Feedback

আরও..., খোলা কলাম

পাকিস্তানের প্রতিষ্ঠাতা জিন্নাহর বাপ-দাদারা ছিলেন হিন্দু

পাকিস্তানের প্রতিষ্ঠাতা জিন্নাহর বাপ-দাদারা ছিলেন হিন্দু
October 05
11:38pm
2020
Younus Ali
Trishal, Mymensingh:
Eye News BD App PlayStore

সুমন পালিত   

দুনিয়াজুড়ে ২৫ ডিসেম্বর দিনটি পালিত হয় ক্রিসমাস বা বড়দিন হিসেবে। খ্রিস্টান ধর্মের প্রবর্তক যিশু খ্রিস্টের অনুমিত জন্মদিন এটি। যিশুখ্রিস্ট মুসলমানদের কাছেও অত্যন্ত শ্রদ্ধাভাজন। নবী হিসেবে মান্য করা হয় এই মহাপুরুষকে। 

মুসলমানদের কাছে তিনি নবী হজরত ঈসা আলাইহিস সাল্লাম। ২৫ ডিসেম্বর যিশুখ্রিস্ট বা ঈসা (আ.)-এর প্রকৃত জন্মদিন এমনটি বলার অবকাশ নেই। কারণ যে সময় তিনি জন্মগ্রহণ করেছিলেন সে সময় ফিলিস্তিনি ভূখ-ে দিন মাস বছর বা সময় গণনার নিয়ম ছিল না। যিশুর জন্মের বহুকাল পরে লটারির মাধ্যমে ২৫ ডিসেম্বরকে ওই মহাপুরুষের জন্মদিন হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তার পর থেকে এ দিনটি দুনিয়াজুড়ে পালিত হচ্ছে বিশেষ মর্যাদার সঙ্গে। এদিন উৎসবে মেতে ওঠে কোটি কোটি মানুষ। খ্রিস্টানদের কাছে যিশুখ্রিস্ট ‘মুক্তিদাতা’ হিসেবে নন্দিত।  যিশুখ্রিস্টের জন্মের ১৮৭৫ বছর পর ১৮৭৬ সালের উৎসবমুখর বড় দিনের রাতে বর্তমান পাকিস্তানের সিন্ধু প্রদেশের বন্দরনগরী করাচিতে জন্মগ্রহণ করেন আরেক মুক্তিদাতা। যার নাম মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ। ভারতীয় মুসলমানদের ব্রিটিশ শাসনের নাগপাশ শুধু নয় হিন্দু আধিপত্য থেকে মুক্তির তত্ত্ব হাজির করেছিলেন তিনি। এ তত্ত্বকে কাজে লাগিয়ে পাকিস্তান নামের এক অদ্ভুত রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার কৃতিত্ব দেখান মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ। আমাদের আজকের বাংলাদেশও ছিল শুরুতে পাকিস্তান রাষ্ট্রের অংশ। পূর্ব পাকিস্তান হিসেবে তখন অভিহিত করা হতো আমাদের এই দেশটিকে। পাকিস্তানের অপর অংশ পশ্চিম পাকিস্তান ছিল তেরোশ মাইল দূরে। দুই দেশের মাঝে ভারত নামের বিশাল এক দেশের অবস্থান। ধর্ম ছাড়া পাকিস্তানের দুই অংশের মানুষের মধ্যে অন্য কোনো দিক থেকে মিল ছিল না বললেই চলে। 

