Feedback

জাতীয়, আইন-আদালত

ইসলামী আইনে ধর্ষণের শাস্তি দেয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

ইসলামী আইনে ধর্ষণের শাস্তি দেয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
October 08
09:50pm
2020
কাওসার জামিল
ছাতক, সুনামগঞ্জ:
Eye News BD App PlayStore

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে বর্তমান আইনে ধর্ষণের সাজায় পরিবর্তন এনে তা মৃত্যুদণ্ড করা হচ্ছে।

আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, আগামী ১২ অক্টোবর মন্ত্রিসভার বৈঠকে এই প্রস্তাব তোলা হবে।

সোমবার (১২ অক্টোবর) এই প্রস্তাব উত্থাপিত হবে বলে  জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক।

বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) মন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশেই এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।  ইসলামে  ধর্ষণের শাস্তি ব্যক্তিভেদে একটু ভিন্ন। ব্যভিচারী যদি বিবাহিত হয়, তাহলে তাকে প্রকাশ্যে পাথর মেরে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হবে। আর যদি অবিবাহিত হয়, তাহলে তাকে প্রকাশ্যে একশ’ ছড়ি মারা হবে। নারী-পুরুষ উভয়ের জন্য একই শাস্তি। 

উল্লেখ্য, বাংলাদেশের সংবিধানে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০, এর ৯ ধারায় ধর্ষণ এবং ধর্ষণজনিত কারণে মৃত্যু ঘটানো ইত্যাদির সাজা সম্পর্কে বলা আছে।  বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী, যদি কোন পুরুষ বিবাহ বন্ধন ব্যতীত ষোল বৎসরের অধিক বয়সের কোন নারীর সাথে তার সম্মতি ছাড়া বা ভীতি প্রদর্শন বা প্রতারণামূলকভাবে তার সম্মতি আদায় করে, অথবা ষোল বৎসরের কম বয়সের কোন নারীর সাথে তার সম্মতিসহ বা সম্মতি ব্যতিরেকে যৌন সঙ্গম করেন, তাহলে তিনি উক্ত নারীকে ধর্ষণ করেছেন বলে গণ্য হবেন।

বাংলাদেশের আইনে বর্তমানে ধর্ষণের সাজা হিসেবে যেসব শাস্তির উল্লেখ আছে তা নিম্নে তুলে ধরা হলো। 

(১) যদি কোন পুরুষ কোন নারী বা শিশুকে ধর্ষণ করেন, তাহলে তিনি যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হবেন এবং এর অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হবেন। 

(২) যদি কোন ব্যক্তি কর্তৃক ধর্ষণ বা উক্ত ধর্ষণ পরবর্তী তার অন্যবিধ কার্যকলাপের ফলে ধর্ষিতা নারী বা শিশুর মৃত্যু ঘটে, তা হলে উক্ত ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হবেন এবং এর অতিরিক্ত অন্যুন এক লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হবেন। 

(৩) যদি একাধিক ব্যক্তি দলবদ্ধভাবে কোন নারী বা শিশুকে ধর্ষণ করেন এবং ধর্ষণের ফলে উক্ত নারী বা শিশুর মৃত্যু ঘটে বা তিনি আহত হন, তা হলে ঐ দলের প্রত্যেক ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হবেন এবং এর অতিরিক্ত অন্যুন এক লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হবেন। 

(৪) যদি কোন ব্যক্তি কোন নারী বা শিশুকে-  (ক) ধর্ষণ করে মৃত্যু ঘটানোর বা আহত করার চেষ্টা করেন, তাহলে উক্ত ব্যক্তি যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং এর অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হবেন; (খ) ধর্ষণের চেষ্টা করেন, তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তি অনধিক দশ বত্সর কিন্তু অন্যুন পাঁচ বত্সর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হবেন এবং এর অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হবেন। 

(৫) যদি পুলিশ হেফাজতে থাকাকালীন সময়ে কোন নারী ধর্ষিতা হন, তা হলে যাহাদের হেফাজতে থাকাকালীন উক্তরূপ ধর্ষণ সংঘটিত হয়েছে, সেই ব্যক্তি বা ব্যক্তিগণ ধর্ষিতা নারীর হেফাজতের জন্য সরাসরিভাবে দায়ী ছিলেন, তিনি বা তারা প্রত্যেকে, ভিন্নরূপ প্রমাণিত না হলে, হেফাজতের ব্যর্থতার জন্য, অনধিক দশ বত্সর কিন্তু অন্যুন পাঁচ বত্সর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হবেন এবং এর অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হবেন। 

