Feedback

আপ ১, উপন্যাস

আগামীর বঙ্গবন্ধু পর্ব- ১

আগামীর বঙ্গবন্ধু  পর্ব- ১
October 31
01:40am
2020

আই নিউজ বিডি ডেস্ক Verify Icon
Eye News BD App PlayStore

বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে তার জীবন ও কর্মের উপর লিখিত, নাটকটি বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির জুরি বোর্ড কর্তৃক মনোনীত। নাটকটি জেলা শিল্পকলা একাডেমী মেহেরপুর মঞ্চস্থ করার জন্য অনুমোদন দিয়েছে।   

নাটক: আগামীর বঙ্গবন্ধু

রচনা- আবুল হাসান  তুহিন  কাহিনী সংক্ষেপ: 

সাদমান টিভি চ্যানেল পাল্টাতে পাল্টাতে হঠাৎ চোখে আটকে যাবে বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ৭ মার্চ ভাষণে। একজন মানুষের কথা এত মানুষ শুনছে কেন? প্রশ্ন জাগে শিশুমনে। ভাষণ শেষ হওয়ার পর তার চাচা স্বপনকে জিজ্ঞেস করে, বাবা উনি কে? চাচা বললেন উনি আমাদের জাতির পিতা। শিশু মনে প্রশ্ন জাগলো জাতির পিতা কি? চাচা স্বপন বোঝালেন উনি বাংলাদেশকে পরাধীনতার শিকল থেকে মুক্ত করে স্বাধীনতা এনে দিয়েছেন এই কারণে তিনি জাতির পিতা। তিনি ৭ মার্চ ভাষণে  কি বলেছিলেন কেন বলেছিলেন? মুক্তিযুদ্ধ কিভাবে হয়েছে তাকে সহজ সরল ভাষায় সব বুঝিয়ে দিলেন। সব শুনে বঙ্গবন্ধুর প্রতি জন্ম নেয় অপার্থীব ভালোবাসা।

সে বঙ্গবন্ধুর সাথে দেখা করার বায়না ধরে। চাচা বঙ্গবন্ধুর সাথে নির্মমতার কথা বলে শান্ত করার চেষ্টা করেন, কিন্তু' সে নাছোড়বান্দা, বঙ্গবন্ধুর দলের কোনো নেতা যশোরে আছে কিনা-প্রশ্ন করে, তাহলে তার সাথে দেখা করতে চায়। চাচা বলে আগামী কাল আওয়ামী লীগের পার্টি অফিসে  নিয়ে যাবে। রাতে অস্থিরতা ভিতরে ছটফট করে, কখন সকাল হবে। বঙ্গবন্ধুর পোশাকের আদলে পোশাক কিনে পরানো হয় মেকআপ করানো হয়। এক গুচ্ছ ফুল কিনে দলের নেতার সাথে দেখা করে,নেতা তাকে বুকে জড়িয়ে নেন।সে বঙ্গবন্ধুর ছবিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানায়। ভাষণের কিছু অংশ বলে। একটি ভাষণের সম্মোহনী ক্ষমতা একটি জাতিকে কিভাবে একসূত্রে গেঁথে ছিল সেই ভাবনা থেকে ছোট্ট শিশু মনে গভীর ভাবনার জন্ম দেয়। সাদমান  প্রচেষ্টা শুরু করলো বঙ্গবন্ধুর ভাষণকে হৃদয় ধারণ করায়। চাঁদের হাট সংগঠনের আবৃত্তিতে ভর্তি হয়। আবৃত্তি শিক্ষক আরো সুন্দর পরিচর্যার মাধ্যমে ভাষণটি আত্মস্থ করে দেন। বিভিন্ন অনুষ্ঠানে ভাষণটি প্রদর্শন করতে থাকে চারদিকে প্রশংসার ছড়িয়ে পড়ে। সাদমানের ইচ্ছাা জাতির পিতার কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং ছোট বোন শেখ রেহানার সামনে দাঁড়িয়ে ঐতিহাসিক ৭ মার্চ এর ভাষণটি শোনাবে। সে ভবিষ্যতে বঙ্গবন্ধুর আদর্শের একজন নেতা হয়ে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার স্বপ্ন দেখে। 

চরিত্র বিন্যাস ১।  সাদমান-  জুনিয়ার বঙ্গবন্ধু

২। স্বপন -  চাচা,

৩। নেতা - আওয়ামী লীগ নেতা,

৪। আসাদ- আবৃত্তি শিক্ষক

৫। জয়া- আবৃত্তি ছাত্রী

৬। মেকআপ ম্যান -মাঝ বয়সী,

৭। সাংবাদিক- টিভি সাংবাদিক,

৮। শিক্ষকা- স্কুলের প্রধান শিক্ষকা

৯। রনি- ভিডিও ক্যামেরাম্যান

১০। একদল কোরিওগ্রাফি শিল্পী     

পৃষ্ঠা-০২ দৃশ্য\ ০১\  দিন\   রুম\ চরিত্র: সাদমান ও স্বপন     

সাদমান টিভি দেখছে বিভিন্ন চ্যানেল পাল্টাচ্ছেছ একটি চ্যানেলে বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চ ভাষণ প্রচার হচ্ছে ওটার উপরে তার চোখ স্থির হয়ে যায়, ভাষণ মনোযোগ সহকারে দেখতে থাকে। চাচা স্বপন পাশে বসে পেপার পড়ছে। ভাষণ শেষ হলে সাদমান চাচার কাছে প্রশ্ন জিজ্ঞেস করে। (বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চ ভাষণের ফুটেজ সংযুক্ত করতে হবে।) 

সাদমান:  (কিছুক্ষণ টিভি দেখবে মনোযোগ সহকারে তারপর উঠে  এসে সাদমান স্বপনের  কাছে জিজ্ঞেস করবে) আব্বা, আব্বা, একজন মানুষ কথা বলছেন আর এত মানুষ ওনার কথা শুনছেন কেন?