সংখ্যাগরিষ্ঠ হওয়া সত্ত্বেও পাকিস্তানে বাঙালিরা ছিল শোষিত এবং বঞ্চিত। 

দেশের রাজধানী ছিল সংখ্যালঘিষ্ঠ জনসংখ্যা অধ্যুষিত পশ্চিম পাকিস্তানে। সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীর সদর দফতরও ছিল পশ্চিমাংশে। পাকিস্তানের জাতীয় বাজেটের সিংহভাগ ব্যয় হতো সেনাবাহিনীর পেছনে। অথচ সেনাবাহিনীতে ৫৬ ভাগ জনগোষ্ঠী বাঙালির অংশগ্রহণ ছিল ৫ শতাংশের সামান্য বেশি। পাকিস্তানের বৈদেশিক মুদ্রার প্রধান উৎস পাট রপ্তানি। বাংলাদেশেই উৎপাদিত হতো পাট। অথচ অর্জিত বৈদেশিক মুদ্রার সিংহভাগ ব্যয় হতো পশ্চিম পাকিস্তানে। সে অন্যায় এবং শোষণের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ায় বাঙালিরা। ১৯৪৭ থেকে ৭০ পর্যন্ত ২৩ বছর দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রামের পর ১৯৭০ সালে পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের নির্বাচনে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের ১৬০ আসনের মধ্যে দুটি বাদে অন্য সবকটিতে জয়ী হয় আওয়ামী লীগ। জাতীয় পরিষদের ৩০০ আসনের ১৬০টিতে জয়ী হওয়ায় পাকিস্তানের শাসন ক্ষমতায় বাঙালিদের প্রাধান্য প্রতিষ্ঠার সুযোগ সৃষ্টি হয়। কিন্তু পাকিস্তানি সামরিক জান্তা বাঙালিদের অবিসংবাদিত নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তরে অস্বীকৃতি জানায়। শুধু অস্বীকৃতি নয়, তারা একাত্তরের ২৫ মার্চ রাতের আঁধারে বাঙালিদের ওপর ট্যাংক, কামান, মর্টার, মেশিনগান নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ে। এ প্রেক্ষাপটে বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন। তারপর নয় মাসের মুক্তিযুদ্ধ শেষে পাকিস্তান বাহিনীর আত্মসমর্পণের মাধ্যমে স্বাধীনতা কণ্টক মুক্ত হয়। 

পাকিস্তানি শাসনামল বাঙালিদের জন্য যত তিক্তই হোক না কেন, এক সময় আজকের বাংলাদেশ যে পাকিস্তান রাষ্ট্রের অংশ ছিল এটি এক সত্যি। আজকের বাংলাদেশ যে ১৯৪৭ সালের ভারত ভাগের অনিবার্য ফসল তা অস্বীকার করারও কোনো উপায় নেই। ১৯৪৭ সালের ভারত বিভাগ যত অযৌক্তিকই হোক না কেন, তা পূর্ববাংলার সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগোষ্ঠী বাঙালি মুসলমানদের ভাগ্যোন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। অখ- ভারতে তা সম্ভব হতো কিনা সন্দেহ। এমনকি ১৯৪৭ সালে যদি অখ- বাংলা স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করত তাতেও পূর্ববাংলার সংখ্যাগরিষ্ঠ অধিবাসী বাঙালি মুসলমানদের পশ্চাৎপদতার অবসান ঘটত কিনা সংশয়ের ঊর্ধ্বে নয়। কারণ ব্রিটিশ আমলে অখ- বাংলার প্রধানমন্ত্রী পদে অধিষ্ঠিত হয়েছেন শেরেবাংলা এ কে ফজলুল হক, খাজা নাজিম উদ্দিন ও হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর মতো বড় মাপের নেতারা। কিন্তু সংখ্যাগরিষ্ঠতার জোরে প্রধানমন্ত্রী পদ প্রাপ্তি ছাড়া সামাজিক ও অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে মুসলিম জনগোষ্ঠীর দৃষ্টি গ্রাহ্য অগ্রগতি ঘটেনি। 

যে প্রেক্ষাপটে পাকিস্তান আন্দোলনকে খাটো করে দেখার অবকাশ নেই। এ আন্দোলনে বাঙালি মুসলমানদের ব্যাপক অংশগ্রহণ সামাজিক বাস্তবতার নিরিখে অযৌক্তিক ছিল না। স্বীকার করতেই হবে বাংলাদেশের স্বাধীনতার অবিসংবাদিত নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবও ছিলেন পাকিস্তান আন্দোলনের প্রথম সারির ছাত্রনেতা। 