প্রসঙ্গত, ইসলাম ধর্ষণকে ভিন্নভাবে সংজ্ঞায়িত করেনি। কারণ বিবাহবহির্ভূত যেকোনো যৌন সঙ্গমই ইসলামে অপরাধ। তাই ধর্ষণও এক প্রকারের ব্যভিচার। ইসলামি আইন শাস্ত্রে ধর্ষকের শাস্তি ব্যভিচারকারীর শাস্তির অনুরূপ। তবে অনেক ইসলামি স্কলার ধর্ষণের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত কিছু শাস্তির কথা উল্লেখ করেছেন।  ব্যভিচার সুস্পষ্ট হারাম এবং শিরক ও হত্যার পর বৃহত্তম অপরাধ। কোরআনে কারিমে ইরশাদ হয়েছে, ‘আর ব্যভিচারের কাছেও যেয়ো না। নিশ্চয় এটা অশ্লীল কাজ এবং মন্দ পথ।

’ –সূরা আল ইসরা: ৩২  ইমাম কুরতুবি (রহ.) বলেন, ‘উলামায়ে কেরাম বলেছেন, ‘ব্যভিচার করো না’-এর চেয়ে ‘ব্যভিচারের কাছেও যেয়ো না’ অনেক বেশি কঠোর বাক্য। ’ এর অর্থ যেসব বিষয় ব্যভিচারে ভূমিকা রাখে সেগুলোও হারাম। 

হাদিস দ্বারা ধর্ষণের শাস্তির বিষয়টি নিশ্চিত হয়। যেমন- ১. হজরত ওয়াইল ইবনে হুজর (রা.) বর্ণনা করেন, হজরত রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর যুগে এক মহিলাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করা হলে হজরত রাসূলুল্লাহ (সা.) তাকে কোনোরূপ শাস্তি দেননি, তবে ধর্ষককে হদের (কোরআন-হাদিসে বহু অপরাধের ওপর শাস্তির কথা আছে। এগুলোর মধ্যে যেসব শাস্তির পরিমাণ ও পদ্ধতি কোরআন-হাদিসে সুনির্ধারিত তাকে- হদ বলে) শাস্তি দেন। ’ -ইবনে মাজাহ: ২৫৯৮  সরকারি মালিকানাধীন এক গোলাম গণিমতের পঞ্চমাংশে পাওয়া এক দাসির সঙ্গে জবরদস্তি করে ব্যভিচার (ধর্ষণ) করে। এতে তার কুমারিত্ব নষ্ট হয়ে যায়। হজরত উমর (রা.) ওই গোলামকে কশাঘাত করেন এবং নির্বাসন দেন। কিন্তু দাসিটিকে সে বাধ্য করেছিল বলে তাকে কশাঘাত করেননি। ’ –সহিহ বোখারি: ৬৯৪৯  ইসলামে ব্যভিচারের শাস্তি ব্যক্তিভেদে একটু ভিন্ন। ব্যভিচারী যদি বিবাহিত হয়, তাহলে তাকে প্রকাশ্যে পাথর মেরে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হবে। আর যদি অবিবাহিত হয়, তাহলে তাকে প্রকাশ্যে একশ’ ছড়ি মারা হবে।

নারী-পুরুষ উভয়ের জন্য একই শাস্তি।  কোরআনে ইরশাদ হয়েছে, ‘ব্যভিচারিণী নারী ব্যভিচারী পুরুষ, তাদের প্রত্যেককে একশ’ করে বেত্রাঘাত কর। আল্লাহর বিধান কার্যকর কারণে তাদের প্রতি যেন তোমাদের মনে দয়ার উদ্রেক না হয়, যদি তোমরা আল্লাহর প্রতি ও পরকালের প্রতি বিশ্বাসী হয়ে থাকো। মুসলমানদের একটি দল যেন তাদের শাস্তি প্রত্যক্ষ করে। ’ –সূরা নূর: ২  হাদিসে ইরশাদ হয়েছে, ‘অবিবাহিত পুরুষ-নারীর ক্ষেত্রে শাস্তি একশ’ বেত্রাঘাত এবং এক বছরের জন্য দেশান্তর। আর বিবাহিত পুরুষ-নারীর ক্ষেত্রে একশ’ বেত্রাঘাত ও রজম (পাথর মেরে মৃত্যুদণ্ড)। ’

