Feedback

সাহিত্য

প্রায়শ্চিত্ত

প্রায়শ্চিত্ত
October 16
05:07pm
2020
Fahmida Reea
Boalia, Rajshahi:
Eye News BD App PlayStore

একটানা বক্তৃতা দিয়ে থামলো রহিমুদ্দি । কাঁচা পাকা দাড়ির মধ্যে আঙুল চালিয়ে তাকালাে ডানে বামে। তারপর একটুখানি হেসে বললাে , 

------তা কই মিয়ারা দু'ছিলিম তামাক টামাক কিছু দে যাও । কলামইতাে কোনাে ভাবনা নেই , সব কিছুরই নিয়ম আছে। 


ঘাড়ের গামছা দিয়ে হুকোটা মুছতে মুছতে এগিয়ে দেয় রুস্তম রহিমুদ্দির দিকে। ইতস্তত করে বলে ,

----- তাতাে বুঝলাম মিয়াসাব। তয় ফারুক্যা যদি বিয়া বসতি রাজি না অয়? 

-----রাজি ? সেইডার দরকার কি? হাতে গুইনে কয়ডা দিন। শুধু আইন মেইনে চলা , যেমন তারা ছেলাে তেমনি হয়া যাবে ঠিক। 


একটু নড়েচড়ে বসে রহিমুদ্দি। সালিসে জমায়েত জনা চল্লিশেক মানুষের উদ্দেশ্যে বলতে থাকে, 

-----বেবাকে শুনতিছেনতাে, কিছু কওনের আছে? 


সায় দিল একবাক্যে সবাই। ভেতর বাড়ি থেকে সবই শুনলাে আরমানী । দুর সম্পর্কের এক খালার আশ্রিতা হয়ে আছে দিন কয়েক থেকে। চোখের কোণে জ্বালা ধরে গেছে। অস্ফুট স্বর বেরিয়ে এলাে,

-----হায় আল্লা, তুমার দুনিয়াতি এত জায়গা থাকতি আমার এক টুকরাে মাটির অভাব , কোনে পা রাখপাে কও।


তাকে ঘিরে বউ - ঝিদের আনগােনা। আরমানীর আর ইচ্ছে হয় না কারাে কথা শুনতে। মাটিতে অলসভাবে বসে থাকে পা ছড়িয়ে । ছবিগুলাে চোখের পরে ভাসতে থাকে একের পর এক। মাত্র তিনটি শব্দের উচ্চারণে দুনিয়াটাই পাল্টে গেল যেন। 

কোন ছেলেবেলায় বাপ - মা হারা আরমানী গ্রাম সম্পর্কে চাচার বাড়িতে বড় হয়েছে ফাই - ফরমাশ খেটে। লাঞ্ছনা - গঞ্জনার সবইতাে সে ভুলে গেল যখ ন, তার এই দুর সম্পর্কিত খালা চার মাইল পথ পায়ে হেঁটে এসে হঠাৎ বিয়ের সম্বন্ধ করলাে জমিতে খেটে খাওয়া গাঁয়ের জোয়ান ছেলে রুস্তমের সাথে। 


সেই থেকে আরমানী সংসারটাকে ঝেড়ে মুছে নিজের করে নিয়েছিল। বুড়াে শ্বশুর শাশুড়ি আর সংসারের টুকাটাকি কাজ নিয়ে তার অনুযােগ ছিল না কোনাে। দু'ননদের বিয়ে হয়ে গেছে ভিন গাঁয়ে। এক দেবর, তাও জন্মান্ধ। শুনেছে সেই কবে নাকি তার দেবরকে শহরের কোনাে অন্ধ স্কুলে ভর্তি করে দিয়েছিলাে চৌধুরী বাড়ির বড় ছেলে। এখন নাকি সেই স্কুলে চাকরিও করে। আরমানী তার দেবর ফারুককে কখনাে দেখেনি, তবে শুনেছে রুস্তমের বছর দুয়েকের ছােট এই ফারুক বড়ই শান্ত স্বভাবের কিন্তু জেদী। 


