Feedback

ক্যাম্পাস

শুভ জন্মদিন চবি

শুভ জন্মদিন চবি
November 18
12:15am
2020
Md Nayamul Huda Tanjid
kapashia, Gazipur:
Eye News BD App PlayStore

১৮/ ১১ তারিখটা হলো চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্মদিন। চলুন বিস্তারিতভাবে জেনে আসি পাহাড়ে ঘেরা চিরসবুজ ক্যাম্পাসটি নিয়ে।         

★★চট্টগ্রামের পাহাড়ি এলাকায় অবস্থিত বিশ্ববিদ্যালয়টি প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের আধার।   

২০২০ সালের হিসেবে, দেশে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের অবস্থান ৯ম এবং বৈশ্বিক অবস্থান ৩১০১ তম।   

*চবির ইতিহাস*   

বিশ শতাব্দীর শুরুর দিকে চট্টগ্রাম বিভাগে কোন বিশ্ববিদ্যালয় না থাকায় চট্টগ্রামের অধিবাসিরা স্থানীয়ভাবে একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রয়োজন অনুভব করে। ১৯৪০ সালের ২৮ ডিসেম্বর, কলকাতায় অনুষ্ঠিত জমিয়তে উলামায়ে হিন্দের সর্বভারতীয় সম্মেলনে মওলানা মুনিরুজ্জামান ইসলামবাদী সভাপতির ভাষণে চট্টগ্রাম অঞ্চলে একটি ‘ইসলামিক ইউনিভার্সিটি’ নির্মাণের কথা উপস্থাপন করেন এবং একই লক্ষ্যে তিনি চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার দেয়াঙ পাহাড়ে বিশ্ববিদ্যালয় নির্মানের জন্য ভূমি ক্রয় করেন। প্রায় দুই বছর পর, ১৯৪২ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি নূর আহমদ বঙ্গীয় আইন পরিষদে চট্টগ্রামে একটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার আনুষ্ঠানিক দাবি উত্থাপন করেন।   

ষাটের দশকে তৎকালীন পাকিস্তানের দ্বিতীয় পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা (১৯৬০-১৯৬৫) প্রণয়নকালে চট্টগ্রামে একটি ‘বিজ্ঞান বিশ্ববিদ্যালয়’ স্থাপনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্মানের স্থান হিসেবে শহরের কেন্দ্রে অবস্থিত চট্টগ্রাম সরকারি কলেজকে সম্ভাব্য ক্যাম্পাস হিসেবে নির্বাচিত করা হয়। ১৯৬২ সালে, তৎকালিন পূর্ব-পাকিস্তানের জনশিক্ষা উপ-পরিচালক মোহাম্মদ ফেরদাউস খান চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার একটি প্রাথমিক খসড়া পরিকল্পনা তৈরি করেন। একই বছর, ১৯৬২ সালের নির্বাচনী প্রচারনায় ফজলুল কাদের চৌধুরী এই বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার সাধারণ প্রতিশ্রুতি দেন। এবং নির্বাচন পরবর্তীকালে তিনি কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী নির্বাচিত হলে চট্টগ্রামে বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠায় আনুষ্ঠানিক উদ্যোগ গ্রহণ করেন।   