–সহিহ মুসলিম  এই হাদিসের আলোকে অন্য মাজহাবের ইসলামি স্কলাররা বলেছেন, ব্যভিচারী অবিবাহিত হলে তার শাস্তি দুটো। ১. একশ’ বেত্রাঘাত, ২. এক বছরের জন্য দেশান্তর। আর হানাফি মাজহাবের বিশেষজ্ঞরা বলেন, এক্ষেত্রে হদ (শরিয়ত কর্তৃক নির্ধারিত শাস্তি) হলো- একশ’ বেত্রাঘাত। আর দেশান্তরের বিষয়টি বিচারকের বিবেচনাধীন। তিনি ব্যক্তি বিশেষে তা প্রয়োগ করতে পারেন।  ধর্ষণের ক্ষেত্রে একপক্ষে ব্যভিচার সংগঠিত হয়। আর অন্যপক্ষ হয় নির্যাতিত। তাই নির্যাতিতের কোনো শাস্তি নেই। কেবল অত্যাচারি ধর্ষকের শাস্তি হবে। ধর্ষণের ক্ষেত্রে দু’টো বিষয় সংঘঠিত হয়। ১. ব্যভিচার, ২. বলপ্রয়োগ বা ভীতি প্রদর্শন। প্রথমটির জন্য পূর্বোক্ত ব্যভিচারের শাস্তি পাবে।

পরেরটির জন্য ইসলামি আইনজ্ঞদের এক অংশ বলেন, মুহারাবার শাস্তি হবে।  মুহারাবা হলো, পথে কিংবা অন্যত্র অস্ত্র দেখিয়ে বা অস্ত্র ছাড়া ভীতি প্রদর্শন করে ডাকাতি করা। এতে কেবল সম্পদ ছিনিয়ে নেওয়া হতে পারে, আবার কেবল হত্যা করা হতে পারে। আবার দু’টোই হতে পারে।  মালেকি মাজহাবের আইনজ্ঞরা মুহারাবার সংজ্ঞায় সম্ভ্রম লুট করার বিষয়টি যোগ করেছেন। তবে সব ইসলামি স্কলারই মুহারাবাকে পৃথিবীতে অনাচার সৃষ্টি, নিরাপত্তা বিঘ্নিতকরণ ও ত্রাস সৃষ্টি ইত্যাদি অর্থে উল্লেখ করেছেন। 

মুহারাবার শাস্তি আল্লাহতায়ালা এভাবে উল্লেখ করেছেন, ‘যারা আল্লাহ ও তার রাসূলের সঙ্গে সংগ্রাম করে এবং দেশে হাঙ্গামা সৃষ্টি করতে সচেষ্ট হয়, তাদের শাস্তি হচ্ছে, তাদেরকে হত্যা করা হবে অথবা শূলিতে চড়ানো হবে অথবা তাদের হস্তপদসমূহ বিপরীত দিক থেকে কেটে দেওয়া হবে অথবা দেশ থেকে বহিষ্কার করা হবে। এটি হলো- তাদের জন্য পার্থিব লাঞ্চনা আর পরকালে তাদের জন্যে রয়েছে কঠোর শাস্তি। ’ –সূরা মায়িদা: ৩৩  এখানে হত্যা করলে হত্যার শাস্তি, সম্পদ ছিনিয়ে নিলে বিপরীত দিক থেকে হাত-পা কেটে দেওয়া, সম্পদ ছিনিয়ে হত্যা করলে শূলিতে চড়িয়ে হত্যা করার ব্যাখ্যা আইনজ্ঞরা দিয়েছেন। আবার এর চেয়ে লঘু অপরাধ হলে দেশান্তরের শাস্তি দেওয়ার কথা উল্লেখ করেছেন।  মোটকথা, হাঙ্গামা ও ত্রাস সৃষ্টি করে করা অপরাধের শাস্তি ত্রাস ও হাঙ্গামাহীন অপরাধের শাস্তি থেকে গুরুতর। 

