Feedback

খোলা কলাম

পত্রিকা পড়ার গল্প---শেখ হাসিনা ( ২য় অংশ)

পত্রিকা পড়ার গল্প---শেখ হাসিনা ( ২য় অংশ)
October 14
05:08pm
2020
Sk Shakil Ahmed
Tala, Satkhira:
Eye News BD App PlayStore

আমার ও কামালের ছোটবেলা কেটেছে টুঙ্গিপাড়ায় গ্রামের বাড়িতে। সেকালে ঢাকা থেকে টুঙ্গিপাড়ায় যেতে সময় লাগত দুুই রাত একদিন। অর্থাৎ সন্ধ্যার স্টিমারে চড়লে পরের দিন স্টিমারে কাটাতে হতো। এরপর শেষ রাতে স্টিমার পাটগাতি স্টেশনে থামত। সেখান থেকে নৌকার দুই-আড়াই ঘণ্টার নদীপথ পেরিয়ে টুঙ্গিপাড়া গ্রামে পৌঁছানো যেত।

কাজেই সেখানে কাগজ পৌঁছাত অনিয়মিতভাবে। তখন কাগজ বা পত্রিকা পড়া কাকে বলে তা শিখতে পারিনি। তবে একখানা কাগজ আসত আমাদের বাড়িতে। তা পড়ায় বড়দের যে প্রচণ্ড আগ্রহ তা দেখতাম।

ঢাকায় আমরা আসি ১৯৫৪ সালে। তখন রাজনৈতিক অনেক চড়াই-উতরাই চলছে। আব্বাকে তো আমরা পেতামই না। তিনি প্রদেশিক পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। আবার মন্ত্রিত্বও পেলেন। তিনি এত ব্যস্ত থাকতেন যে, গভীর রাতে ফিরতেন।

আমরা তখন ঘুমিয়ে পড়তাম। সকালে উঠে আমি আর কামাল স্কুলে চলে যেতাম। মাঝেমধ্যে যখন দুপুরে খেতে আসতেন, তখন আব্বার দেখা পেতাম। ওই সময়টুকুই আমাদের কাছে ভীষণ মূল্যবান ছিল। আব্বার আদর-ভালোবাসা অল্প সময়ের জন্য পেলেও আমাদের জন্য ছিল তা অনেক পাওয়া।

বাংলার মানুষের জন্য তিনি নিজের জীবনকে উৎসর্গ করেছিলেন। তার জীবনের সবটুকু সময়ই যেন বাংলার দুঃখী মানুষের জন্য নিবেদিত ছিল।

এরপরই কারাগারে বন্দি তিনি। বাইরে থাকলে মানুষের ভিড়ে আমরা খুব কমই আব্বাকে কাছে পেতাম। আর কারাগারে যখন বন্দি থাকতেন তখন ১৫ দিনে মাত্র এক ঘণ্টার জন্য দেখা পেতাম। এই তো ছিল আমাদের জীবন!

আমার মা আমাদের সব দুঃখ ভুলিয়ে দিতেন তার স্নেহ ভালোবাসা দিয়ে। আর আমার দাদা-দাদি ও চাচা শেখ আবু নাসের- আমাদের সব আবদার তারা মেটাতেন। যা প্রয়োজন তিনিই এনে দিতেন। আর আব্বার ফুফাতো ভাই খোকা কাকা সবসময় আমাদের সঙ্গে থাকতেন।

আমাদের স্কুলে নেয়া, আব্বার বিরুদ্ধে পাকিস্তানি সরকার যে মামলা দিত তার জন্য আইনজীবীদের বাড়ি যাওয়া- সবই মা’র সঙ্গে সঙ্গে থেকে খোকা কাকা সহযোগিতা করতেন।

তবে আমার মা পড়ালেখা করতে পছন্দ করতেন। আমার দাদা বাড়িতে নানা ধরনের পত্রিকা রাখতেন। আব্বার লেখা ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’তে দাদার পত্রিকা কেনা ও পড়ার কথা উল্লেখ আছে। তখন থেকেই আব্বার পত্রিকা পড়ার অভ্যাস। আর আমরা তার কাছ থেকেই পত্রিকা পড়তে শিখেছি।

পত্রিকার সঙ্গে আব্বার একটা আত্মিক যোগসূত্র ছিল। আব্বা যখন কলকাতায় পড়ালেখা করছিলেন, তখনই একটি পত্রিকা প্রকাশের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন। জনাব হাশেম এ পত্রিকার তত্ত্বাবধান করতেন এবং তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করতেন।

