত

ভাস্কর্য আর মূর্তি এক নয়: ধর্মপ্রতিমন্ত্রী

ভাস্কর্য আর মূর্তি এক নয়: ধর্মপ্রতিমন্ত্রী

এক ওয়েব সিরিজে তামান্নার পারিশ্রমিক ১.৮ কোটি রুপি

এক ওয়েব সিরিজে তামান্নার পারিশ্রমিক ১.৮ কোটি রুপি