স্বপন: ১৯৭১ সালের আগে আমরা পাকিস্তান রাষ্ট্রের অন্তর্ভুক্ত ছিলাম। শোষণ নিপীড়ন-নির্যাতন  আমাদের নিত্যসঙ্গী। সেই শোষণের শৃংখল থেকে মুক্ত করার জন্য ঐতিহাসিক রেসকোর্স ময়দানে ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আমাদের স্বাধীনতার ডাক দেন। ভাষণের মধ্যে শুনেছো তিনি বলেছিলেন ‘এবারের সংগ্রাম মুক্তির সংগ্রাম, এ বারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম’ তার সেই ভাষণের এতই ক্ষমতা ছিলো যে মুক্তিকামী মানুষ যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল। দীর্ঘ নয় মাস রক্তয়ী মুক্তিযুদ্ধ শেষে ছিনিয়ে আনলো স্বাধীনতা। আমরা হোলাম স্বাধীন বাংলাদেশের মানুষ।

সাদমান:  ও বুঝেছি, বঙ্গবন্ধুই তাহলে স্বাধীনতার ডাক দেন, বঙ্গবন্ধু কে আরো কি নামে ডাকে বললে তুমি? 

স্বপন :   উনি হচ্ছেন আমাদের জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। সাদমান: বাবা জাতির পিতা কি?

স্বপন :   কোন জাতি গোষ্ঠী দেশের মানুষের মুক্তির জন্যে যে নিজের জীবন বাজি রেখে সব কিছু উৎসর্গ করেন তখন তিনি সেই জাতি  গোষ্ঠী এবং  দেশের জাতির পিতা হয়ে যান। তেমনি বাংলাদেশের জাতির  পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।

সাদমান:   তাহলে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আমাদের জাতির পিতা?

স্বপন:   হ্যাঁ বাবা বঙ্গবন্ধু-আমাদের জাতির পিতা।

সাদমান :  বাবা আমি জাতির পিতার সাথে দেখা করব। আমাকে উনার সাথে দেখা করিয়ে দাওনা  দাওনা দাওনা। 

স্বপন:  না বাবা. জাতির পিতার সাথে দেখা করা যাবে না।

সাদমান: কেন যাবেনা? আমাকে আজই দেখা করতে নিয়ে যাবে। 

পৃষ্ঠা-৩     

স্বপন :  জাতির পিতা জীবিত নেই।

সাদমানঃ  ও আচ্ছা উনি মারা গেছেন। বাবা উনি কিভাবে মারা গেলেন?

স্বপন : উনাকে হত্যা করা হয়েছে!

সাদমান :  কি বলছ! হত্যা করা হয়েছে ? এমন মানুষকে কেউ হত্যা করতে পারে?

স্বপন :  হ্যাঁ পারে। একদল বেঈমান বিশ্বাস ঘাতক ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট গভীর রাতে  তাঁকে সপরিবারে হত্যা করে। সেই সাথে তোমার মত একজন ছোট্ট ছেলে ছিল তার। নাম ছিল, রাসেল সেও রেহাই পায়নি সেই নির্মম হত্যাকাণ্ড থেকে। শুধু বিদেশে থাকার কারণে বেঁচে যান আমাদের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধুর কন্যা শেখ হাসিনা এবং তাঁর ছোট বোন শেখ রেহানা।

সাদমান: বাবা তুমি এসব কি বলছ! এটাও কি সম্ভব!

স্বপন : এটাও সম্ভব। রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা দখলের জন্য মানুষ সবকিছু করতে পারে। সাদমান : আচ্ছা, বাবা যারা হত্যা করেছিল 

স্বপন :ইনডিমিনিটি অধ্যাদেশ নামে সে সময়কার ক্ষমতা দখলকারী ব্যক্তিরা একটি কালো আইন করে, হত্যাকাণ্ডের বিচার বন্ধ করে রাখে। পরবর্তীতে বঙ্গবন্ধুর কন্যা শেখ হাসিনা ক্ষমতায় আসার পর সে আইনটি বাতিল করে বঙ্গবন্ধুর হত্যার বিচার কার্য শুরু করেন এর মধ্যে অনেকের বিচারকার্যে ফাঁসি হয়েছে, অনেকে বাইরে বিভিন্ন দেশে পালিয়ে আছেন তাদেরকে দেশে ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থা করা হয়েছে, এরমধ্যে অনেকে মারাও গেছেন।

সাদমান : আচ্ছা বাবা বঙ্গবন্ধুর দলের কেউ যশোরে নেই? আমি তার সাথে দেখা করব।

স্বপন : হ্যাঁ  আছে।

সাদমান :  আমি তার সাথে দেখা করতে চাই। আমাকে এখনই দেখা করাতে নিয়ে চলো প্লিজ প্লিজ বাবা।

স্বপন : শোন বাবা, চাইলেই তো সব সময় সবার সাথে দেখা করা যায় না, এর জন্য সময় বের করতে হয়। আমি আগামীকাল বিকালে তোমাকে সেখানে নিয়ে যাবো।

সাদমানঃ  ঠিক আছে, কথা দাও নিয়ে যাবে?