পত্রিকাটির প্রচারের কাজে আব্বা যুক্ত ছিলেন। ‘মিল্লাত’ ও ‘ইত্তেহাদ’ নামে দুটি পত্রিকাও প্রকাশিত হয়েছিল। সেগুলোর সঙ্গেও আব্বা জড়িত ছিলেন। ১৯৫৭ সালে ‘নতুন দিন’ নামে আরেকটি পত্রিকার সঙ্গে আব্বা সম্পৃক্ত হন। কবি লুৎফর রহমান জুলফিকার ছিলেন এর সম্পাদক।

পাকিস্তান সৃষ্টির পর হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর আর্থিক সহায়তায় ‘ইত্তেফাক’ পত্রিকা প্রকাশিত হয়। তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া এ পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন। এ পত্রিকার সঙ্গেও আব্বা সংযুক্ত ছিলেন এবং এতে কাজ করেছেন।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পাওয়ার পর আব্বা ১৯৫৭ সালে মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগ করেন। সংগঠনকে শক্তিশালী করে গড়ে তোলার জন্য তিনি মন্ত্রিত্ব ছেড়ে দিয়ে সংগঠনের কাজে মনোনিবেশ করেন। ১৯৫৮ সালে মার্শাল ল’ জারি করে আইয়ুব খান। আব্বা গ্রেফতার হন। ১৯৬০ সালের ১৭ ডিসেম্বর তিনি মুক্তি পান।

মুক্তি পেয়ে তিনি আলফা ইন্স্যুরেন্স কোম্পানিতে চাকরি শুরু করেন। কারণ, এসময় তার রাজনীতি করার ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি ছিল। এমন কী ঢাকার বাইরে যেতে গেলেও থানায় খবর দিয়ে যেতে হতো, গোয়েন্দা সংস্থাকে জানিয়ে যেতে হতো।

তবে আমাদের জন্য সে সময়টা আব্বাকে কাছে পাওয়ার এক বিরল সুযোগ এনে দেয়। খুব ভোরে উঠে আব্বার সঙ্গে প্রাতঃভ্রমণে বের হতাম। আমরা তখন সেগুনবাগিচার একটি বাড়িতে থাকতাম। রমনা পার্ক তখন তৈরি হচ্ছে। ৭৬ নম্বর সেগুনবাগিচার সেই বাসা থেকে হেঁটে পার্কে যেতাম। সেখানে একটি ছোট চিড়িয়াখানা ছিল। কয়েকটি হরিণ, ময়ূর, পাখিসহ কিছু জীবজন্তু ছিল তাতে।

বাসায় ফিরে এসে আব্বা চা ও খবরের কাগজ নিয়ে বসতেন। মা ও আব্বা মিলে কাগজ পড়তেন। বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করতেন।

ইত্তেফাক পত্রিকার ‘কচিকাঁচার আসর’ নামে ছোটদের একটা অংশ প্রতি সপ্তাহে বের হতো। সেখানে জালাল আহমেদ নামে একজন ‘জাপানের চিঠি’ বলে একটা লেখা লিখতেন। ধাঁধার আসর ছিল। আমি ধাঁধার আসরে মাঝেমধ্যে ধাঁধার জবাব দিতাম। কখনও কখনও মেলাতেও পারতাম।

পত্রিকাগুলোতে তখন সাহিত্যের পাতা থাকত। বারান্দায় বসে চা ও কাগজ পড়া প্রতিদিনের কাজ ছিল। আমার মা খুব খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে কাগজ পড়তেন। দুপুরে খাবার খেয়ে মা পত্রিকা ও ডাকবাক্সের চিঠিপত্র নিয়ে বসতেন।

আমাদের বাসায় নিয়মিত ‘বেগম’ পত্রিকা রাখা হতো। ন্যাশনাল ‘জিওগ্রাফি’, ‘লাইফ’ এবং ‘রিডার্স ডাইজেস্ট’- কোনটা সাপ্তাহিক, কোনটা মাসিক আবার কোনটা বা ত্রৈমাসিক- এ পত্রিকাগুলো রাখা হতো। ‘সমকাল’ সাহিত্য পত্রিকাও বাসায় রাখা হতো। মা খুব পছন্দ করতেন। ‘বেগম’ ও ‘সমকাল’- এ দুটোর লেখা মায়ের খুব পছন্দ ছিল।

সে সময়ে সাপ্তাহিক ‘বাংলার বাণী’ নামে একটা পত্রিকা প্রকাশ করা শুরু করলেন আব্বা। সেগুনবাগিচায় একটা জায়গা নিয়ে সেখানে একটা ট্রেড মেশিন বসানো হল, যেখান থেকে ‘বাংলার বাণী’ প্রকাশিত হতো।