চট্টগ্রাম সরকারি কলেজের স্থানে এই বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের প্রাথমিক সিদ্ধান্ত পরিবর্তিত হওয়ার পর, ১৯৬১ সালের ৭ মে চট্টগ্রামের নিবাসির উদ্যোগে স্থানীয় মুসলিম হলে এক প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত সভায় ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহ প্রধান অতিথির ভাষণে চট্টগ্রামে একটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পক্ষে মত প্রকাশ করেন এবং তা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় সংগ্রাম পরিষদ গঠন করেন। পরবর্তীকালে ১৯৬২ সালে ৩০ ডিসেম্বর, ‘চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র-সংগ্রাম পরিষদ’ নামে আরেকটি পরিষদ গঠিত হয়। এই সকল সংগঠনের উদ্যোগে বিভিন্ন পর্যায়ে যোগাযোগ ও স্মারকলিপি প্রদান, পত্রপত্রিকায় বিবৃতি, সেমিনার অনুষ্ঠিত হতে থাকে। সংগ্রাম পরিষদের উদ্যোগে ১৯৬২ সালের ৯ ডিসেম্বর লালদিঘী ময়দানে এক জনসভা অনুষ্ঠিত হয়। ১৯৬৩ সালের ৮ জানুয়ারি, ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের নেতৃত্বে চট্টগ্রামের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ধর্মঘট পালিত হয়। ১৯৬৩ সালের ২৯ নভেম্বর, ফজলুল কাদের চৌধুরী পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের স্পিকার মনোনীত হন। প্রথমদিকে এ বিশ্ববিদ্যালয় সিলেট, কুমিল্লা ও নোয়াখালিতে স্থাপনের পরিকল্পনা করা হলেও ১৯৬৩ সালের ১২ ডিসেম্বর, রাষ্ট্রপতি আইয়ুব খানের অনুপস্থিতিতে মন্ত্রীসভার এক বৈঠকে সভাপতিত্বকালে ফজলুল কাদের চৌধুরী কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী এ.টি.এম মোস্তফাকে বিশ্ববিদ্যালয়টি কুমিল্লা থেকে চট্টগ্রামে স্থাপনের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন। ১৯৬৪ সালের ৯ মার্চ তার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত একটি জাতীয় অর্থনৈতিক কাউন্সিলের বৈঠকে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় নির্মাণের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ মঞ্জুর করা হয়। এরপর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ডক্টর এম ওসমান গণিকে চেয়ারম্যান এবং ডক্টর কুদরাত-এ-খুদা, ডক্টর মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ, এম ফেরদৌস খান ও ডক্টর মফিজউদ্দীন আহমদকে সদস্য নির্বাচিন করে বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘স্থান নির্বাচন কমিশন’ গঠিত হয়। এই কমিশন সরেজমিন পর্যবেক্ষণ করে হাটহাজারী উপজেলার ফতেহপুর ইউনিয়নের জঙ্গল পশ্চিম-পট্টি মৌজার নির্জন পাহাড়ি ভূমিকে প্রস্তাবিত বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থান হিসেবে সুপারিশ করে। ১৯৬৪ সালের ১৭-১৯ জুলাই পাকিস্তানের অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি ফজলুল কাদের চৌধুরীর সভাপতিত্বে ইসলামাবাদে জাতীয় অর্থনৈতিক কাউন্সিলের সভায় ‘স্থান নির্বাচন কমিশন’-এর সুপারিশের ভিত্তিতে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের সিদ্ধান্ত গৃহণ এবং এর চূড়ান্ত অনুমোদন প্রদান করা হয়। ১৯৬৪ সালের ২৯ আগস্ট পাকিস্তানের রাষ্ট্রপতি আইয়ুব খান চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করেন।   

১৯৬৫ সালের ৩ ডিসেম্বর, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের অধ্যাপক ও বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘরের প্রাক্তন কিউরেটর ড. আজিজুর রহমান মল্লিককে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকল্প-পরিচালক হিসেবে নিযুক্ত করা হয়। এরপর আজিজুর রহমান মল্লিককে চট্টগ্রাম শহরের নাসিরাবাদ হাউজিং সোসাইটির ৩নং সড়কের ‘কাকাসান’ নামের একটি ভবনে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় প্রকল্পের অফিস স্থাপন করেন। ১৯৬৫ সালের ১৪ ডিসেম্বর, এক সরকারি প্রজ্ঞাপন বলে তৎকালীন পাকিস্তান শিক্ষা পরিদপ্তরের বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সমস্ত কর্মকর্তাকর্মচারীকে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় প্রকল্প অফিসে বদলি করা হয়। স্থপতি মাজহারুল ইসলামের ‘বাস্তকলা’ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি মাষ্টারপ্ল্যান তৈরি করা হয়। প্রাথমিকভাবে ১টি দ্বিতল প্রশাসনিক ভবন, বিভাগীয় অফিস, শ্রেণিকক্ষ ও গ্রন্থাগারে জন্য একতলা ভবন তৈরি করার পাশাপাশি শিক্ষক ও ছাত্রদের আবাসনের ব্যবস্থাও করা হয়।   