অনেকদিন পর ছুটিতে বাড়ী এসেছে ফারুক। আর এসেই বিপত্তি। বাড়িতে ঢুকেই বুঝতে পারলাে কেমন যেন চুপচাপ ভাব। অথচ সে শহরেই শুনেছে বড় ভাই রুস্তম বিয়ে করে লক্ষী একটা বউ নিয়ে এসেছে। কিন্তু বুড়াে বাবা - মার কাঁপা কাঁপা হাতের স্পর্শ আর বড় ভাই রুস্তমের স্নেহমাখা কণ্ঠের মাঝেও ফারুকের অনুভুতিতে আরও যেন কিছু ধরা পড়ে শুধায় ,

----- শুনছি নয়া বউ আনিছাে , কই আমার সাথে কথা কতি কও তারে। 

ইনিয়ে বিনিয়ে কেঁদে বলে মা,

,----- নারে বাপ, কপালে কি আর সুখ থাকতি চায়? তাের ভাইজানরে ক’ - সেই কইরে রাখছে, সব্বেনাশটা। বড় ভাল মেইয়ে ছিলরে আরমানী। '


গুন -কীর্তণে নাকি সুরে কেঁদে ওঠে আবার। রুস্তম উঠে দাঁড়ায়- 

-----তুই তাের প্যাচাল রেইখে দেতাে মা। সংসার করতি হয় আমারে , তুই , বুঝবি কি? 

হন হন করে হেঁটে বেরিয়ে গেল রুস্তম। কিন্তু সে নিজেও জানে সেদিনের কাজটা তার অন্যায়। আরমানীকে ছাড়া তারই কি দিন কাটছে? আধাে ঘােমটা ঢাকা নাকে নােলকবালি দুলিয়ে হাসি হাসি মুখে সেই আরমানী আর তাকে শুকনাে লংকা পুড়িয়ে পান্তা সেজে দেয় না। বলদটারও যা হাল হয়েছে এ ক'দিনে। কলস কলস পানি ঢেলে খড় বিচালি কে খেতে দেবে ওকে। ঘরের পেছনে এক ফালি জায়গায় আরমানীর হাতে লাগানাে পুই আর লাউয়ের ডগাগুলাে কেমন নেতিয়ে পড়েছে চালের উপর। কখন যে ছাগল এসে গােড়াটা খেয়ে গেছে। গােবরে নিকোনাে উঠোন এখন যাতায়াতের ধুলােমাখা পথ যেন, ঘরেও আরমানীর স্পর্শ সবটাতেই। রুস্তম অধৈর্য হয়ে উঠে হঠাৎ। কেন যে সেদিন বলা নেই, কওয়া নেই, অমন তাগড়া বদলটা হাল দিতে গিয়ে বসে পড়ল। কত সপাং সপাং করে মারলাে রুস্তম, নাহ উঠলােই না। মাটিতে মুখ ঘষে ঘষে ফেনা উঠিয়ে মরেই গেল। দিশেহারা হয়ে ঘরে ফিরে এলাে রুস্তম। মাথায় আগুন, পেটে প্রচন্ড ক্ষিধে। দু'দিন আগে বাপ - মা গেছে মেয়ের বাড়ী। আরমানীর ঘরের ঝাপও বাঁধা, পাকঘরের অবস্থাও তথৈবচ। চুলােয় আগুন দেয়নি তখনাে। 


এমন সময় ফিরলাে আরমানী মুখের হাসিটা ঝুলিয়ে। রুস্তম আবাক হয়ে দেখে পরনে ফুলছাপা শাড়িটি, তেল জবজবে মাথার চুলে গােলাপী ফিতে বাঁধা ফুল আর সদ্য খাওয়া পানে রাঙ্গা ঠোট। রুস্তম কিছু না বলে ঘরে গিয়ে বসে।

আরমানীর কাপড় পাল্টিয়ে ফুলছাপা শাড়িটা পরম যত্নে গুছাতে থাকে। গােলাপ আঁকা টিনের বাক্সটাতে রাখতে রাখতে বলে, 