স্বপন : ঠিক আছে বাবা আমি তার সাথে মোবাইলে যোগাযোগ করে তোমার কথা বলবো এবং আগামীকাল তোমাকে নিয়ে যাবো। এবার খুশিতো? যাও ছাদ থেকে ঘুরে এসো।

সাদমান : (খুশি মনে যেতে যেতে) বাবা আমি ছাদে গেলাম তুমি এসো।

স্বপনঃ : (সাদমান খুশি মনে বাইরে বেরিয়ে যায়) ঠিক আছে সাবধানে যাবে। (সাদমান বেরিরয়ের যাবে স্বপন মোবাইল ফোনের বাটন টিপতে টিপতে) ইতিহাসের এই জঘন্যতম হত্যাকান্ডের কথা শুনে শিশু হৃদয়ে রেখাপাত করেছে অথচ সেইদিন বিশ্বাস ঘাতকরা উল্লেস করেছে। (মোবাইলে কথা বলবে ) হ্যালো ভাই আমি স্বপন, আমার ভাইয়ের ছেলে সাদমান বঙ্গবন্ধুর দলেের  লোকদের সাথে দেখা করতে চায়,তাই -----, কাল বিকালে নিয়ে আসবো? আচ্ছা ঠিক আছে। ধন্যবাদ ভাই।  (  লাইট অফ হবে প্রস্থান)               

পৃষ্ঠা-০৪  দৃশ্য\ ০২\  রাত\  বেডরুম চরিত্র : সাদমান,স্বপন  দেখা যায় সাদমান পাায়়চারি করছে কখন সকাল হবে দিন আসবে  সে বঙ্গবন্ধুর দলের লোকদের সাথে দেখা করতে যাবে। 

সাদমান : (স্বগত) কখন সকাল হবে। কখন বঙ্গবন্ধুর লোকদের সাথে দেখা করতে যাবো। রাত তো শেষ হচ্ছেনা।  (ছটফট করতে থাকে। স্বপন এসে দেখবে এবং শান্তনা দেবেন)

স্বপনঃ সাদমান এখনো না ঘুমিয়ে পাায়চারী  করছ কেন? আমি বঙ্গবন্ধুুর দলের লোকের সাথে কথাা বলেছি তোমাকে কাল বিকালে উনাদের সাথেে দেখা করতে নিয়ে যাব। এখন চলো ঘুমিয়ে পড়ি।

সাদমানঃ ঠিক আছে আব্বা চলো। কখন সকাল হবে আবার বিকাল। চলো।( উভয়ের প্রস্থান)

দৃশ্য\ ০৩\  দিন\   রুম\  চরিত্র : সাদমান ও স্বপন দেখা যায় সাদমানকে নিয়ে স্বপন বাইরে বের হচ্ছে

স্বপনঃ চলো আগে আমরা গার্মেন্টসের দোকানে যাব তোমার জন্য একটি মুজিব কোট পাজামা-পাঞ্জাবি কিনব।

সাদমানঃ ঠিক আছে কিন্ত আমার একটা কথা আছে। 

স্বপনঃ কি কথা?

সাদমানঃ আমরাাতো রিকশায় করে গার্মেন্টসে দোকানে যাবো ? রিক্সা ভাড়া  যা হবে তার থেকে আরো ১০ টাকা বেশি  রিকশাআলা কে দেবে কারণ রিক্সাওয়ালা গরিব মানুষ সে অনেক কষ্ট করে আমাদেরকে রিক্সায় করে নিয়ে যাবে।   

স্বপনঃ ঠিক আছে তাই হবে চলো । 

সাদমানঃ গার্মেন্টস থেকে পাজামা-পাঞ্জাবি এবং মুজিব কোট  কেনার পর ফুলের দোকানে যেতে হবে সেখান থেকে একগুচ্ছ ফুল কিনতে হবে বঙ্গবন্ধুর ছবি দেওয়ার জন্য।

স্বপনঃ  এবার যাওয়া যাক। (দুজনে মঞ্চের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্ত দিয়ে বের হয়ে যাবে) 

দৃশ্য \ ০৪\  দিন\  রাস্তা  চরিত্রঃ স্বপন ও সাদমান,   স্বপন সাদমান কে নিয়ে গার্মেন্টস এর  প্যাকেট হাতে মঞ্চে প্রবেশ করবে। মুজিব কোর্ট সাদা পাঞ্জাবি পায়জামা কিনেছে     

স্বপন :  সাদা পাঞ্জাবি পায়জামা এবং মুজিব কোর্ট পরে  মেকআপ নিয়ে দেখবে তোমাকে কেমন দেখায়। 

সাদমান :  আমি জুনিয়র বঙ্গবন্ধু। আমাকে তো ভালো লাগবে। কিন্তু কালো চশমা  মনে করে কিনবে।

স্বপন : স্যরি ভুল হয়েছে।চশমা ছাড়া জুনিয়র বঙ্গবন্ধুকে বেমানান লাগবে। চলো আগে চশমার দোকানে যাবো তারপরে মেকআপ নিয়ে একতোড়া ফুল কিনে সোজা আওয়ামীলীগ অফিসে। 

