Feedback

জাতীয়

নানা প্রতিশ্রুতির পরও বন্ধ হয়নি সীমান্ত হত্যা

নানা প্রতিশ্রুতির পরও বন্ধ হয়নি সীমান্ত হত্যা
February 06
06:06pm
2020

আই নিউজ বিডি ডেস্ক Verify Icon
Eye News BD App PlayStore
সীমান্ত হত্যা বন্ধ করতে পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতের পক্ষ থেকে নানা প্রতিশ্রুতি দেয়ার পরও তা কার্যকর হচ্ছে না। ক্রমেই বাড়ছে সীমান্ত হত্যা। গত দেড় মাসে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের গুলিতে প্রাণ হারিয়েছেন ১১ বাংলাদেশি। এ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন, সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিবি ও মানবাধিকার কর্মীরা। ঢাকার পক্ষ থেকেও দিল্লির কাছে এ উদ্বেগের কথা জানানো হয়েছে। বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলছে, সীমান্ত হত্যা ইস্যুতে আমরা একটি সৌহার্দ্যপূর্ণ সমাধান চাই। যাতে সীমান্তবর্তী এলাকায় কাউকে জীবন দিতে না হয়। এ ছাড়াও সীমান্ত হত্যা নিয়ে বিজিবি বিএসএফ সম্মেলনে বারবার আলোচনা হলেও সীমান্ত হত্যা বন্ধ হচ্ছে না। ভারতীয়দের পক্ষে সীমান্তে প্রাণঘাতী অস্ত্রের ব্যবহার এবং মৃত্যু বন্ধে প্রতিশ্রুতি রয়েছে। ভারত সরকারের শীর্ষ পর্যায় থেকেও অঙ্গীকার করা হয়েছিল যে সীমান্ত হত্যা শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনা হবে। অঙ্গীকারের পরও সীমান্ত হত্যা বন্ধ হচ্ছে না। এদিকে মানবাধিকার কর্মীরা বলেছেন, সীমান্ত হত্যা বেড়ে যাওয়ার কারণ খতিয়ে দেখা প্রয়োজন এবং দুই দেশের মধ্যে রাজনৈতিক পর্যায়ে আলোচনার মাধ্যমে তা করতে হবে। সম্প্রতি এক সংবাদ সম্মেলনে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন বলেছেন, ঢাকা প্রতিটি ঘটনার পর বাংলাদেশে ভারতের হাই কমিশনারের মাধ্যমে সীমান্ত হত্যা সম্পর্কে বাংলাদেশের উদ্বেগ জানিয়েছে। ভারত বারবার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল যে সীমান্তে কোনো মারণঘাতী অস্ত্র ব্যবহার করা হবে না এবং সীমান্তে হত্যার হার শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনা হবে। তিনি বলেন, ‘আমরা আর একটি মৃত্যুও দেখতে চাই না (সীমান্তে)। এটি গ্রহণযোগ্য নয়। এটি যে গ্রহণযোগ্য নয় ভারতও একমত।’ সাম্প্রতিক সময়ে সীমান্ত হত্যা বেড়ে যাওয়ার ব্যাপারে একমত হয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোমেন বলেন, এটি অত্যন্ত দুঃখজনক। আমরা এ সম্পর্কে খুবই উদ্বিগ্ন। তিনি বাংলাদেশি নাগরিকদেরও সীমানা বিধি মেনে চলার আহ্বান জানান এবং সামান্য সুবিধার জন্য নিজেকে বিপদে ফেলতে ভারতীয় সীমান্তের অভ্যন্তরে প্রবেশ না করার আহ্বান জানান। অন্যদিকে সীমান্তে বিএসএফ ও ভারতীয় নাগরিক কর্তৃক হত্যা বন্ধে বিজিবি সর্বাত্মক প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। তিনি জানান, সীমান্তে হত্যা বন্ধে সরকার কূটনৈতিক পদক্ষেপও গ্রহণ করেছে। গতকাল বুধবার সকালে বিজিবির সদর দফতরে এক সংবাদ সম্মেলনে বিজিবির পরিচালক (পরিকল্পনা) লেফটেন্যান্ট কর্নেল সৈয়দ আশিকুর রহমান বলেন, গত বছরের ২৫ ডিসেম্বর থেকে এ পর্যন্ত সীমান্তে নিহতের সংখ্যা ১১ জন। তবে এ ধরনের মৃত্যু যাতে না হয় সেজন্য বিজিবির পক্ষ থেকে যা যা পদক্ষেপ নেয়ার তা নেয়া হয়েছে। এর আগে ২০০৯ সালে সীমান্তে নিহত হয়েছিলেন ৬৬ জন। এরপর ২০১০ সালে ৫৫ জন, ২০১১ সালে ২৪ জন, ২০১২ সালে ২৪ জন, ২০১৩ সালে ১৮ জন, ২০১৪ সালে ২৪ জন, ২০১৫ সালে ৩৮ জন, ২০১৬ সালে ২৫ জন, ২০১৭ সালে ১৭ জন, ২০১৮ সালে ১৪ জন ও ২০১৯ সালে ৩৮ জন বাংলাদেশি নিহত হয়েছে। বাংলাদেশের সীমান্ত রক্ষী বাহিনী বিজিবির অপারেশন বিভাগের পরিচালক লে: কর্নেল মহিউদ্দিন আহমেদ সম্প্রতি গণমাধ্যমকে বলেছেন, সীমান্তে বাংলাদেশিদের হত্যার ঘটনা বেড়ে