-----আজ বেলাবেলি ফিরে এলে যে? তােমারে ভাবলাম ক্ষেতে বইলে যাই, কিন্তু ওই বাড়ীর বৌ- ঝিরা এমুন তাড়া দিতে লাগলাে। তয় দেরি হলি অমন সােন্দর মুখটা দেখতি পেতাম নাগাে। চৌধুরী বাড়ীর মেজ ছেলের শহুরে বউ আবার শহরে চইলে গেল। শােননা, এবার কিন্তু ঈদ আসনের কালে একটা জরিপাড় শাড়ী আমারে দিতি হবি। বিয়ার সময় ঐ শাড়ী আর কত চলবি কও। আহারে , চৌধুরী বাড়ির সব বৌঝি গুলান কেমুন যে ঝলমল করতিছে। 

রুস্তমের এমনিতেই ভাল লাগছিল না কিছুই। মাথার দু'পাশে রগের দাপাদাপি, তারপর আরমানীর রাঁধতে যাবার কোনাে তাড়া না দেখে চেঁচিয়ে ওঠে হঠাৎ করেই, 

-----তয় ঐ বাড়িতে থেইকে গেলি পারতি আসতি বলিছে কেডা? 

আরমানীও ফুসে ওঠে- 

-----ছিঃ মুহে যা আসবি তা ক’বানানে কলাম। 


মাথায় খুন চড়ে যায় রুস্তমের। ত্বরিতে উঠে আরমানীর চুলের মুঠি ধরে, 

-----মেয়ে ছাওয়ালের চোখ রাঙানি দেখতে হবি? বেইরে যা আমার বাড়ী থেইকে। রান্ধন বাড়ন রেইখে তাের বেড়াতি যাবার জন্যি এনেছি?' 


আরমানী ফুপিয়ে কেঁদে ওঠে 

------ ঘরের বউরে তুমি দাসী বান্দী করে রাখপে নাকি চিরকাল? 

গালিগালাজ করে এক পর্যায়ে সামনে রাখা টিনের বাক্সটা ছুঁড়ে ফেলে দিয়ে চেঁচিয়ে ওঠে রুস্তম, এক তালাক, দুই তালাক, তিন তালাক বেইরে যা এই এক্ষণি। 

আরমানীর আর্ত- চিৎকার মিশে গেল বাতাসে। গ্রামের সেই দুর সম্পর্কের খালার হাতে আপতত তুলে দিল পড়শীরা। এ বাড়িতে এক মুহুর্তও এখন আরমানীর জন্য হারাম। রুস্তমের বাবা - মা খবর পেয়ে ছুটে এলাে। পুত্রকে অভিসম্পাত করা ছাড়া কিইবা করার আছে। ভুল বুঝতে দেরি হলাে না রুস্তমেরও। কিন্তু এই ভুল শােধরাবার পথ জানা নেই যে, বুড়াে বাপকে নিয়ে ছুটলাে গ্রামের মাতব্বর রহিমুদ্দির কাছে। সমাধানের পথ পাওয়া গেলেও এগুবে কি করে? আরমানীকে অন্য পুরুষের সাথে বিয়ে দিয়ে আবার তালাক নিয়ে তবেই রুস্তম আরমানীকে আবার পেতে পারে, তার আগে নয়। না আরমানী আর কারাে হতে পারে না, ভাবে রুস্তম।


এরই মধ্যে শহর থেকে এলাে ফারুক। রহিমুদ্দিই প্রথমে ব্যাপারটা বুঝিয়ে বলে রুস্তমকে - ফারুক আন্ধা মানুষ, তাছাড়া তুমারই ভাই, আরমানীরে তার সাথে বিয়ে বইসিয়ে তিনমাস পর তালাক নিয়ে তুমি তারে আবার ঘরে নিতি পারবা।" 