সাদমানঃ  জলদি যেতে  হবে, তাছাড়া পেটে কিছু দিতে  হবে তো।

স্বপনঃ সেটা কি বলতে হবে। (প্যাকেট নিয়ে মঞ্চ থেকে বের হবে লাইট অফ হবে।) 

দৃশ্য\ ০৫\  দিন\ রুম চরিত্র : সাদমান, স্বপন, মেকআপ ম্যান  দেখা যায় মেকাপম্যান বসে আছে স্বপন সালমানকে নিয়ে মঞ্চে প্রবেশ করবে। সাদমানকে বঙ্গবন্ধুর আদলে মেকআপ করবে। 

স্বপনঃ কেমন আছেন আমার ছোট ভাইয়ের ছেলে সাদমান বঙ্গবন্ধুুর আদলে মেকআপ করে দিতে হবে।

মেকাপম্যানঃ আসো বাাবু তোমাকে মেকআপ করিয়ে দিই।

সাদমানঃ আমি বাবু নয় আমি জুনিয়ার বঙ্গবন্ধু।

মেকাপম্যান : ঠিকই তো তুমি জুনিয়ার বঙ্গবন্ধু এসো এখানে বসো আমি যেমন বলবো থাকবে ঠিক আছে একেবারে নড়াচড়া করবে না। সাদমান: আচ্ছা ঠিক আছে।

মেকাপম্যান : (মেকআপ শেষ করে আয়না সামনে ধরে বলবে)  এই আয়নায় দেখো তোমাকে অবিকল বঙ্গবন্ধুর মতো লাগছে। আগামীতে আরো সুন্দর করে তোমাকে মেকআপ করে দেবো। 

স্বপনঃ এবার থেকে প্রতিটি অনুষ্ঠানে যাওয়ার আগে সাদমানকে  মেকাপ করে বঙ্গবন্ধু আদলে সাজিয়ে দিতে হবে। তাহলে আজকের মত আসি। ( লাইট অফ হবে সবাই প্রস্থান করবে)         

দৃশ্য\ ০৬\  দিন\  রাস্তা চরিত্র : স্বপন, সাদমান, মেকআপ নিয়ে স্বপন ও সাদমান রাস্তা দিয়ে আসছে এবং কথা বলছে তারা ফুল কিনবে।   

স্বপন : ঐযে ফুলের দোকানে আমাদের ফুলের তোড়া কিনতে হবে।

সাদমানঃ আব্বা আমি দেখেছি বঙ্গবন্ধুুর ম্যুরালে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করে। আমি  বঙ্গবন্ধুুর ম্যুরালে ফুল দিয়ে স্যালুট' দেবো। 

স্বপন : ঠিক আছে চলোো আমরা আমরা ফুলের দোকানেে যাই। ( ,প্রস্থন করবে) 

দৃশ্য\ ০৭\  দিন\  আওয়ামী লীগ অফিস

চরিত্র : স্বপন, সাদমান, নেতা ও অন্যান্য

পৃষ্ঠা-০৫ দেখা যায় নেতা   ও অন্যান্যরা অফিসে বসে আছেন স্বপন সাদমান কে নিয়ে অফিসে প্রবেশ করবেন সাদমানকে পরিচয় করিয়ে দেবেন, সাদমান পুষ্পার্ঘ্য বঙ্গবন্ধুর ছবিতে দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করবে। 

স্বপন : এই হচ্ছে আমার ছোট ভাইয়ের ছেলে সাদমান মোবাইলে গতকাল বলেছিলাম। বঙ্গবন্ধুর দলের লোকদের সাথে দেখা করতে চায় তাই ওকে নিয়ে এসেছি।

সাদমান : (এগিয়ে গিয়ে হ্যান্ডশেক করবে) আমি জুনিয়র বঙ্গবন্ধু ।                                       

নেতা : নেতা ওকে বুকে জড়িয়ে নেবে আদর করবে। বেশ-বেশ, বঙ্গবন্ধুর প্রতি ভালবাসা দেখে আমি মুগ্ধ।

সাদমান : আমি ফুল নিয়ে এসেছি বঙ্গবন্ধুর ছবিতে নিবেদন করতে চাই।

নেতা : এসো আমরা সবাই মিলে বঙ্গবন্ধুর ছবিতে পুষ্পার্ঘ্য নিবেদন করি। উপস্থিত সবাই  মিলে বঙ্গবন্ধুর ছবিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করবে। (সাদমান বঙ্গবন্ধুর ছবিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ শেষে সেলুট দেবে তার চোখ দিয়ে পানি ঝরবে "যদি রাত পোহালে শোনা যেত বঙ্গবন্ধু মরে নাই গান বাজবে গান শেষে সবাই বসবে।) 

স্বপন : সাদমান বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চ ভাষণ দেখে মুগ্ধ হয়েছে একদিনে কিছু ভাষণ রপ্ত করেছে। 

নেতা :  ঠিক আছে। তাহলে জুনিয়ার বঙ্গবন্ধু দেখি তুমি কেমন ভাষণ শিখেছ সবার সামনে ভাষণ দিতে পারবে?