পাকিস্তান প্রতিষ্ঠায় সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন সে সময়ের শীর্ষ আইনজীবী ও তুখোড় রাজনীতিবিদ মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ। দুর্ভাগ্যজনক হলেও সত্যি, জিন্নাহর রাজনৈতিক জীবন নিয়ে অসংখ্য লেখালেখি হলেও ব্যক্তিজীবনের দিকে আলোকপাত হয়েছে খুবই কম।  তিনি যা নন, সেভাবে তাকে উপস্থাপনের চেষ্টা চলেছে জিন্নাহ সমর্থক এবং জিন্নাহ বিরোধীদের পক্ষ থেকে। জিন্নাহকে অপদেবতা বা দানব বানানোর চেষ্টা করেছেন বিদ্বেষ ভাবাপন্নরা। 

আবার অন্ধ সমর্থকরা তাকে প্রকারান্তরে ফেরেশতা কিংবা দেবদূতের মতো ভুলত্রুটিমুক্ত সত্তা হিসেবে তুলে ধরার চেষ্টা করেছেন। জিন্নাহর একমাত্র কন্যা দিনা পাকিস্তানে যেভাবে তার বাবার বন্দনা করা হয় তাতে বিরক্ত প্রকাশ করেছেন এক সাক্ষাৎকারে। 

জিন্নাহ পরিবার সেই ব্রিটিশ আমলে করাচিতে বসতি গড়লেও তাদের আদি বাড়ি ভারতের গুজরাটে। উইকিপিডিয়ার তথ্যানুযায়ী জিন্নাহরা উনিশ শতকে গুজরাটের কাথিরাড় থেকে করাচিতে চলে আসেন। তার পিতামহ ছিলেন নিরামিষভোজী হিন্দু সম্প্রদায় লোহানা গোত্রের সদস্য। তিনি মাছের ব্যবসা করে এলাকার বিশিষ্ট ধনাঢ্য ব্যক্তিতে পরিণত হন। লোহানা গোত্রের কেউ আমিষ অর্থাৎ মাছের ব্যবসা করবে তা মেনে নিতে পারেনি ওই সম্প্রদায়ের সমাজপতিরা। তারা জিন্নাহর পিতামহকে সপরিবারে সমাজচ্যুত করে। বাধ্য হয়ে তিনি মাছের ব্যবসা বাদ দিয়ে নিজ সমাজে ফিরে আসার চেষ্টা করেন। কিন্তু সমাজপতিরা তাতে রাজি হননি। ফলে তার পুত্র পুঞ্জলাল ঠাক্কুর অর্থাৎ জিন্নাহর পিতা চার ছেলেসহ হিন্দু ধর্ম ত্যাগ করেন। উইকিপিডিয়ার তথ্যানুযায়ী জিন্নাহ জন্মগ্রহণ করেন হিন্দু পরিবারে। তার বাবা সন্তানদের নিয়ে ধর্মান্তরিত হলে জিন্নাহও মুসলমান হয়ে যান। শিয়া ইসমাইলি ফেরকার ইসলাম গ্রহণ করেন তারা। উল্লেখ্য, ভারতীয় উপমহাদেশে ইসমাইলি সম্প্রদায়ের মুসলমানরা খোজা নামে পরিচিত। 

ইসমাইলি সম্প্রদায় কয়েকশ বছর ধরে পৃথিবীর অন্যতম শান্তিবাদী ধর্মীয় সম্প্রদায় হিসেবে পরিচিত। কিন্তু এ সম্প্রদায়ের উদ্ভব ও বিকাশে গুপ্তহত্যা এবং রোমহর্ষক হিংসাত্মক কর্মকা- জড়িত। ইসলামের শিয়া মতাবলম্বীদের মধ্য থেকে ইসমাইলি সম্প্রদায়ের উদ্ভব। শিয়ারা হজরত আলী (রা.)-কে তাদের ইমাম বলে মনে করেন। ইমাম শব্দের অর্থ নেতা। ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে আধ্যাত্মিক নেতা। হজরত আলীর (রা.) পর ষষ্ঠ ইমাম জাফর আল সাদিক পর্যন্ত সব ইমামকে ইসমাইলীয়রা স্বীকার করলেও সপ্তম ইমাম হিসেবে মুসা কাজিমকে স্বীকার না করে তার ভাই ইসমাইলকে ইমাম হিসেবে তারা মান্য করেন। স্মর্তব্য, ইমাম জাফর আল সাদিকের পর ইসমাইলেরই ইমাম হওয়ার কথা। কিন্তু বাবার জীবিতাবস্থায় তার মৃত্যু হলে ইমাম জাফর আল সাদিক আরেক পুত্র মুসা কাজিমকে পরবর্তী ইমাম হিসেবে মনোনয়ন দেন। ইসমাইলের সমর্থকরা এটি মেনে নিতে পারেননি। ফলে শিয়া সম্প্রদায়ের মধ্যে বিভক্তি আসে। ইসমাইল সমর্থকদের বিশ্বাস, তাদের ইমাম গায়েব হয়ে আছেন এবং যে কোনো সময় পাপাচারে নিমজ্জিত সমাজ সংস্কারে তিনি ইমাম মাহাদি রূপে আবির্ভূত হবেন। অন্যদিকে শিয়া সম্প্রদায়ের অন্য অংশ পরিচিত দ্বাদশ ইমামে বিশ্বাসী হিসেবে। তারা বিশ্বাস করেন মুসা কাজিম সপ্তম ইমাম এবং দ্বাদশ ইমাম আবির্ভূত হবেন ইমাম মাহাদি নামে। 