বাংলাদেশের আইনে ধর্ষণের সংজ্ঞায় বলা হয়েছে, ‘যদি কোনো পুরুষ বিবাহ বন্ধন ব্যতীত ষোল বৎসরের অধিক বয়সের কোন নারীর সহিত তাহার সম্মতি ব্যতিরেকে বা ভীতি প্রদর্শন বা প্রতারণামূলকভাবে তাহার সম্মতি আদায় করিয়া, অথবা ষোল বৎসরের কম বয়সের কোন নারীর সহিত তাহার সম্মতিসহ বা সম্মতি ব্যতিরেকে যৌন সঙ্গম করেন, তাহা হইলে তিনি উক্ত নারীকে ধর্ষণ করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবেন। ’  ইসলামের সঙ্গে এই সংজ্ঞার তেমন কোনো বিরোধ নেই। তবে এতে কিছু অসামঞ্জস্যতা রয়েছে। ইসলাম সম্মতি-অসম্মতি উভয় ক্ষেত্রে নারী-পুরুষের বিবাহ বহির্ভূত দৈহিক মিলনকে দণ্ডনীয় অপরাধ হিসেবে ঘোষণা দিয়েছে। কিন্তু এই আইনে কেবল অসম্মতির ক্ষেত্রে তাকে অপরাধ বলা হয়েছে। সম্মতি ছাড়া বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক ইসলাম ও দেশীয় আইন উভয়ের চোখে অপরাধ। 

বাংলাদেশের আইনে ধর্ষণের কারণে মৃত্যু না হলে তার মৃত্যুদণ্ড নেই। কেবল যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড। পক্ষান্তরে ইসলামে বিবাহিত কেউ ধর্ষণ বা ব্যভিচার করলে তার শাস্তি পাথর মেরে মৃত্যুদণ্ডের কথা বলেছে।  আইনে ধর্ষণের কারণে মৃত্যু হলে তাকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। আর ইসলামে ধর্ষণের কারণে মৃত্যু হলে সে প্রথমে ব্যভিচারের শাস্তি পাবে। পরে হত্যার শাস্তি পাবে। হত্যা যদি অস্ত্র দিয়ে হয় তাহলে কেসাস বা মৃত্যুদণ্ড। আর যদি অস্ত্র দিয়ে না হয়, এমন কিছু দিয়ে হয়- যা দিয়ে সাধারণত হত্যা করা যায় না। তাহলে অর্থদণ্ড। যার পরিমাণ একশ’ উটের মূল্যের সমপরিমাণ অর্থ (প্রায় কোটি টাকা)।

ধর্ষণের সঙ্গে যদি আরও কিছু সংশ্লিষ্ট হয়-     আইনে ধর্ষণের কারণে মৃত্যু হলে তাকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। আর ইসলামে ধর্ষণের কারণে মৃত্যু হলে সে প্রথমে ব্যভিচারের শাস্তি পাবে। পরে হত্যার শাস্তি পাবে। হত্যা যদি অস্ত্র দিয়ে হয় তাহলে কেসাস বা মৃত্যুদণ্ড। আর যদি অস্ত্র দিয়ে না হয়, এমন কিছু দিয়ে হয়- যা দিয়ে সাধারণত হত্যা করা যায় না। তাহলে অর্থদণ্ড। যার পরিমাণ একশ’ উটের মূল্যের সমপরিমাণ অর্থ (প্রায় কোটি টাকা)। ধর্ষণের সঙ্গে যদি আরও কিছু সংশ্লিষ্ট হয়- যেমন ভিডিওধারণ, ওই ভিডিও প্রচার ইত্যাদি; তাহলে আরও শাস্তি যুক্ত হবে। 

ব্যভিচার প্রমাণের জন্য ইসলামে দু’টোর যে কোনোটি জরুরি। ক. ৪ জন সাক্ষী, খ. ধর্ষকের স্বীকারোক্তি। তবে সাক্ষী না পাওয়া গেলে আধুনিক ডিএনএ টেস্ট, সিসি ক্যামেরা, মোবাইল ভিডিও, ধর্ষিতার বক্তব্য ইত্যাদি অনুযায়ী ধর্ষককে দ্রুত গ্রেফতার করে স্বীকার করার জন্য চাপ দেওয়া হবে। স্বীকারোক্তি পেলে তার ওপর শাস্তি কার্যকর করা হবে।  ইসলামে ধর্ষণ ও ব্যভিচার, সম্মতি-অসম্মতি উভয় ক্ষেত্রেই পুরুষের শাস্তি নির্ধারিত রয়েছে। তবে নারীর ক্ষেত্রে ধর্ষিতা হলে কোনো শাস্তি নেই, সম্মতিতে হলে শাস্তি আছে। যৌন অপরাধ নির্ণয়ে ইসলাম নির্ধারিত বিভাজনরেখা (বিবাহিত-অবিবাহিত) সর্বোৎকৃষ্ট। 