সাদমান : হ্যাঁ পারব। (বঙ্গবন্ধুর ভাষণ দেবে) এবারের সংগ্রাম মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম, রক্ত যখন দিয়েছি, রক্ত আরও দেবো-দেশের মানুষকে মুক্ত করে ছাড়বো  ইনশাল্লাহ।  (ভাষণ শেষে হল নেতা বলবেন) 

নেতা : এবার থেকে সাদমান আমাদের জুনিয়র লিডার। সেই সাথে জুনিয়র বঙ্গবন্ধু তো বটে। এত ছোট বয়সে বঙ্গবন্ধুর আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে তাঁর ভাষণ কন্ঠে ধারণ করে যে প্রাণ শক্তির পরিচয় দিয়েছে এটা ইতিহাস হয়ে থাকবে। সে এখন থেকে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে বঙ্গবন্ধুর ভাষণ দেবে। (উপস্থিত সকলে হাতে তালি দেবে জয়বাংলা শ্লোগান দিয়ে বের হবে  প্রস্তান)               

দৃশ্য\ ০৮\  দিন\  চাঁদের হাট চরিত্র : সাদমান , স্বপন, আসাদ, জয়়া, বেশ কয়েকজন কোরিওগ্রাফি শিল্পী  দেখা যায় আসাদ সংগঠনে বসে আছে জয়ার কবিতা আবৃতি শুনছেন। স্বপন সাদমানকে নিয়ে আসবে। বঙ্গবন্ধুর ভাষণ সুন্দর ভাবে শেখানোর জন্য।

পৃষ্ঠা-০৬ আসাদঃ আজকে সৈয়দ শামসুল হকের "আমার পরিচয়" কবিতা টি সুন্দরভাবে আবৃতি করতেে হবে। কবিতার সাথে সাথে আবার মঞ্চে একটি কোরিওগ্রাাফি করবো। (জয়া কবিতাটি আবৃত্তি করবে এবং একদল ছেলেমেয়ে কবিতার সাথে সাথে কোরিওগ্রাফি করবে)

জয়াঃ ঠিক আছে ভাইয়া, আমি শুরু করছি। যারা কোরিওগ্রাফি করবে তারা সবাই যার যার জায়গায় চলে যাও। "আমি জন্মেছি বাংলায়, আমি বাংলায় কথা বলি। আমি বাংলার আলপথ দিয়ে, হাজার বছর চলি। চলি পলিমাটি কোমলে আমার চলার চিহ্ন ফেলে। তেরশত নদী শুধায় আমাকে, কোথা থেকে তুমি এলে?  আমি তো এসেছি চর্যাপদের অক্ষরগুলো থেকে আমি তো এসেছি সওদাগরের ডিঙার বহর থেকে। আমি তো এসেছি কৈবর্তের বিদ্রোহী গ্রাম থেকে আমি তো এসেছি পালযুগ নামে চিত্রকলার থেকে।  এসেছি বাঙালি পাহাড়পুরের বৌদ্ধবিহার থেকে এসেছি বাঙালি জোড়বাংলার মন্দির বেদি থেকে। এসেছি বাঙালি বরেন্দ্রভূমে সোনা মসজিদ থেকে এসেছি বাঙালি আউল-বাউল মাটির দেউল থেকে। 

আমি তো এসেছি সার্বভৌম বারোভূঁইয়ার থেকে আমি তো এসেছি ‘কমলার দীঘি’ ‘মহুয়ার পালা’ থেকে। আমি তো এসেছি তিতুমীর আর হাজী শরীয়ত থেকে আমি তো এসেছি গীতাঞ্জলি ও অগ্নিবীণার থেকে। 

এসেছি বাঙালি ক্ষুদিরাম আর সূর্যসেনের থেকে এসেছি বাঙালি জয়নুল আর অবন ঠাকুর থেকে। এসেছি বাঙালি রাষ্ট্রভাষার লাল রাজপথ থেকে এসেছি বাঙালি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর থেকে। 

আমি যে এসেছি জয়বাংলার বজ্রকণ্ঠ থেকে আমি যে এসেছি একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ থেকে। এসেছি আমার পেছনে হাজার চরণচিহ্ন ফেলে শুধাও আমাকে ‘এতদূর তুমি কোন প্রেরণায় এলে? তবে তুমি বুঝি বাঙালি জাতির ইতিহাস শোনো নাই- ‘সবার উপরে মানুষ সত্য, তাহার উপরে নাই।’ একসাথে আছি, একসাথে বাঁচি, আজো একসাথে থাকবোই সব বিভেদের রেখা মুছে দিয়ে সাম্যের ছবি আঁকবোই। 

পরিচয়ে আমি বাঙালি, আমার আছে ইতিহাস গর্বের- কখনোই ভয় করিনাকো আমি উদ্যত কোনো খড়গের। শত্র“র সাথে লড়াই করেছি, স্বপ্নের সাথে বাস; অস্ত্রেও শান দিয়েছি যেমন শস্য করেছি চাষ, একই হাসিমুখে বাজায়েছি বাঁশি, গলায় পরেছি ফাঁস; আপোষ করিনি কখনোই আমি- এই হ’লো ইতিহাস। 

এই ইতিহাস ভুলে যাবো আজ, আমি কি তেমন সন্তান?  যখন আমার জনকের নাম শেখ মুজিবুর রহমান, তারই ইতিহাস প্রেরণায় আমি বাংলায় পথ চলি- চোখে নীলাকাশ, বুকে বিশ্বাস পায়ে উর্বর পলি।" এর ভিতর সাদমান কে নিয়ে স্বপন মঞ্চে প্রবেশ করবে

আসাদঃ আরে স্বপন ভাই। কি ব্যাপার?