ইসমাইলীয় সম্প্রদায়ের বিশ্বাস আল্লাহর সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগের মাধ্যম হলেন ইমামরা। সম্মানিত ইমামদের মাধ্যমে এবং তাদের অনুসারীরা আল্লাহর অনুগ্রহ ও সন্তুষ্টি অর্জন করে।  ইসমাইলীয় সম্প্রদায় তাদের আধিপত্য প্রতিষ্ঠায় গুপ্ত হত্যাসহ যে নৃশংসতার আশ্রয় নেয় তা ইতিহাসের একটি সমালোচিত অধ্যায়। ১৮৪০ সালে ইসমাইলিদের মধ্য থেকে একটি বড় অংশ আগা খানের নেতৃত্বে আলাদা ধর্মীয় গোষ্ঠী গড়ে তোলেন। এ সম্প্রদায়ের ইমাম আগা খান ইরান থেকে ভারতের মুম্বাই নগরীতে এসে ঠাঁই নেন। 

ব্রিটিশ শাসকদের পৃষ্ঠপোষকতাও পান তারা। ইসমাইলিয়া সম্প্রদায়ের তৃতীয় ইমাম সুলতান মুহাম্মদ শাহ আগা খান ১৮৮৫ সালে মাত্র ৭ বছর বয়সে ইমামতি প্রাপ্ত হন। ৭৭ বছর যাবৎ তিনি ছিলেন ইসমাইলিয়া সম্প্রদায়ের সর্বোচ্চ আধ্যাত্মিক নেতা বা ইমাম। মুসলিম লীগের প্রথম সভাপতিও ছিলেন তিনি। ব্রিটিশ সম্রাটের কাছ থেকে নাইটহুডে ভূষিত হন তৃতীয় আগা খান। প্রথম মহাযুদ্ধের পর প্রতিষ্ঠিত জাতিপুঞ্জ বা লিগ অব নেসন্সের সভাপতি হিসেবে তিনি দায়িত্ব পালন করেছেন ১৯৩৪ থেকে ৩৮ সাল পর্যন্ত।  বাংলাদেশ, ভারত ও পাকিস্তানে আগা খানের নেতৃত্বাধীন ইসমাইলীয় জামাতের কয়েক লাখ সদস্য রয়েছে। এ সম্প্রদায়ের সদস্যরা নিজেদের মুসলমান বলে পরিচয় দেন। তারা নামাজ রোজা এবং অন্যান্য ধর্মাচারও পালন করেন। মসজিদের বদলে তারা উপাসনার জন্য যান জামাতখানায়। সেখানে তারা কোরআন পাঠ ও নামাজ আদায় করেন। 

ইসমাইলীয় সম্প্রদায়ের বিকাশের সঙ্গে গুপ্তহত্যা এবং সন্ত্রাসের রোমহর্ষক সম্পর্ক থাকলেও স্বীকার করতে হবে ইসমাইলীয়রা এখন পৃথিবীর অন্যতম শান্তিবাদী ধর্মীয় সম্প্রদায়। পাকিস্তানের প্রতিষ্ঠাতা মোহাম্মদ আলী জিন্নাহর বাবা ইসমাইলীয় ফেরকার ইসলাম গ্রহণ করলেও ভারতীয় উপ-মহাদেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ সুন্নি মুসলমানদের অনেকে এ সম্প্রদায়কে মুসলমান বলে স্বীকার করতেও নারাজ।   