বাংলাদেশের প্রচলিত আইনে যতটুকু শাস্তি রয়েছে, তা প্রয়োগে নানাবিধ বিলম্ব আর বিভিন্ন রাজনৈতিক-অরাজনৈতিক চাপের কারণে ধর্ষণের উপযুক্ত শাস্তি হয় না।

উপরন্তু ধর্ষিতাকে একঘরে করে রাখা হয়, তাকে সমাজে বাঁকা চোখে দেখা হয়। তার পরিবারকে হুমকি-ধমকি দেওয়া হয়। ইসলাম এসব সমর্থন করে না। তবে এসব শাস্তি কেবল রাষ্ট্র বা রাষ্ট্রের অনুমোদনপ্রাপ্ত সংশ্লিষ্ট দপ্তর প্রয়োগ করবে, ব্যক্তি পর্যায়ের কেউ নয়।

All News Report

Add Rating:

0

সম্পর্কিত সংবাদ

ট্রেন্ডিং

বাতিল হতে যাচ্ছে ‘কাফালা বা কপিল প্রথা’: ২০২১ সালের প্রথম ৬ মাসেই বিলুপ্তি কার্যকর হবে

বাতিল হতে যাচ্ছে ‘কাফালা বা কপিল প্রথা’: ২০২১ সালের প্রথম ৬ মাসেই বিলুপ্তি কার্যকর হবে

নাস্তিকরা উগ্রবাদী হয়ে উঠছে- শাহরিয়ার কবির

নাস্তিকরা উগ্রবাদী হয়ে উঠছে- শাহরিয়ার কবির

মোরগের আক্রমণে পুলিশ কর্মকর্তার মৃত্যু

মোরগের আক্রমণে পুলিশ কর্মকর্তার মৃত্যু

সুনামগঞ্জে সন্ত্রাসীদের অস্ত্রের আঘাতে একই পরিবারের ৮ জন আহত

সুনামগঞ্জে সন্ত্রাসীদের অস্ত্রের আঘাতে একই পরিবারের ৮ জন আহত

বাংলা সিনেমার ফিল্ম স্টাইলে দেহরক্ষী নিয়ে চলতেন ইরফান !

বাংলা সিনেমার ফিল্ম স্টাইলে দেহরক্ষী নিয়ে চলতেন ইরফান !

ভয়ে ফরাসি নাগরিকদের সতর্ক থাকার আহবান ফ্রান্সের

ভয়ে ফরাসি নাগরিকদের সতর্ক থাকার আহবান ফ্রান্সের

রংপুরে ছাত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণে জড়িত এএসআই রাহেনুল

রংপুরে ছাত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণে জড়িত এএসআই রাহেনুল

জয়পুরহাটে এমপি'র নামফলক ভাংচুরের অভিযোগ

জয়পুরহাটে এমপি'র নামফলক ভাংচুরের অভিযোগ

৮ মাস কাজ বন্ধ থাকায় ৩৬৯ নকল নবীশ চরম আর্থিক সংকটে মানবেতর জীবন-যাপন করছে

৮ মাস কাজ বন্ধ থাকায় ৩৬৯ নকল নবীশ চরম আর্থিক সংকটে মানবেতর জীবন-যাপন করছে

রং নম্বরে পরিচয়, পরকীয়ার টানে ঘরে ছেড়ে মাইক্রোবাসে ধর্ষণের স্বীকার গৃহবধূ

রং নম্বরে পরিচয়, পরকীয়ার টানে ঘরে ছেড়ে মাইক্রোবাসে ধর্ষণের স্বীকার গৃহবধূ

মালয়েশিয়ায় চাকরী হারানো শ্রমিকদের জন্য অনলাইনে চাকরীর আবেদন চালু করা হয়েছে

মালয়েশিয়ায় চাকরী হারানো শ্রমিকদের জন্য অনলাইনে চাকরীর আবেদন চালু করা হয়েছে

মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার সম্ভাব্য তারিখ নির্ধারণ

মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার সম্ভাব্য তারিখ নির্ধারণ

ঢাবির লাইব্রেরির পেছনে পাওয়া গেল নবজাতকের লাশ

ঢাবির লাইব্রেরির পেছনে পাওয়া গেল নবজাতকের লাশ

যার ভরসায় রেখে গেলেন বাবা, সেই দাদাই করলেন শিশুটিকে ধর্ষণ

যার ভরসায় রেখে গেলেন বাবা, সেই দাদাই করলেন শিশুটিকে ধর্ষণ

লালন সাইঁজির তিরোধান দিবস উপলক্ষে রাজিব শাহ'র কণ্ঠে আসছে "ধন্য আশেকি জনা"