স্বব্ : এ হচ্ছে আমার ছোট ভাইয়ে ছেলে সাদমান। বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চ ভাষণ শুনে অনুপ্রাণিত হয় সে জুনিয়র বঙ্গবন্ধু বলে নিজেকে পরিচয় দিতে গর্ববোধ করে। বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চ ভাষণটি  সুন্দরভাবে শিখিয়ে দিতে হবে যাতে সে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে ভাষণটি উপস্থাপন করতে পারে, তাই তোমার কাছে নিয়ে এসেছি।

আসাদঃ  বাহ এটাতো গর্বের বিষয়, কোন চিন্তা করতে  হবে না , আমি এমন একটি ছেলেকে এতদিন ধরে খুজছিলাম। বঙ্গবন্ধু ৭ মার্চ ভাষণ এখনও আমাদেরকে আন্দোলিত করে। বঙ্গবন্ধুুুর দীপ্তময় ভাষণটি  আমাদেরকে স্বাধীনতা এনে দিয়েছিল। আমি আশা করছি এই ভাষণ  একদিন সারবিশ্বেও ছড়িয়ে পড়বে। ওকে এনে ভালোই করেছেন। আমার সাধ্যমত চেষ্টা করব। বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ সুন্দরভাবে শিখিয়ে দেবো। (সাদমানকে কাছে নিয়ে আসাদ সাদমানকে বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চ ভাষণ সুন্দরভাবে উপস্থাপনের কৌশল শেখাবে।)

আসাদঃ হাতটা কোথায়় উঠবে ঠিক এইখানে বঙ্গবন্ধু এইভাবে হাত উঁচু করেে ভাষণ  দিয়েছিলেন। নাও আসো শুরু করো।

সাদমানঃ  এবারের সংগ্রাম মুক্তির সংগ্রাম এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম। জয় বাংলা।

আসাদঃ বাহ অনেক সুন্দর হয়েছে। তুমিই হবে আগামীর বঙ্গবন্ধু। আজ এ পর্যন্তই  ওঠা যাক। (সকলের প্রস্থান করবে)                                         

দৃশ্য \ ০৯\ দিন\  রুম চরিত্রঃ সাদমান, স্বপন, মেকআপ ম্যান দেখা যায় সাদমানকে তার চাচা স্বপন মেকআপ করার জন্য নিয়ে আসবে। সাদমানকে সুন্দরভাবে বঙ্গবন্ধুর মতো করে মেকআপ করে দেবে। 

মেকাপম্যান : কি ব্যাপার ? এসো এসো।

স্বপন : সাদমানকে আগের চেয়ে আরও সুন্দর করে মেকআপ করে দিতে হবে অবিকল বঙ্গবন্ধুর মতো। ও বিভিন্ন অনুষ্ঠানে এবার থেকে বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ দেবে

মেকাপম্যানঃ  ঠিক আছে কোন সমস্যা নেই এসো সাদমান। তোমাকে প্রতি অনুষ্ঠানের আগে সুন্দর করে বঙ্গবন্ধুর সাজে সাজিয়ে দেবো।

সাদমান : আমি জুনিয়ার বঙ্গবন্ধু।

মেকাপম্যান: ঠিকই তো মেকআপ করার পর দেখো তুমি ঠিকই জুনিয়ার  বঙ্গবন্ধু। (সাদমানের মেকআপ করার পর আয়না দেখিয়ে) এই দেখ জুনিয়র বঙ্গবন্ধু।কি কেমন। ( প্রস্থান)   

দৃশ্য\ ১০\  দিন\ অফিস  রুম\ চরিত্র : সাংবাদিক, রনি দেখা যায় সাংবাদিক বসে বসে পেপার পড়ছে এমন সময় টেলিফোন বেজে ওঠে অপরপ্রান্ত থেকে কথা শুনবে এবং ক্যামেরাম্যান রনিকে ডাকবে। 

সাংবাদিকঃ (স্বগত) বঙ্গবন্ধুর ৭ ই মার্চ ভাসন আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি লাভ।বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণকে ‘মেমোরি অব দ্য ওয়ার্ল্ড'-এর স্বীকৃতি দিয়েছে ইউনেস্কো৷  ফ্রান্সের প্যারিসে ইউনেস্কোর মহাপরিচালক ইরিনা বোকোভা এক ঘোষণায় একথা জানান৷ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক বিবৃতিতে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে৷ বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ইউনেস্কোর ‘মেমোরি অব দ্য ওয়ার্ল্ড' তালিকায় বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণকে স্থান দেয়া হয়েছে৷ এই তালিকার মাধ্যমে ইউনেস্কো বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা ও ঐতিহ্য সংরক্ষণ করে৷ ৪৬ বছর আগে ঢাকার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে (তৎকালীন রেসকোর্স ময়দান) স্বাধীনতাকামী ৭ কোটি মানুষকে যুদ্ধের প্রস্তুতি নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন, ‘‘এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম জয় বাংলা।"এই স্বীকৃতির মাধ্যমে বাংলাদেশ বহুদূর এগিয়ে গেল৷ এটা শুধু বঙ্গবন্ধুর স্বীকৃতি নয়, দেশের জন্যও এক বড় স্বীকৃতি৷ এখন এটাকে আরো ছড়িয়ে দিতে হবে৷ বঙ্গবন্ধু শুধু বাংলাদেশের নেতা ছিলেন না, তিনি বিশ্বের নির্যাতিত নিপীড়িত মানুষের নেতা ছিলেন৷ ২০১৫ সালে ক্যানাডার একজন অধ্যাপক সারা বিশ্বের ঐতিহাসিক ভাষণ নিয়ে একটা গ্রস্থ প্রকাশ করেছিলেন৷ সেখানেও বঙ্গবন্ধুর এই ভাষণ ছিল৷ তখন অ্যাকাডেমিক স্বীকৃতি পেলেও এবার পেলো আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি৷' একটা গর্বের বিষয়( হঠাৎ ফোনটা বেজে ওঠে টেলিফোন রিসিভ করে) ওয়ালাইকুমা সালাম। হ্যাঁঁ অবশ্য অবশ্যই অবশ্যই পারবো। এটাতো একটা খুশির খবর। আচ্ছা ঠিক আছে রাখছি। রনি রনি। (রনিকে ডাকবেন রনি বাইরে থেকে উত্তর দিয়ে মঞ্চের  প্রবেশ করবে) রনিঃ জি ভাই আসছি।