২০১৬ সালের ১৮ নভেম্বর চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় তার পঞ্চাশ বছর পূর্তি উপলক্ষে সুবর্ণ জয়ন্তী পালন করে।   

*চবির অবস্হান*   

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় চট্টগ্রাম শহর থেকে প্রায় ২২ কিলোমিটার (১৪ মা) উত্তরে হাটহাজারী থানার ফতেহপুর ইউনিয়নের জঙ্গল পশ্চিম-পট্টি মৌজার ২,১০০ একর (৮৫০ হেক্টর) একর পাহাড়ি এবং সমতল ভূমির উপর অবস্থিত। পূর্বে বিশ্ববিদ্যালয়ের আয়তন ছিল ১,৭৫৩.৮৮ একর (৭০৯.৭৭ হেক্টর), যা পরবর্তীতে ২০১৬ সালের এপ্রিলে প্রায় ৯ কোটি ৭১ লক্ষ টাকা ব্যয়ে সীমানা প্রাচীর নিমার্ণের মাধ্যমে বর্ধিত করা হয়। ১৯৬৬ সালের ১৮ নভেম্বর আনুষ্ঠানিকভাবে শিক্ষাঙ্গণ আয়তনের দিক থেকে দেশের সর্ববৃহৎ এই বিশ্ববিদ্যালয় কার্যক্রম শুরু হয়।   

*চবির যত যাতায়াত*   

শিক্ষক ও কর্মচারীদের জন্য শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত বাস ও মাইক্রোবাস। 

স্টুডেন্টদের জন্য রয়েছে শাটল ট্রেন, ডেমু ট্রেন ও বাস। 

এছাড়াও বর্তমানে উন্নতমানের কিছু দ্রুতগামী ট্রেন সংযুক্ত করা হবে রেললাইন উন্নয়নের কাজ চলছে। বিশ্বের যে কোন স্হান থেকে চট্টগ্রাম তারপর চবি ক্যাম্পাসে আসতে পারবেন খুব সহজেই।       

*চবির অবদান*   

মুক্তিযুদ্ধের অল্পকিছুদিন আগে প্রতিষ্ঠিত হওয়া এই বিশ্ববিদ্যালয়টি তখনকার উনসত্তরের আন্দোলন, মুক্তিযুদ্ধ এবং পরবর্তীতে বিভিন্ন আন্দোলনে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থী অবদান রাখেন।   

এই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা নোবেল ( ২০০৬ সালে ড. মুহাম্মদ ইউনুস ও গ্রামীন ব্যাংক যৌথভাবে নোবেল পান এছাড়াও বিভিন্ন সময়ে একুশে পদকের মত একটি রাষ্ট্রীয় পদক অর্জন করেন  এই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা।) 

পুরষ্কারসহ অনেক গুরুত্বপূর্ণ পুরষ্কার অর্জন করে দেশের ভাবমূর্তি বিশ্ব দরবারে উজ্জল করেছেন। এছারাও বিভিন্ন সময়ে সমাজকে এই বিশ্ববিদ্যালয়টি  উপহার দিয়েছে বিজ্ঞানী, কবি-সাহিত্যকসহ নানান ধরনের গুণী ব্যাক্তি। নিম্নে কিছু নাম দেওয়া হলো।   