বিশ্বসংসারে একা আরমানী অবলা জীবের মত সবই শুনতে পায়, চোখের পানিতে সমাধান খুঁজে তার। পায়ের তলার মাটি যে তার চাই, নইলে দাঁড়াবে কোথায় সে? জমাট বাঁধা অন্ধকারের মাঝে ক্ষীণ এই সমাধানকে লক্ষ্য করে প্রস্তাবটা গ্রহণযােগ্য মনে করলাে সবাই। ফারুক প্রথমটায় ইতস্তত করলেও পরে মত দিল। ঝড়ে ভেঙ্গে পড়া প্রয়ােজনীয় খুঁটিকে এ যেন জোড়া দিয়ে সােজা করা। যার স্থায়িত্ব খুবই কম, তা ফারুকও জানে। 


অবশেষে আবারও আরমানী বউ হলাে এ বাড়ির। তবে উত্তুরে ভিটায় তার নিজের হাতে সাজানাে ঘরখানায় নয়। নতুন করে কলেমা পড়া নতুন বৌয়ের মতই তার নতুন ঘর উঠলাে পূর্ব কোণে। অন্ধ ফারুক চোখের আলােয় না দেখলেও মনের আলােয় দেখতে পায় অনুক্ষণই। ফারুকের ভাবনাটা অন্য রকম মােড় নেয় হঠাৎ। অন্ধ সে, ভাগ্যের বিপাকে পড়ে একবার যা ঘটেছে তা হারাতে রাজি নয় আর কোনােক্রমেই। আরমানী কি করবে ভেবে পায় না। আড়াল থেকে রুস্তমের অনুশােচনা দগ্ধ চলাফেরা দেখে। ঘৃণায় বিষিয়ে ওঠে মন। রুস্তম অবাক বিস্ময়ে দেখে তারই সহােদর ভাইয়ের কথা খেলাপের দৃশ্যাবলি। 

এক সময় শোনে, বৌ নিয়ে শহরে চলে যাবার ব্যবস্থা পাকা করে ফেলেছে ফারুক। তার চাকরির স্থানে শহরের সেই অন্ধ স্কুলেই। তখনাে রাতের আঁধার পুরাে কাটেনি। ফজরের আজান ভেসে আসে দূরের মসজিদ থেকে। নকশী পাড়ের ধানী রং শাড়ির ঘােমটা আর একটু বাড়িয়ে দিয়ে উত্তরের ভিটার দিকে ধীর পায়ে এগােয় আরমানী। 


জানালায় উঁকি দিতে গিয়ে চমকে ওঠে, রুস্তম জেগে তাকিয়ে রয়েছে নির্ঘুম চোখে। আলাে আঁধারীর অস্পষ্টতায় প্রথমটায় চিনতে পারেনা রুস্তম। আরমানী শহরে যাবার আগে রুস্তমের ঘুমন্ত মুখটা দেখে চলে যাবে ভেবেছিল হয়তােবা। কিন্তু পরিস্থিতির বিপাকে পড়ে ঘুরে দাঁড়ায়, ফিরে যেতে উদ্যত হয়। 

রুস্তম এতদিনের চেনা আরমানীকে চেনা সুরে ডেকে ওঠে, 

-----আমারে দেখতি এয়েছিলি বুঝি? নিজের আইনের সুতােয় বাধা পড়ে গেলামরে আরমানী, ফারুক্যারে দয়া করতি বলতি পারবি আমার জন্যি?

আরমানী নতমুখী দৃষ্টি তােলে এবার। দৃঢ় কণ্ঠে উচ্চারণ করে

----- না। 

রুস্তম কিছু না ভেবেই জানালা গলিয়ে হাত বাড়ায়, ধরে ফেলে আরমানীর হাত। 

দৃঢ় কন্ঠে ভরসা নিয়ে বলে ওঠে,

-----তুই শহরে যেতি চাসনা ফারুক্যারে বােঝায়ে দে আরমানী। 

মৃদু ঝটকায় হাত টেনে নেয় আরমানী। মাথার ঘােমটা আরও একটু বাড়িয়ে দিয়ে গভীর প্রত্যয়ে উচ্চারণ করে,

----- আমারে শহরে যেতি হবি। এইখানে থাকতে চাই কেমনে, পায়ের তলার মাটি সইরে গেছে , খাড়াতি হবি না ?' 

