About Us
মঙ্গলবার, ২২ জুন ২০২১
Verified আই নিউজ বিডি ডেস্ক
প্রকাশ ২৮/০৮/২০২০ ১০:৪৩পি এম

গত ২৪ ঘণ্টায় মারা গেছেন ৪৭ জন

গত ২৪ ঘণ্টায় মারা গেছেন ৪৭ জন Ad Banner

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় মারা গেছেন ৪৭ জন। এ নিয়ে করোনাতে এখন পর্যন্ত মোট মারা গেলেন চার হাজার ১৭৪ জন। এর মধ্যে প্রায় অর্ধেক মানুষের বয়স ৬০ বছরের উপরে।  গত ১০ মার্চ করোনাতে আক্রান্ত হয়ে প্রথম মৃত্যুর খবর দেয় সরকার। মৃতের সংখ্যা চার হাজার ছাড়ায় গত ২৫ আগস্ট। এর মধ্যে গত ৩০ জুন একদিনে সর্বোচ্চ ৬৪ জনের মৃত্যুর খবর জানায় স্বাস্থ্য অধিদফতর। 

শুক্রবার (২৮ আগস্ট) স্বাস্থ্য অধিদফতরের করোনা বিষয়ক মৃত্যুর তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, এখন পর্যন্ত শূন্য থেকে ১০ বছরের মধ্যে মারা গেছেন ১৯ জন; যা শতকরা শূন্য দশমিক ৪৬ শতাংশ। ১১ থেকে ২০ বছরের মধ্যে মারা গেছেন ১০০ জন; যা দুই দশমিক ৪০ শতাংশ। ৩১ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে মারা গেছেন ৫৫৯ জন; যা ১৩ দশমিক ৩৯ শতাংশ। ৫১ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে মারা গেছেন এক হাজার ১৫১ জন; যা ২৭ দশমিক ৫৮ শতাংশ এবং ৬০ বছরের বেশি বয়সী মারা গেছেন দুই হাজার ৬৪ জন; যা ৪৯ দশমিক ২১ শতাংশ। 

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, মোট মৃতের সংখ্যার মধ্যে ঢাকা বিভাগে দুই হাজার ১৯ জন; যা শতকরা ৪৮ দশমিক ৩৭ শতাংশ। চট্টগ্রাম বিভাগে ২৭৯ জন; যা ছয় দশমিক ৬৮ শতাংশ। খুলনা বিভাগে ৩৪৭ জন; যা আট দশমিক ৩১ শতাংশ। বরিশাল বিভাগে ১৬০ জন; যা তিন দশমিক ৮৩ শতাংশ। সিলেট বিভাগে ১৮৮ জন; যা চার দশমিক ৫০ শতাংশ। রংপুর বিভাগে ১৮১ জন; যা চার দশমিক ৩৪ শতাংশ এবং ময়মনসিংহ বিভাগে ৮৯ জন; যা দুই দশমিক ১৩ শতাংশ। 

স্বাস্থ্য অধিদফতরের বন্ধ হয়ে যাওয়া বুলেটিনে এবং এর আগে হওয়া করোনা বিষয়ক সংবাদ সম্মেলনে ৬০ বছর বয়সী এবং যারা অন্য জটিল রোগে আক্রান্ত, তাদের অধিক ঝুঁকিপূর্ণ বলে অভিহিত করা হয়। তাদের প্রতি বিশেষ নজর দেওয়ার কথাও পরিবারের অন্য সদস্যদের বলা হয়। 

বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) কোভিড-১৯ বিষয়ক জাতীয় পরামর্শক কমিটি তাদের সভায় করোনার টিকা দেওয়ার ক্ষেত্রে ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর কথা উল্লেখ করেছে। কমিটি বলেছে, যেহেতু প্রথমেই হয়তো দেশের সম্পূর্ণ জনসংখ্যার জন্য ভ্যাকসিন পর্যাপ্ত পরিমাণে পাওয়া সম্ভব নাও হতে পারে, তাই উচ্চ ‘ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠী’ বাছাই করে পর্যায়ক্রমে ভ্যাকসিন প্রদান করা যেতে পারে। 

স্বাস্থ্য অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক নাসিমা সুলতানা এর আগে জানিয়েছেন, বেশি বয়সে অন্যান্য রোগ থাকে। উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিসসহ অন্যান্য রোগে আক্রান্ত থাকেন বেশি। ক্যানসার ও হৃদরোগসহ যারা অন্যান্য জটিল রোগে আক্রান্ত থাকেন তাদের জন্য করোনায় মৃত্যুঝুঁকি বেশি। এ জন্য ঘরের বয়োবৃদ্ধদের প্রতি সবসময় তিনি আলাদা নজর দেওয়ার কথা বলেন।  কোভিড-১৯ বিষয়ক জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটির সদস্য ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ডা. নজরুল ইসলাম আই নিউজ বিডিকে বলেন, ‘বয়স্করা যেকোনও রোগের বেলাতেই সবসময় ঝুঁকিপূর্ণ। তারা আগে থেকেই নানান জটিল রোগে আক্রান্ত থাকেন। তারা ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, কিডনি, লিভার, হৃদযন্ত্রের সমস্যায় ভোগেন। যার কারণে তারা স্বাভাবিকভাবেই দুর্বল থাকেন এবং সহজেই কাবু হয়ে যান।’


শেয়ার করুন

সম্পর্কিত সংবাদ