এমনকি শিয়ারাও ইসমাইলীয় বিশেষ করে আগা খানের নেতৃত্বাধীন ইসমাইলীয় সম্প্রদায়কে বাঁকা চোখে দেখে। 

পাকিস্তান প্রতিষ্ঠায় ইসমাইলীয় সম্প্রদায়ের অবদান খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সে দেশের রাষ্ট্র পিতা জিন্নাহ ছিলেন ইসমাইলীয় সম্প্রদায়ের সদস্য। পাকিস্তান প্রতিষ্ঠায় যে দলটি নেতৃত্ব দেয় সেই মুসলিম লীগের প্রথম সভাপতি ছিলেন ইসমাইলীয় সম্প্রদায়ের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা তৃতীয় আগা খান।   জিন্নাহ পরিবার হিন্দু ধর্ম ত্যাগ করে শিয়া ইসমাইলীয় ফেরকার ইসলাম গ্রহণ করলেও পরবর্তী  প্রজন্মের সদস্যরা তাদের বিশ্বাস শিয়া ইসলামের দিকে নিয়ে যায়। 

লেখক : সিনিয়র সাংবাদিক।

All News Report

Add Rating:

0

সম্পর্কিত সংবাদ

ট্রেন্ডিং

সেমিস্টার ফাইনাল পরীক্ষা নিতে আবেদন জানিয়েছেন হাবিপ্রবির ছাত্র উপদেষ্টা পরিচালক

সেমিস্টার ফাইনাল পরীক্ষা নিতে আবেদন জানিয়েছেন হাবিপ্রবির ছাত্র উপদেষ্টা পরিচালক

আজ মিন্নিকে বরগুনা থেকে কাশিমপুর কারাগারে নেওয়া হল

আজ মিন্নিকে বরগুনা থেকে কাশিমপুর কারাগারে নেওয়া হল

কোরআন শরীফ অবমাননার অভিযোগে যুবককে হত্যার পরে লাশ পুড়িয়ে দিলো জনতা!

কোরআন শরীফ অবমাননার অভিযোগে যুবককে হত্যার পরে লাশ পুড়িয়ে দিলো জনতা!

মৎস্য কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অবৈধ ইলিশ মাছ বিক্রির অভিযোগ

মৎস্য কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অবৈধ ইলিশ মাছ বিক্রির অভিযোগ

যার ভরসায় রেখে গেলেন বাবা, সেই দাদাই করলেন শিশুটিকে ধর্ষণ

যার ভরসায় রেখে গেলেন বাবা, সেই দাদাই করলেন শিশুটিকে ধর্ষণ

ম্যাক্রোঁকে ডিম নিক্ষেপ?

ম্যাক্রোঁকে ডিম নিক্ষেপ?

ঠাকুরগাঁওয়ে বন্ধুকে আগুনে পুড়িয়ে হত্যার দায়ে ৩ জনের মৃত্যুদন্ডাদেশ

ঠাকুরগাঁওয়ে বন্ধুকে আগুনে পুড়িয়ে হত্যার দায়ে ৩ জনের মৃত্যুদন্ডাদেশ

রায়হানকে পুলিশ ফাঁড়িতে ধরে নিয়ে যাওয়া সেই এসআই গ্রেপ্তার

রায়হানকে পুলিশ ফাঁড়িতে ধরে নিয়ে যাওয়া সেই এসআই গ্রেপ্তার

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটি  বাড়ল১৪ নভেম্বর পর্যন্ত

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটি বাড়ল১৪ নভেম্বর পর্যন্ত

ছাত্রজীবনে মাসিক আয় ১ লাখ!

ছাত্রজীবনে মাসিক আয় ১ লাখ!