আহত স্বরে বলে রুস্তম, 

-----রাগ তর্ এখনও যেতি চায় না বুঝি? পায়ের তলায় মাটি আন্ধা ফারুক্যা শক্ত করবি কেমনে । সে নিজেইতাে কাউরে ছাড়া চলতি পারে না । 

ঠোঁটের কোনে বাঁকা হাসি খেলিয়ে বলে আরমানী,  সেই কথাই কতি এয়েছিলাম যাবার কালে । আমি তার বড় ভরসা , তার আশ্রয়ও। কথায় কথায় ভেঙ্গে যাবার ভয় নেইগাে।  


কথাটি বলে আর দাঁড়ায় না আরমানী । রুস্তমের বুকের ভেতর কষ্টের ডানা ঝাপটায় প্রায়শ্চিত্ত নামে মন পাখিটা।

All News Report

Add Rating:

0

সম্পর্কিত সংবাদ

ট্রেন্ডিং

বিদেশ গমনে ইচ্ছুক সবাইকে নিতে হবে ই-পাসপোর্টঃ বন্ধ হচ্ছে এমআরপি (MRP) কার্যক্রম

বিদেশ গমনে ইচ্ছুক সবাইকে নিতে হবে ই-পাসপোর্টঃ বন্ধ হচ্ছে এমআরপি (MRP) কার্যক্রম

শিক্ষামন্ত্রী বরাবর খোলা চিঠি

শিক্ষামন্ত্রী বরাবর খোলা চিঠি

নৌবাহিনীর কর্মকর্তাকে মারধর: ভিডিও ভাইরাল সেলিমের ছেলের বিরুদ্ধে মামলা

নৌবাহিনীর কর্মকর্তাকে মারধর: ভিডিও ভাইরাল সেলিমের ছেলের বিরুদ্ধে মামলা

ফ্রান্সে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড

ফ্রান্সে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড

প্রেমিকার লাশ ফেলে পালানোর সময় প্রেমিক আটক

প্রেমিকার লাশ ফেলে পালানোর সময় প্রেমিক আটক

ফ্রান্সে নবীকে নিয়ে কটুক্তি, যা বললেন আজহারী

ফ্রান্সে নবীকে নিয়ে কটুক্তি, যা বললেন আজহারী

হাজী সেলিমের ছেলে ও ওয়ার্ড কাউন্সিলর মো. ইরফান সেলিমের এক বছরের কারাদণ্ড

হাজী সেলিমের ছেলে ও ওয়ার্ড কাউন্সিলর মো. ইরফান সেলিমের এক বছরের কারাদণ্ড

জেনে নিন, দালাল ছাড়াই পাসপোর্ট করার সহজ উপায় !

জেনে নিন, দালাল ছাড়াই পাসপোর্ট করার সহজ উপায় !

শিক্ষক সংকট করোনা পরবর্তি সময়ে হাবিপ্রবিতে তীব্র সেশনজটের আশঙ্কা

শিক্ষক সংকট করোনা পরবর্তি সময়ে হাবিপ্রবিতে তীব্র সেশনজটের আশঙ্কা

হযরত মোহাম্মদ (সা.) অবমাননা: ফ্রান্সের ওয়েবসাইট হ্যাক করল বাংলাদেশি হ্যাকারর

হযরত মোহাম্মদ (সা.) অবমাননা: ফ্রান্সের ওয়েবসাইট হ্যাক করল বাংলাদেশি হ্যাকারর

মিটার ১০হাজার, খুঁটি ৩০হাজার: টাকা না দেওয়ায় গৃহবধূ লাঞ্ছিত

মিটার ১০হাজার, খুঁটি ৩০হাজার: টাকা না দেওয়ায় গৃহবধূ লাঞ্ছিত

কিশোরগঞ্জে অগ্নিকান্ডে দগ্ধ ৭ জন বার্ন ইউনিটে ভর্তি

কিশোরগঞ্জে অগ্নিকান্ডে দগ্ধ ৭ জন বার্ন ইউনিটে ভর্তি

৩ বছরে স্বর্ণের হরফে পবিত্র কুরআন লিখলেন ৩৩ বছরের এই নারী!