জামাল নজরুল ইসলাম - পদার্থবিজ্ঞানী, গণিতবিদ, জ্যোতির্বিদ, বিশ্বতত্ত্ববিদ। 

মুহাম্মদ ইউনূস - অর্থনীতিবিদ, ২০০৬ শান্তিতে নোবেল পুরস্কার বিজয়ী। 

সৈয়দ আলী আহসান - জাতীয় অধ্যাপক। 

ময়ুখ চৌধুরী - কবি, গবেষক, অধ্যাপক, বাংলা বিভাগ। 

আবুল ফজল - সাহিত্যিক, প্রাক্তন অধ্যাপক। 

মুর্তজা বশীর - চিত্রশিল্পী  ঢালী আল মামুন - চিত্রশিল্পী সৈয়দ আব্দুল্লাহ খালিদ - ভাস্কর, অপরাজেয় বাংলার নির্মাতা। 

হুমায়ুন আজাদ (১৯৪৭-২০০৪) - কবি, ঔপন্যাসিক, সমালোচক, গবেষক, ভাষাবিজ্ঞানী; প্রাক্তন অধ্যাপক, বাংলা বিভাগ। 

অলোক রায়, কাঠ খোদাই শিল্পী।  রাজিয়া বেগম, বাংলাদেশের প্রথম নারী জেলা প্রশাসক।  আজিজ আহমেদ, সেনাপ্রধান। 

আবুল হোসেন (জেনারেল) বিজিবি প্রধান।  চৌধুরী মো: আব্দুল্লাহ আল মামুন, মহাপরিচালক, র‍্যাব।   

ফজলে কবির, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর। 

আনিসুল হক, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র।   

যৌষ্ঠতার ভিত্তিতে নয়..     

*চবির দর্শনীয় স্হান*   

১.চারুকলা 

২.ষোল শহর 

৩. চবি স্টেশন ওর তার আশপাশের দোকানগুলোর নাস্তা।   

৪. জিরো পয়েন্ট 

৫. ফরেস্টি, কাপল রোড, সূর্যসেন হল,  টিলা , সিড়ি, বাঁশের সাঁকো।   

৬. নিষিদ্ধ পুকুর,  দোলা স্বারণী, হতাশার মোড়। 

৭.  বিলুপ্ত প্রায় গাছগাছালিতে পূর্ন বোটানিক্যাল গার্ডেন, পুকুর,শাপলা ও পদ্মবিল।   

৮. বায়োলজি ফ্যাকাল্টির আশপাশ ও ফ্যাকাল্টি। 

৯.  মেরিন সাইন্সের ক্যন্টিনের নাস্তা।   

১০.  গিরিপথ, কলার ঝুপড়ি, ভর্তা- ভাত,  চাকসু, জারুল তলা, চট্টগ্রামের সবচেয়ে বড় লাইব্রেরী, আইটি ফ্যাকাল্টি।   

১১. নতুন কলা ভবন, রব হল, রব হলের পিছনের হল ও পাহাড়।   

১২. বুদ্ধিজীবি চত্তর, শহিদ মিনার, জয় বাংলা, মরা ঝুলন্ত সেতু, সমাজবিজ্ঞানের ঝুপরি।   

১৩. পরিত্যাক্ত অডিটরিয়াম,সেন্ট্রাল ফিল্ড, জিমনেশিয়াম,  ল ফ্যাকাল্টি, মেডিকেল, আইইআর এর ক্যান্টিন, চিনের প্রাচীর নামক সিড়ি।   

১৪.স্লাইস গেট, নতুন মন্দির,  প্যাগোডা,  শোভা কলনি,  কর্মচারী ক্লাব। 

১৫. স্কুলের সামনে থেকে শুরু করে এফআর, আলাউল এর সামনে থেকে জিরো পয়েন্ট পর্যন্ত।     

*চবির টুকিটাকি*   

মুক্তিযুদ্ধে শহীদ হোন ১৬ জন। প্রতিষ্ঠা থেকে এই পর্যন্ত বিভিন্ন মেয়াদে মোট উপচার্যের সংখ্যা হলো ১৮ জন।

৯ টি অনুষদের দায়িত্বে ৫৩ টি বিভাগ রয়েছে। 

৭ টি ইন্সটিটিউট রয়েছে।

৬ টি গবেষণা কেন্দ্র। 

বিশ্ববিদ্যালয়টির অধিনে বর্তমানে ২১ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। লাইব্রেরীতে প্রায় ৩.৫ লক্ষটি বই রয়েছে, যার শুরুটা ছিল ৩০০টি  বই নিয়ে। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় জার্নাল তো রয়েছেই প্রকাশনার জন্য। সমাবর্তন সংখ্যা