মণি ভাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলায় পড়তেন। তাকেই কাগজের দায়িত্ব দেয়া হয়েছিল। ১৯৬২ সালে আব্বা আবার গ্রেফতার হন। আমরা তখন ধানমণ্ডির বাড়িতে চলে এসেছি। কারাগারে আব্বা যখন বন্দি থাকতেন, বাইরের খবর পাওয়ার একমাত্র উপায় থাকত খবরের কাগজ। কিন্তু যে পত্রিকা দেয়া হতো সেগুলো সেন্সর করে দেয়া হতো।

বন্দি থাকাবস্থায় পত্রিকা পড়ার যে আগ্রহ তা আপনারা যদি আমার আব্বার লেখা ‘কারাগারের রোজনামচা’ পড়েন তখনই বুঝতে পারবেন। একজন বন্দির জীবনে, আর যদি সে হয় রাজবন্দি, তার জন্য পত্রিকা কত গুরুত্বপূর্ণ- তাতে প্রকাশ পেয়েছে।

যদিও বাইরের খবরাখবর পেতে আব্বার খুব বেশি বেগ পেতে হতো না, কারণ জেলের ভেতরে যারা কাজ করতেন বা অন্য বন্দিরা থাকতেন, তাদের কাছ থেকেই অনায়াসে তিনি খবরগুলো পেতেন।

আমার মা যখন সাক্ষাৎ করতে যেতেন, তখন দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি তিনি আব্বাকে অবহিত করতেন। আর আব্বা যেসব দিকনির্দেশনা দিতেন, সেগুলো তিনি দলের নেতাকর্মীদের কাছে পৌঁছে দিতেন। বিশেষ করে ছয় দফা দেয়ার পর যে আন্দোলনটা গড়ে উঠে, তার সবটুকু কৃতিত্বই আমার মায়ের। তার ছিল প্রখর স্মরণশক্তি।

বন্দি থাকাবস্থায় পত্রিকা যে কত বড় সহায়ক সাথী তা আমি নিজেও জানি। ২০০৭-০৮ সময়ে যখন বন্দি ছিলাম, আমি নিজের টাকায় ৪টি পত্রিকা কিনতাম। তবে নিজের পছন্দমতো কাগজ নেয়া যেত না। সরকার ৪টি পত্রিকার নাম দিয়েছিল, তাই নিতাম। কিছু খবর তো পাওয়া যেত।

লেখকঃ প্রধানমন্ত্রী, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার




All News Report

Add Rating:

0

সম্পর্কিত সংবাদ

ট্রেন্ডিং

ময়মনসিংহ-৩ আসনের সংসদ সদস্য নাজিম উদ্দিনের ধর্ষণের ভিডিও ক্লিপ ভাইরাল

ময়মনসিংহ-৩ আসনের সংসদ সদস্য নাজিম উদ্দিনের ধর্ষণের ভিডিও ক্লিপ ভাইরাল

নভেম্বরেই প্রাতিষ্ঠানিক ই-মেইল পাচ্ছেন হাবিপ্রবি শিক্ষার্থীরা

নভেম্বরেই প্রাতিষ্ঠানিক ই-মেইল পাচ্ছেন হাবিপ্রবি শিক্ষার্থীরা

দক্ষিণ আফ্রিকায় ২২ দেশের নাগরিক প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা

দক্ষিণ আফ্রিকায় ২২ দেশের নাগরিক প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা

কলারোয়ায় একই পরিবারের ৪ সদস্য খুনের রহস্য উন্মোচন, হত্যায় ব্যবহৃত চাপাতি উদ্ধার

কলারোয়ায় একই পরিবারের ৪ সদস্য খুনের রহস্য উন্মোচন, হত্যায় ব্যবহৃত চাপাতি উদ্ধার

পোল্যান্ডে নতুন রাষ্ট্রদূত সুলতানা লায়লা

পোল্যান্ডে নতুন রাষ্ট্রদূত সুলতানা লায়লা

এসআই আকবরকে পালাতে সহায়তাকারী এসআই হাসান বরখাস্ত

এসআই আকবরকে পালাতে সহায়তাকারী এসআই হাসান বরখাস্ত

ওরা তো খুব ছোট স্যার, তাই আমি চেষ্টা করি বেশি ব্যথা যেন না পায়, মাদ্রাসার শিক্ষক!

ওরা তো খুব ছোট স্যার, তাই আমি চেষ্টা করি বেশি ব্যথা যেন না পায়, মাদ্রাসার শিক্ষক!