বিজিবি উদ্বিগ্ন। তবে এসব ঘটনার ব্যাপারে ভারতীয় সীমান্ত রক্ষী বাহিনীর বক্তব্য গ্রহণযোগ্য নয় বলে তিনি উল্লেখ করেন। প্রতিটা ঘটনার পর পরই আমরা বিএসএফকে জোরালো প্রতিবাদ জানাই। তিনি আরো বলেন, বিভিন্ন চুক্তিতে বলা আছে এবং নিয়ম আছে, কেউ অবৈধভাবে সীমান্তে গেলে তাকে ধরে আমাদের কাছে হস্তান্তর করবে এবং আমরা আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেব। কিন্তু সেটা না করে বিএসএফ কিছু কিছু ক্ষেত্রে গুলি বর্ষণ করছে। বিজিবির কর্মকর্তা লে: কর্নেল মহিউদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘যখন আমরা বিএসএফকে প্রতিবাদ জানাই, তার জবাবে তারা আমাদেরকে জানায় যে, তারা আত্মরক্ষার্থে অর্থাৎ যখন আমাদের দেশের নাগরিকরা তাদেরকে আক্রমণ করে কেবল তখনই ননলিথাল উইপেন (প্রাণঘাতী নয়) ব্যবহার করে গুলি বর্ষণ করে। যেটা আসলে গ্রহণযোগ্য নয়।’ এদিকে বাংলাদেশের কর্মকর্তারা বলেছেন, সীমান্তে বাংলাদেশিদের হত্যা বন্ধের ব্যাপারে বিজিবি এবং বিএসএফের শীর্ষ পর্যায়ে বিভিন্ন সময়ে আলোচনা হয়েছে। সেসব আলোচনার প্রেক্ষাপটে প্রাণঘাতী নয় এমন অস্ত্র ব্যবহার করার ব্যাপারে দুই পক্ষ সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। কর্মকর্তারা উল্লেখ করেছেন, বাংলাদেশ এবং ভারতের মধ্যে রাজনৈতিক পর্যায়ের বিভিন্ন আলোচনাতেও সীমান্তে হত্যা শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনার ব্যাপারে ভারত বিভিন্ন সময় প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। সে অনুযায়ী সীমান্তে হত্যা কয়েক বছর কম থাকলেও সম্প্রতি আবার বেড়েছে বলে কর্মকর্তারা মনে করেন। মানবাধিকার সংস্থা আইন ও সালিশ কেন্দ্রের নির্বাহী পরিচালক শীপা হাফিজা বলেন, সীমান্ত হত্যা বেড়ে যাওয়ার কারণ বের করা প্রয়োজন। সীমান্তে মানুষ হত্যা কেন বেড়েছে, সেটাই আসলে প্রশ্ন। এই হত্যা কোনোভাবেই যুক্তিসঙ্গত নয়। এমন হতে পারে যে বাংলাদেশের মানুষ অনেকেই সীমান্তের ওপারে আছে, যারা কাজ করতে যাওয়া আসা করে। ভারতের নাগরিকত্ব আইন বা তালিকার কারণে ভীতসন্ত্রস্ত হয়ে যদি তারা সীমান্ত পার হন, সে সময় কিছু হচ্ছে কিনা- এগুলো খতিয়ে দেখা দরকার। মানবাধিকার কর্মী এবং আইন ও সালিশ কেন্দ্রের সাবেক নির্বাহী পরিচালক নূর খান লিটন বলেন, ভারতের সাথে ৬টি দেশের সীমান্ত থাকলেও বাংলাদেশ ছাড়া অন্যদেশের সীমান্তে হত্যাকাণ্ড নেই বললেই চলে। কিন্তু বাংলাদেশ সীমান্তে বিএসএফ বেপরোয়াভাবে মানুষ খুন করে গুলি ও নির্যাতনের মাধ্যমে। এর মূল কারণ পররাষ্ট্রনীতির ক্ষেত্রে দক্ষতার পরিচয় আমরা দিতে পারছি না। ভারত বার বার সীমান্তে হত্যা বা আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার করবে না বলে কথা দিয়েও কথা রাখছে না। এ জন্য আমাদের আন্তর্জাতিক মহলের দ্বারস্থ হতে হবে। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমাদের সীমান্ত রক্ষী বাহিনী বিজিবি সীমান্ত হত্যাবন্ধে কঠোর হতে পারছে না। এ জন্য আমাদের জাতিসংঘে গিয়ে এ ধরনের হত্যা বন্ধে মামলা করার বিকল্প নেই বলে মনে করেন তিনি। এ প্রসঙ্গে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মুহা. রুহুল আমীন মানবকণ্ঠকে বলেন, সীমান্ত হত্যা বন্ধ করতে বাংলাদেশ ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে কঠোরভাবে সতর্ক করা উচিৎ। সীমান্ত হত্যা বরাবরই আমাদের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে বড় ধরনের সমস্যা সৃষ্টি করে। ফেলানি থেকে আজ পর্যন্ত যত ঘটনা ঘটেছে বা তার আগে ঘটেছিল এখন পর্যন্ত কোনো ভালো ব্যাখ্যাও নেই। তিনি বলেন, সীমান্ত হত্যা ইস্যুতে বিজিবি-বিএসএফ যে পতাকা বৈঠক করে এতে কোনো কাজ হয় না। এটা কোনো গুরুত্ব পায় না। উচ্চপর্যায়ের মিটিং করলে হয়তো সীমান্ত হত্যা বন্ধ হতে পারে।