আবাসনের জন্য রয়েছে ১২ টি হল ও একটি হোস্টেল। 

খাবারের জন্য রয়েছে, ক্যাফেটেরিয়া, ক্যান্টিন ডাইনিং। আমার জানামতে এটাই একমাত্র' ক্যাম্পাস বাংলাদেশে যার মাঝে পুলিশ ফাঁড়ি, আবাসিক এলাকা ও একের অধিক কলোনি ও গ্রাম রয়েছে। 

এছাড়াও এখানে মায়া হরিন থেকে শুরু করে অজগর সাপ যেমন দেখতে পাবেন ঠিক তেমনি দেখতে বিভিন্ন সাংস্কৃতির চর্চা। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্মদিনে সবার চাওয়া  হওক একটাই। "সুনামের সাথে টিকে থাকুক চবি, দীর্ঘজীবী হোক মানবজীবন।

All News Report

Add Rating:

0

সম্পর্কিত সংবাদ

ট্রেন্ডিং

নুরু মন্ডল মারা গেছেন

নুরু মন্ডল মারা গেছেন

দুপচাঁচিয়ায় পৌরসভার উদ্যোগে উন্নয়নমূলক কাজের উদ্বোধন

দুপচাঁচিয়ায় পৌরসভার উদ্যোগে উন্নয়নমূলক কাজের উদ্বোধন

গুচ্ছ পদ্ধতিতে ভর্তি পরীক্ষায় যাচ্ছে যেসব বিশ্ববিদ্যালয়

গুচ্ছ পদ্ধতিতে ভর্তি পরীক্ষায় যাচ্ছে যেসব বিশ্ববিদ্যালয়

দুপচাঁচিয়ায় ছাত্রলীগ সভাপতি আসলামকে বহিষ্কার

দুপচাঁচিয়ায় ছাত্রলীগ সভাপতি আসলামকে বহিষ্কার

চিকিৎসক সংকটসহ নানা সমস্যায় বেহাল কিশোরগঞ্জ জেনারেল হাসপাতাল

চিকিৎসক সংকটসহ নানা সমস্যায় বেহাল কিশোরগঞ্জ জেনারেল হাসপাতাল

কুমিল্লায় বহুতল ভবন থেকে লাফিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রীর আত্মহত্যা

কুমিল্লায় বহুতল ভবন থেকে লাফিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রীর আত্মহত্যা

জামালপুর শহরের যানজট নিরসনে নিরব ভূমিকায় প্রশাসন

জামালপুর শহরের যানজট নিরসনে নিরব ভূমিকায় প্রশাসন

ফরিদগঞ্জে তেলবাহী লরি ও সিএনজি মুখোমুখি সংঘর্ষ, নিহত ৩

ফরিদগঞ্জে তেলবাহী লরি ও সিএনজি মুখোমুখি সংঘর্ষ, নিহত ৩

দুপচাঁচিয়ায় ছাত্রদলের কর্মী সম্মেলন অনুষ্ঠিত

দুপচাঁচিয়ায় ছাত্রদলের কর্মী সম্মেলন অনুষ্ঠিত

অবশেষে মুক্তি পাচ্ছে সিয়াম-পরীমনির "বিশ্বসুন্দরী"

অবশেষে মুক্তি পাচ্ছে সিয়াম-পরীমনির "বিশ্বসুন্দরী"