অফিস নিচ্ছে গণ অধিকার পরিষদ

অফিস নিচ্ছে গণ অধিকার পরিষদ

শিশু গৃহকর্মীর মরদেহ রেখে পালানোর সময় স্বামী-স্ত্রী আটক

শিশু গৃহকর্মীর মরদেহ রেখে পালানোর সময় স্বামী-স্ত্রী আটক

ফুঁসলিয়ে ঝোপে নিয়ে শিশুকে ধর্ষণ করে, ধর্ষক আটক

ফুঁসলিয়ে ঝোপে নিয়ে শিশুকে ধর্ষণ করে, ধর্ষক আটক

অক্ষয় কুমার পাহাড় কিনে নিলেন কানাডায়

অক্ষয় কুমার পাহাড় কিনে নিলেন কানাডায়

ফ্রান্সবিরোধী বিক্ষোভে উত্তাল কিশোরগঞ্জ

ফ্রান্সবিরোধী বিক্ষোভে উত্তাল কিশোরগঞ্জ

সর্বশেষ

মিন্নি কাশিমপুরে বাকিরা  বরিশাল বিভাগীয়  কারাগারে

মিন্নি কাশিমপুরে বাকিরা বরিশাল বিভাগীয় কারাগারে

ঘর পাচ্ছেন একশত পরিবার

ঘর পাচ্ছেন একশত পরিবার

মহানবীকে অবমাননার প্রতিবাদে কুষ্টিয়ার আল্লারদর্গায় বিক্ষোভ

মহানবীকে অবমাননার প্রতিবাদে কুষ্টিয়ার আল্লারদর্গায় বিক্ষোভ

আমতলীতে সরকারী নির্দেশনা উপেক্ষা করে মাছ শিকার, চার জেলের সাত দিনের কারাদন্ড

আমতলীতে সরকারী নির্দেশনা উপেক্ষা করে মাছ শিকার, চার জেলের সাত দিনের কারাদন্ড

সিলেটে লাইন ভুল করে দুই ট্রেনের সংঘর্ষ, ট্রেন চলাচল বিঘ্ন

সিলেটে লাইন ভুল করে দুই ট্রেনের সংঘর্ষ, ট্রেন চলাচল বিঘ্ন

সরকার জনবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছেঃ ফখরুল

সরকার জনবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছেঃ ফখরুল

ফানি ভিডিওর আড়ালে অশ্লীলতার ছড়াছড়ি

ফানি ভিডিওর আড়ালে অশ্লীলতার ছড়াছড়ি

স্বাধীনতার ৫০ বছরেও উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি রৌমারী’র চর লাঠিয়াল ডাঙ্গায়

স্বাধীনতার ৫০ বছরেও উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি রৌমারী’র চর লাঠিয়াল ডাঙ্গায়

এএসআই শাহ জামালের বাবা-মায়ের জন্য ঘর নির্মাণ করে দিলেন সাতক্ষীরার এসপি

এএসআই শাহ জামালের বাবা-মায়ের জন্য ঘর নির্মাণ করে দিলেন সাতক্ষীরার এসপি

সরিষাবাড়ীতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও তথ্য প্রতিমন্ত্রীর সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনায় দোয়া ও মিলাদ

সরিষাবাড়ীতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও তথ্য প্রতিমন্ত্রীর সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনায় দোয়া ও মিলাদ

মুসলিম স্থাপত্যের অনন্য নিদর্শন ‘সুরা মসজিদ’

মুসলিম স্থাপত্যের অনন্য নিদর্শন ‘সুরা মসজিদ’

ডানডকের বিপক্ষে আর্সেনালের জয়

ডানডকের বিপক্ষে আর্সেনালের জয়

মাধ্যমিকের ৩০ দিনের সংক্ষিপ্ত সিলেবাস প্রকাশ

মাধ্যমিকের ৩০ দিনের সংক্ষিপ্ত সিলেবাস প্রকাশ

লাইভে ভক্ত-সমর্থকদের ১০টি প্রশ্নের উত্তর দেবেন সাকিব

লাইভে ভক্ত-সমর্থকদের ১০টি প্রশ্নের উত্তর দেবেন সাকিব

বেতাগী উপজেলায় শ্রমিক লীগের ৫১ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী অনুষ্ঠিত

বেতাগী উপজেলায় শ্রমিক লীগের ৫১ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী অনুষ্ঠিত