All News Report

Add Rating:

0

সম্পর্কিত সংবাদ

ট্রেন্ডিং

ফ্রান্সের আরও ওয়েবসাইট৩৫টি হ্যাক করল Royal Battler BD এবং Bangladesh Civilian Force ।

ফ্রান্সের আরও ওয়েবসাইট৩৫টি হ্যাক করল Royal Battler BD এবং Bangladesh Civilian Force ।

কিশোরগঞ্জে জুয়ার আসরে র‌্যাবের হানা, আটক ১০

কিশোরগঞ্জে জুয়ার আসরে র‌্যাবের হানা, আটক ১০

ধর্ষণের কারন ও উৎস্য মোবাইলে পর্ণো ছবি ও যৌন উত্তেজক ঔষধ

ধর্ষণের কারন ও উৎস্য মোবাইলে পর্ণো ছবি ও যৌন উত্তেজক ঔষধ

‘হু আর ইউ ' অ্যাম আই এ ক্রিমিনাল? র‍্যাবকে মদ্যপ হাজীপুত্র

‘হু আর ইউ ' অ্যাম আই এ ক্রিমিনাল? র‍্যাবকে মদ্যপ হাজীপুত্র

দুই বিদেশি কুকুর ও ১০ দেহরক্ষী নিয়ে এলাকায় চক্কর দিতেন ওয়ার্ড কাউন্সিলর ইরফান!

দুই বিদেশি কুকুর ও ১০ দেহরক্ষী নিয়ে এলাকায় চক্কর দিতেন ওয়ার্ড কাউন্সিলর ইরফান!

আবারো দুঃসংবাদ দিলো আবহওয়া অধিদপ্তর

আবারো দুঃসংবাদ দিলো আবহওয়া অধিদপ্তর

ক্রেডিট ফি কমানোর দাবি হাবিপ্রবি শিক্ষার্থীদের

ক্রেডিট ফি কমানোর দাবি হাবিপ্রবি শিক্ষার্থীদের

সুদের টাকা দিতে ব্যর্থ হওয়ায় স্ত্রীকে ঋণদাতার হাতে তুলে দিলেন স্বামী

সুদের টাকা দিতে ব্যর্থ হওয়ায় স্ত্রীকে ঋণদাতার হাতে তুলে দিলেন স্বামী

রিফাত হত্যা: অপ্রাপ্তবয়স্ক ৬ আসামিকে আদালতে হাজির করেছে পুলিশ

রিফাত হত্যা: অপ্রাপ্তবয়স্ক ৬ আসামিকে আদালতে হাজির করেছে পুলিশ

Royal Battler BD এবং Bangladesh Civilian Force এর একত্র আক্রমণ এ ফ্রান্সের আরো ৩০ ওয়েব সাইট দখল