গোয়ার সৈকতে মোনালিসার হট ফটোশুট

গোয়ার সৈকতে মোনালিসার হট ফটোশুট

মাত্র ৫৪ মিনিটে ঢাকা-চট্টগ্রাম যাওয়ার ট্রেন আসছে

মাত্র ৫৪ মিনিটে ঢাকা-চট্টগ্রাম যাওয়ার ট্রেন আসছে

ভৈরবে ১৭ মাদক কারবারী আটক

ভৈরবে ১৭ মাদক কারবারী আটক

কাশ্মীর নিয়ে মুসলিম দেশগুলোর প্রথম যৌথ প্রস্তাব

কাশ্মীর নিয়ে মুসলিম দেশগুলোর প্রথম যৌথ প্রস্তাব

ওমানে নোয়াখালীর তিন রেমিট্যান্স যোদ্ধার মর্মান্তিক মৃত্যু

ওমানে নোয়াখালীর তিন রেমিট্যান্স যোদ্ধার মর্মান্তিক মৃত্যু

সর্বশেষ

করোনায় আক্রান্ত সংসদ সদস্য সানি দেওল

করোনায় আক্রান্ত সংসদ সদস্য সানি দেওল

মন্দিরে বিয়ে করলেন সংগীতশিল্পী উদিত নারায়ণ ও শ্বেতা

মন্দিরে বিয়ে করলেন সংগীতশিল্পী উদিত নারায়ণ ও শ্বেতা

গেল নভেম্বর মাসে ৩৫৩ জন নারী ও কন্যাশিশু নির্যাতনের শিকার

গেল নভেম্বর মাসে ৩৫৩ জন নারী ও কন্যাশিশু নির্যাতনের শিকার

পৃথিবীর সব মুসলিম দেশে ভাস্কর্য রয়েছে: আ ক ম মোজাম্মেল হক

পৃথিবীর সব মুসলিম দেশে ভাস্কর্য রয়েছে: আ ক ম মোজাম্মেল হক

অ্যাসাইনমেন্ট জমা দিতে গিয়ে ধর্ষিত মাদ্রাসাছাত্রী

অ্যাসাইনমেন্ট জমা দিতে গিয়ে ধর্ষিত মাদ্রাসাছাত্রী

ভূরুঙ্গামারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বেড়েছে সেবার মান, বাড়ছে রোগী

ভূরুঙ্গামারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বেড়েছে সেবার মান, বাড়ছে রোগী

জলিল মোহাম্মদের কথায় গাইলেন রিংকু ও মুনিয়া মুন

জলিল মোহাম্মদের কথায় গাইলেন রিংকু ও মুনিয়া মুন

সগিরা মোর্শেদ হত্যা: ৩০ বছর পর আবারো হত্যা মামলার বিচারকার্য কাজ শুরু

সগিরা মোর্শেদ হত্যা: ৩০ বছর পর আবারো হত্যা মামলার বিচারকার্য কাজ শুরু

বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্যের বিরোধিতাকারীদের বিরুদ্ধে কিশোরগঞ্জে মহিলা আওয়ামী লীগের বিক্ষোভ

বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্যের বিরোধিতাকারীদের বিরুদ্ধে কিশোরগঞ্জে মহিলা আওয়ামী লীগের বিক্ষোভ

ডেঙ্গু জ্বরে মারা গেলেন বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী বালা

ডেঙ্গু জ্বরে মারা গেলেন বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী বালা

এই পাঁচটি গাছ দিয়ে কম খরচে  সাজান আপনার বাড়ি

এই পাঁচটি গাছ দিয়ে কম খরচে সাজান আপনার বাড়ি

গবেষকদের ধারণা   শীতকালে দাড়ি রাখলে ঠাণ্ডা কম লাগে ত্বকে

গবেষকদের ধারণা শীতকালে দাড়ি রাখলে ঠাণ্ডা কম লাগে ত্বকে

টাকার পরির্বতে নারকেলে মিলবে কলেজে ভর্তি

টাকার পরির্বতে নারকেলে মিলবে কলেজে ভর্তি

বাগেরহাটে হরিণ শিকারের ফাঁদসহ ৫ শিকারী আটক

বাগেরহাটে হরিণ শিকারের ফাঁদসহ ৫ শিকারী আটক

জেনে নিন কী কী গুণ রয়েছে গোলমরিচে

জেনে নিন কী কী গুণ রয়েছে গোলমরিচে