৩ বছরে স্বর্ণের হরফে পবিত্র কুরআন লিখলেন ৩৩ বছরের এই নারী!

ম্যাখোঁর মানসিক চিকিৎসা দরকার, পাল্টা জবাব ফ্রান্সের

ম্যাখোঁর মানসিক চিকিৎসা দরকার, পাল্টা জবাব ফ্রান্সের

এসআই আকবর কে পালাতে সহায়তাকারী কে কে  আজ জানা যাবে

এসআই আকবর কে পালাতে সহায়তাকারী কে কে আজ জানা যাবে

সর্বশেষ

কোভিড-১৯ মোকাবেলায় আশাশুনির অতিদরিদ্র ১৭’শ পরিবারের মাঝে অর্থ সহায়তা

কোভিড-১৯ মোকাবেলায় আশাশুনির অতিদরিদ্র ১৭’শ পরিবারের মাঝে অর্থ সহায়তা

মিন্নির মতো এই ১৪ জনেরও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চান রিফাতের বোন

মিন্নির মতো এই ১৪ জনেরও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চান রিফাতের বোন

ফুটবল টুর্নামেন্ট: হাজিরহাট চ্যাম্পিয়ন

ফুটবল টুর্নামেন্ট: হাজিরহাট চ্যাম্পিয়ন

যে কারণে হাজী সেলিমের ছেলে কে এক বছরের কারাদন্ড

যে কারণে হাজী সেলিমের ছেলে কে এক বছরের কারাদন্ড

ঘাটাইলে প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শারদীয় দুর্গোৎসবের সমাপ্তি।

ঘাটাইলে প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শারদীয় দুর্গোৎসবের সমাপ্তি।

চুনারুঘাটে পাখি শিকারীকে  ১মাসের কারাদন্ড প্রদান।

চুনারুঘাটে পাখি শিকারীকে ১মাসের কারাদন্ড প্রদান।

আক্কেলপুর প্রেসক্লাবের সভাপতির উপর হামলা  আটক ১

আক্কেলপুর প্রেসক্লাবের সভাপতির উপর হামলা আটক ১

জুম অ্যাপের মাধ্যমে কোরআন শিক্ষা।

জুম অ্যাপের মাধ্যমে কোরআন শিক্ষা।

মোহাম্মদ ইয়াছিনকে সম্মাননা দিলেন কাতারে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত

মোহাম্মদ ইয়াছিনকে সম্মাননা দিলেন কাতারে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত

হাফিজিয়া  মাদ্রাসা থেকে দুই শিশু শিক্ষার্থী নিখোঁজ

হাফিজিয়া মাদ্রাসা থেকে দুই শিশু শিক্ষার্থী নিখোঁজ

গাইবান্ধায় নিম্নচাপে পানিতে ভাসছে আমন ধান

গাইবান্ধায় নিম্নচাপে পানিতে ভাসছে আমন ধান

বীমা শিল্পে নারী জাগরণের পথিকৃৎ রাবেয়া বেগম রুনা

বীমা শিল্পে নারী জাগরণের পথিকৃৎ রাবেয়া বেগম রুনা

ঠাকুরগাঁওয়ে বিয়ের দাবীতে প্রেমিকের বাড়িতে ৩৩ দিন ধরে কলেজ ছাত্রীর অনশন

ঠাকুরগাঁওয়ে বিয়ের দাবীতে প্রেমিকের বাড়িতে ৩৩ দিন ধরে কলেজ ছাত্রীর অনশন

কোনভাবে ডিম খেলে ওজন কমবে : হাফ নাকি পুরো সিদ্ধ

কোনভাবে ডিম খেলে ওজন কমবে : হাফ নাকি পুরো সিদ্ধ

গাইবান্ধায় ৫৮২টি পুজা মন্ডপে শান্তিপূর্ণভাবে প্রতিমা বির্সজন

গাইবান্ধায় ৫৮২টি পুজা মন্ডপে শান্তিপূর্ণভাবে প্রতিমা বির্সজন