Royal Battler BD এবং Bangladesh Civilian Force এর একত্র আক্রমণ এ ফ্রান্সের আরো ৩০ ওয়েব সাইট দখল

পাকুন্দিয়া পল্লী দারিদ্র্য বিমোচন ফাউন্ডেশনে ঋন জালিয়াতি ও দুর্নীতি

পাকুন্দিয়া পল্লী দারিদ্র্য বিমোচন ফাউন্ডেশনে ঋন জালিয়াতি ও দুর্নীতি

বিশ্ব দরবারে উজ্জ্বল বাংলাদেশ

বিশ্ব দরবারে উজ্জ্বল বাংলাদেশ

রাজীবপুরে ইয়াবাসহ ৩ মাদক কারবারি আটক!

রাজীবপুরে ইয়াবাসহ ৩ মাদক কারবারি আটক!

বড় ভাইয়ের পরিবর্তে বিয়ে করতে এলো ছোট ভাই, ৬০ হাজার টাকা জরিমানা

বড় ভাইয়ের পরিবর্তে বিয়ে করতে এলো ছোট ভাই, ৬০ হাজার টাকা জরিমানা

ভয়ে ফরাসি নাগরিকদের সতর্ক থাকার আহবান ফ্রান্সের

ভয়ে ফরাসি নাগরিকদের সতর্ক থাকার আহবান ফ্রান্সের

সর্বশেষ

আল কোরআনের আলো

আল কোরআনের আলো

আজ নিষেধাজ্ঞামুক্ত হচ্ছেন সাকিব

আজ নিষেধাজ্ঞামুক্ত হচ্ছেন সাকিব

পাখি নিয়ে বিপাকে রাজশাহী বিমানবন্দরের ফ্লাইট

পাখি নিয়ে বিপাকে রাজশাহী বিমানবন্দরের ফ্লাইট

৪টি লক্ষণে বুঝবেন শিশু এডিনয়েড রোগে আক্রান্ত, কী করবেন

৪টি লক্ষণে বুঝবেন শিশু এডিনয়েড রোগে আক্রান্ত, কী করবেন

রংপুরে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪২তম প্রতিষ্ঠা বাষির্কী পালিত

রংপুরে জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪২তম প্রতিষ্ঠা বাষির্কী পালিত

মেয়েদের পিরিয়ডের সময় যেসব খাবার বিরূপ প্রভাব ফেলে

মেয়েদের পিরিয়ডের সময় যেসব খাবার বিরূপ প্রভাব ফেলে

জেনে নিন সকালে চা-কফি পানের সঠিক সময়

জেনে নিন সকালে চা-কফি পানের সঠিক সময়

প্রয়াত আ’লীগ নেতা সাইফুল ইসলাম মাস্টারের ছেলের জানাজায় এমপি আয়েন উদ্দিন

প্রয়াত আ’লীগ নেতা সাইফুল ইসলাম মাস্টারের ছেলের জানাজায় এমপি আয়েন উদ্দিন

ভয়ে ফরাসি নাগরিকদের সতর্ক থাকার আহবান ফ্রান্সের

ভয়ে ফরাসি নাগরিকদের সতর্ক থাকার আহবান ফ্রান্সের

শহীদ রাসেল দিবসে শ্রীমঙ্গলে ওয়ার্কার্স পার্টির আলোচনাসভা আজ

শহীদ রাসেল দিবসে শ্রীমঙ্গলে ওয়ার্কার্স পার্টির আলোচনাসভা আজ

দক্ষতা উন্নয়নে মুক্তপাঠ

দক্ষতা উন্নয়নে মুক্তপাঠ

যে সবজি ত্বকের বার্ধক্যের ছাপ দূর করবে

যে সবজি ত্বকের বার্ধক্যের ছাপ দূর করবে

বাংলাদেশিদের দেড় ঘণ্টার হামলায় ধরাশয়ী ফ্রান্সের সেই ওয়েসাইট

বাংলাদেশিদের দেড় ঘণ্টার হামলায় ধরাশয়ী ফ্রান্সের সেই ওয়েসাইট

মাইক্রোবায়োলজি সমাচার

মাইক্রোবায়োলজি সমাচার

রাজশাহীতে পিআইসি‘র কর্মকর্তার সাথে কাউন্সিলর আনারের মত বিনিময়

রাজশাহীতে পিআইসি‘র কর্মকর্তার সাথে কাউন্সিলর আনারের মত বিনিময়