(মঞ্চে প্রবেশ করে) কি জন্য ডাকছেন ভাইয়া?

সাংবাদিকঃ শোনো আগামী ২০২০সালের১৭মার্চ থেকে ২০২১সালের ১৭মার্চ পর্যন্তত বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী আড়ম্বরপূর্ণণ ভাই পালন করা হবে। তাই বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি বঙ্গবন্ধুর জীবন ও কর্মের উপর নাটকের পান্ডুলিপি বঙ্গবন্ধুর  উপরে গান এবং শর্ট ফিল্ম আহ্বান করেছে। টেলিফোনের মাধ্যমেে আমাকে আমার এক বন্ধু জানিয়েছে। আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছি বঙ্গবন্ধুর উপর একটি শর্ট ফিল্ম নির্মাণ করব।

রনিঃ খুব ভালো কথা ভাইয়া আমাদের তো কোন সমস্যা নেই আমাদের নিজেদের ক্যামেরা আছে আমরা শুটিং করব এবং ভালো কোন প্যানেল থেকে আমরা সেটাকে এডিটিং করতে পারব।

সাংবাদিকঃ শর্ট ফিল্ম  নির্মাণ কর তা যেন ব্যতিক্রম হয়। তোমার কাছে যদি কোন আইডিয়া থাকে আমাকে বলতে পারো। সেই ভাবে স্ক্রিপ্ট লিখব।

রনিঃ কয়েকদিন আগে দৈনিক গ্রামের কাগজে সাদমান নামে একটি ছোট ছেলের ফিচার বের হয়েছিল সে বঙ্গবন্ধুর ৭ ই মার্চেের ভাষণ বিভিন্ন অনুষ্ঠানে প্রদান করে । আমরা সাদনানের উপরে শর্ট ফিল্ম নির্মাণ করতে পারি সেই সাথে তার সাক্ষাৎকার আমাদের চ্যানেলে প্রচার করতে পারি। সাংবাদিকঃ তুমি ঠিক কথা বলেছো ৭  মার্চ ভাষণটি যেহেতু আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি লাভ করেছে। সেই সাথেই বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী পালন  হবে আড়ম্বরপূর্ণ ভাবে । এক ঢিলে দুই পাখি শিকার । সাদমানের সাক্ষাৎকার গ্রহণ করব সেইসথে শর্ট ফিল্ম নির্মাণ করবো। তুমি বিকালে গ্রামের কাগজ টা খুঁজবে। চলো লাঞ্চের সময় হয়ে গেছে। (উভয়েরপ্রস্থান)

All News Report

Add Rating:

0

সম্পর্কিত সংবাদ

ট্রেন্ডিং

বৌভাত অনুষ্ঠানে বরের জানাজা, কনে হাসপাতালে

বৌভাত অনুষ্ঠানে বরের জানাজা, কনে হাসপাতালে

পিরামিডের সামনে অশ্লীল ফটোশুট, গ্রেপ্তার মডেল ও ফটোগ্রাফার

পিরামিডের সামনে অশ্লীল ফটোশুট, গ্রেপ্তার মডেল ও ফটোগ্রাফার

নারায়ণগঞ্জে সুন্নতে খতনার অনুষ্ঠানে নাচতে গিয়ে গণধর্ষণের শিকার তরুণী

নারায়ণগঞ্জে সুন্নতে খতনার অনুষ্ঠানে নাচতে গিয়ে গণধর্ষণের শিকার তরুণী

সাহসী লুকে ধরা দিলেন ঋতুপর্ণা

সাহসী লুকে ধরা দিলেন ঋতুপর্ণা

কিশোরের পুরুষাঙ্গ কেটে দিল বন্ধুরা

কিশোরের পুরুষাঙ্গ কেটে দিল বন্ধুরা

ব্যবহার করা চা পাতা ফেলে দিচ্ছেন?  উপকারিতা জানলে আপনিও চমকে উঠবেন

ব্যবহার করা চা পাতা ফেলে দিচ্ছেন? উপকারিতা জানলে আপনিও চমকে উঠবেন

হাইমচরের পারুল হত্যা মামলায় আটক ৩

হাইমচরের পারুল হত্যা মামলায় আটক ৩

৬টি ঘরোয়া উপায়ে এভাবেই আরশোলার বংশ ধ্বংস করুন

৬টি ঘরোয়া উপায়ে এভাবেই আরশোলার বংশ ধ্বংস করুন

পোশাক ও বয়স নিয়ে ট্রোলের শিকার জয়া আহসান

পোশাক ও বয়স নিয়ে ট্রোলের শিকার জয়া আহসান

স্ত্রীর পরকীয়া প্রেমিক সেজেছেন স্বামী

স্ত্রীর পরকীয়া প্রেমিক সেজেছেন স্বামী

ভাস্কর্য সংকট নিরসনে শীর্ষ আলেমদের ৫ দফা প্রস্তাব

ভাস্কর্য সংকট নিরসনে শীর্ষ আলেমদের ৫ দফা প্রস্তাব

দুপচাঁচিয়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় সেনা সদস্য নিহত

দুপচাঁচিয়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় সেনা সদস্য নিহত

স্মৃতিশক্তি বাড়ানোর ১২ উপায় জেনে নিন

স্মৃতিশক্তি বাড়ানোর ১২ উপায় জেনে নিন

বাঘারপাড়া উপজেলা পরিষদের উপনির্বাচন, নৌকার কর্মীরা বোমাবাজি ও সন্ত্রাস শুরু করেছে , দাবি শামসুর রহমানের

বাঘারপাড়া উপজেলা পরিষদের উপনির্বাচন, নৌকার কর্মীরা বোমাবাজি ও সন্ত্রাস শুরু করেছে , দাবি শামসুর রহমানের

শরীরে ইমিউনিটি বাড়াতে সকালের নাস্তায় যা খাবেন

শরীরে ইমিউনিটি বাড়াতে সকালের নাস্তায় যা খাবেন

সর্বশেষ

ইতালিতে দরজা খুললো নতুন ভিসার

ইতালিতে দরজা খুললো নতুন ভিসার

সিরাজগঞ্জ, শীতার্তদের মাঝে শীতবস্র বিতরণ করলেন সাংসদ জয়

সিরাজগঞ্জ, শীতার্তদের মাঝে শীতবস্র বিতরণ করলেন সাংসদ জয়

ভাস্কর্য নিয়ে বিতর্ক, যা থেকে সৃষ্টি হচ্ছে বিশৃঙ্খলা

ভাস্কর্য নিয়ে বিতর্ক, যা থেকে সৃষ্টি হচ্ছে বিশৃঙ্খলা

সাসকো ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ফ্রি খাবার বিতরণ

সাসকো ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ফ্রি খাবার বিতরণ

নিজের ভাইয়ের ওভারে ৬ বলে ৬ ছক্কা

নিজের ভাইয়ের ওভারে ৬ বলে ৬ ছক্কা

বড় ভাই পুলিশে ধরিয়ে দেয়ায় দেড় যুগ পর নির্মম প্রতিশোধ ছোট ভাইয়ের

বড় ভাই পুলিশে ধরিয়ে দেয়ায় দেড় যুগ পর নির্মম প্রতিশোধ ছোট ভাইয়ের

বগুড়া ধুনটে এলাঙ্গী ইউনিয়ন কৃষক লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন

বগুড়া ধুনটে এলাঙ্গী ইউনিয়ন কৃষক লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন

চট্টগ্রাম মহানগর সৈনিক লীগের উদ্যোগে পতেঙ্গা কাটগর মোড়ে এ্যাড.মাহবুবুর রহমানের মাক্স বিতরণ

চট্টগ্রাম মহানগর সৈনিক লীগের উদ্যোগে পতেঙ্গা কাটগর মোড়ে এ্যাড.মাহবুবুর রহমানের মাক্স বিতরণ

শ্যামনগরে আন্তর্জাতিক স্বেচ্ছাসেবক দিবসে সিপিপির র‌্যালী

শ্যামনগরে আন্তর্জাতিক স্বেচ্ছাসেবক দিবসে সিপিপির র‌্যালী

আন্তর্জাতিক স্বেচ্ছাসেবক দিবস উদযাপন করলো বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি চট্টগ্রাম সিটি ইউনিট

আন্তর্জাতিক স্বেচ্ছাসেবক দিবস উদযাপন করলো বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি চট্টগ্রাম সিটি ইউনিট

নতুন পরিচয়ে শিল্পা

নতুন পরিচয়ে শিল্পা

বানারীপাড়ায় স্বাস্থ্যবিধি না মানায় মোবাইল কোর্টে ১৬ জনের জরিমানা

বানারীপাড়ায় স্বাস্থ্যবিধি না মানায় মোবাইল কোর্টে ১৬ জনের জরিমানা

বেড়াতে নিয়ে মাদ্রাসা ছাত্রের গোপনাঙ্গ কেটে নিল বন্ধুরা!

বেড়াতে নিয়ে মাদ্রাসা ছাত্রের গোপনাঙ্গ কেটে নিল বন্ধুরা!

অনির্বাণ লাইব্রেরীর উদ্যোগে পাইকগাছায় শিক্ষার্থীদের মাঝে সাইকেল বিতরণ

অনির্বাণ লাইব্রেরীর উদ্যোগে পাইকগাছায় শিক্ষার্থীদের মাঝে সাইকেল বিতরণ

যশোরের চৌগাছায় ভারতে পাচারকালে ৬০ পিস স্বর্ণের বার উদ্ধার

যশোরের চৌগাছায় ভারতে পাচারকালে ৬০ পিস স্বর্ণের বার উদ্ধার