লালন সাইঁজির তিরোধান দিবস উপলক্ষে রাজিব শাহ'র কণ্ঠে আসছে "ধন্য আশেকি জনা"

সর্বশেষ

মেঘনা নদীর পারে প্রকাশ্যে বিক্রি হচ্ছে মা ইলিশ

মেঘনা নদীর পারে প্রকাশ্যে বিক্রি হচ্ছে মা ইলিশ

উত্তরাঞ্চলে প্রায় বিলুপ্তির পথে বাঁশঝাড়

উত্তরাঞ্চলে প্রায় বিলুপ্তির পথে বাঁশঝাড়

'বাংলাদেশকে আরও মর্যাদাপূর্ণ অবস্থানে নিতে কাজ করে যাচ্ছি’

'বাংলাদেশকে আরও মর্যাদাপূর্ণ অবস্থানে নিতে কাজ করে যাচ্ছি’

মুক্তিযোদ্ধা হায়দার আনোয়ার খান জুনো মারা গেছেন

মুক্তিযোদ্ধা হায়দার আনোয়ার খান জুনো মারা গেছেন

শায়েস্তাগঞ্জে প্রশাসনের হস্তক্ষেপে বন্ধ হল বাল্যবিবাহ

শায়েস্তাগঞ্জে প্রশাসনের হস্তক্ষেপে বন্ধ হল বাল্যবিবাহ

ফ্রান্সে মহানবী হজরত মুহম্মদ (সাঃ) এর ব্যঙ্গ চিত্র প্রদর্শনের প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ

ফ্রান্সে মহানবী হজরত মুহম্মদ (সাঃ) এর ব্যঙ্গ চিত্র প্রদর্শনের প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ

মৎস্য কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অবৈধ ইলিশ মাছ বিক্রির অভিযোগ

মৎস্য কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অবৈধ ইলিশ মাছ বিক্রির অভিযোগ

চুনারুঘাট ব্যকস এর নির্বাচন কমিশন  উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পৌর মেয়রের সাথে মতবিনিময়।

চুনারুঘাট ব্যকস এর নির্বাচন কমিশন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পৌর মেয়রের সাথে মতবিনিময়।

“সকলেই কবি নয়, কেউ কেউ কবি”

“সকলেই কবি নয়, কেউ কেউ কবি”

হসপিটাল ফার্মেসি কেনো প্রয়োজন?

হসপিটাল ফার্মেসি কেনো প্রয়োজন?

সাতক্ষীরায় জাতীয় মহিলা সংস্থার উদ্যোগে ৩ শতাধিক মানুষের গাছের চারা বিতরণ

সাতক্ষীরায় জাতীয় মহিলা সংস্থার উদ্যোগে ৩ শতাধিক মানুষের গাছের চারা বিতরণ

নওগাঁয় অসাম্প্রদায়িক, বহুত্ববাদি সমাজ বিনির্মানে প্রশিক্ষক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত

নওগাঁয় অসাম্প্রদায়িক, বহুত্ববাদি সমাজ বিনির্মানে প্রশিক্ষক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত

হযরত মোহাম্মদ(সাঃ)কে অবমাননার প্রতিবাদে ভৈরবে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত

হযরত মোহাম্মদ(সাঃ)কে অবমাননার প্রতিবাদে ভৈরবে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত

তালার ভাগবাহ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রাচীর নির্মাণে বাধা ও জমি দখল করে দোকান নির্মাণ

তালার ভাগবাহ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রাচীর নির্মাণে বাধা ও জমি দখল করে দোকান নির্মাণ

বশেমুরবিপ্রবি’তে তৃতীয় দিনের অনশনে ভর্তিচ্ছুরা- অসুস্থ ৪

বশেমুরবিপ্রবি’তে তৃতীয় দিনের অনশনে ভর্তিচ্ছুরা- অসুস্থ ৪