আসসালামু আলাইকুম ও আল্লাহ হাফেজ বলাটা জামাত ও জঙ্গীবাদের শিক্ষা

আসসালামু আলাইকুম ও আল্লাহ হাফেজ বলাটা জামাত ও জঙ্গীবাদের শিক্ষা

সৌদি 'ফ্রি ভিসা'র ভয়াবহ ফাঁদ

সৌদি 'ফ্রি ভিসা'র ভয়াবহ ফাঁদ

জিয়ার সালাম নিয়ে কুটুক্তি সালাম দিয়েই জবাব সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল

জিয়ার সালাম নিয়ে কুটুক্তি সালাম দিয়েই জবাব সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল

তাড়াইলে জাতীয় পার্টির নেতা ইয়াবাসহ আটক

তাড়াইলে জাতীয় পার্টির নেতা ইয়াবাসহ আটক

রাজকে কতটা ভালোবাসেন ছবি পোস্ট করে জানালেন শুভশ্রী

রাজকে কতটা ভালোবাসেন ছবি পোস্ট করে জানালেন শুভশ্রী

হাত-পা ভেঙে জমি দখল করায় রেললাইনে মাথা দিয়ে আত্মহত্যা

হাত-পা ভেঙে জমি দখল করায় রেললাইনে মাথা দিয়ে আত্মহত্যা

চাটখিলে চাচিকে ধর্ষণ ও নগ্ন ভিডিও ধারণের অভিযোগে যুবলীগ নেতা গ্রেফতার

চাটখিলে চাচিকে ধর্ষণ ও নগ্ন ভিডিও ধারণের অভিযোগে যুবলীগ নেতা গ্রেফতার

পাথরঘাটায় ৪জনের বিরুদ্ধে রাস্ট্রদ্রোহ মামলাঃ পিবিআইকে তদন্তের নির্দেশ

পাথরঘাটায় ৪জনের বিরুদ্ধে রাস্ট্রদ্রোহ মামলাঃ পিবিআইকে তদন্তের নির্দেশ

সর্বশেষ

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট লঘুচাপ আরও ঘণীভূত নিম্নচাপে রূপ নেওয়ার আশঙ্কা

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট লঘুচাপ আরও ঘণীভূত নিম্নচাপে রূপ নেওয়ার আশঙ্কা

এক টিকটিকির দাম ৩৩ লাখ টাকার বেশি!

এক টিকটিকির দাম ৩৩ লাখ টাকার বেশি!

দারুন সব ফিচার! কল তোলার আগেই Truecaller নামের সঙ্গে জানিয়ে দেবে ফোন করার কারণও

দারুন সব ফিচার! কল তোলার আগেই Truecaller নামের সঙ্গে জানিয়ে দেবে ফোন করার কারণও

কবিতাঃ রংহীন

কবিতাঃ রংহীন

অনেক বিপদগ্রস্থ বা দুঃখ কষ্টে আপতিত বান্দার কি করা উচিত?

অনেক বিপদগ্রস্থ বা দুঃখ কষ্টে আপতিত বান্দার কি করা উচিত?

ঈমানী পরীক্ষা

ঈমানী পরীক্ষা

সনাতনীদের উপর ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে করা মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবী হিন্দু মহাজোটের

সনাতনীদের উপর ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে করা মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবী হিন্দু মহাজোটের

বরিশালে অচেতন অবস্থায় নারী কর্মকর্তাকে নদী থেকে উদ্ধার

বরিশালে অচেতন অবস্থায় নারী কর্মকর্তাকে নদী থেকে উদ্ধার

মরিয়ম মরে প্রমাণ করলো সে বেঁচে ছিলো!

মরিয়ম মরে প্রমাণ করলো সে বেঁচে ছিলো!

চাটখিলে চাচিকে ধর্ষণ মামলার আসামী শরীফকে নিয়ে পুলিশের অস্ত্র উদ্ধার

চাটখিলে চাচিকে ধর্ষণ মামলার আসামী শরীফকে নিয়ে পুলিশের অস্ত্র উদ্ধার

আল কোরআনের আলো; সূরা আল বাকারা, আয়াত ৩৮, বাংলা তরজমা ও তাফসির !

আল কোরআনের আলো; সূরা আল বাকারা, আয়াত ৩৮, বাংলা তরজমা ও তাফসির !

কবরস্থানে নড়ে  ওঠা সেই শিশু মারা গেছে

কবরস্থানে নড়ে ওঠা সেই শিশু মারা গেছে

যুব অধিকার পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক তারেক রহমানকে ডিবি পরিচয়ে  তুলে নেওয়ার অভিযোগ

যুব অধিকার পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক তারেক রহমানকে ডিবি পরিচয়ে তুলে নেওয়ার অভিযোগ

সব পাখি ঘরে আসে, সব নদী, আসেন না কেবল জীবনানন্দ

সব পাখি ঘরে আসে, সব নদী, আসেন না কেবল জীবনানন্দ

কক্সবাজারে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর মাক্স ও হ্যান্ড স্যানিটাইজার বিতরণ

কক্সবাজারে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর মাক্স ও হ্যান্ড স্যানিটাইজার বিতরণ