Md.Helal Uddin Sarker
প্রকাশ ১০/০৩/২০২২ ০৮:৩৭পি এম

বগুড়া ধুনট ও এম এস এর আটাচাল আর কপালে জুটলোনা বুলি খাতুনের

বগুড়া ধুনট ও এম এস এর আটাচাল আর কপালে জুটলোনা বুলি খাতুনের
ad image
বগুড়া ধুনটে ওএমএস আটা চাল হরিনাথপুরের বুলি খাতুনের কপালে আর জুটলো না, তার আগেই ঘাতক ট্রাক তার জীবনের সমাপ্তি ঘটালো। আহত করলো আরোও পাঁচ  জনকে। ঘটনাটি ঘটে গেল বগুড়া জেলার ধুনট থানাধীন ধুনট টু গোসাইবাড়ী রোডের চান্দারপাড়া গ্রামস্থ জৈনক সাহেব আলী বাড়ির সামনে পাকা রাস্তার উপর।

ঘটনার বিবরণে ধুনট থানা ও স্থানীয় লোকজনের সাথে কথা বলে জানা যায় বৃহস্পতিবার    (১০-০৩-২০২২ খ্রিঃ) আনুমানিক ভোর ০৬ ঘটিকার সময় মৃতা বুলি খাতুন (৪০), পিতা-মৃত আজগর আলী, আহত মাজেদা খাতুন (৫০), স্বামী- মোঃ শহিদুল ইসলাম, আলেয়া বেওয়া (৭০), স্বামী- মৃত আকবর আলী, সালেকা বেগম (৫০), স্বামী- উপহাসের, মেরিনা খাতুন (৫০), স্বামী- জামাল উদ্দিন, মোছাঃ বুলি বেওয়া(৬০), স্বামী-মৃত কালু শেখ, সকলেরই গ্রাম- হরিনাথপুর পশ্চিমপাড়া, থানা- কাজিপুর জেলা-সিরাজগঞ্জ একসাথে ওএমএস এর চাল ও আটা ক্রয় করার উদ্দেশ্যে অটো ভ্যান যোগে ধুনট বাজারে আসার পথে ধুনট টু গোসাইবাড়ি রোডের চান্দারপাড়া গ্রামস্থ জৈনক মোঃ সাহেব আলী বাড়ির সামনে পাকা রাস্তার উপর আসার পর বিপরীতমুখী হতে আসা অজ্ঞাতনামা ট্রাক অটো ভ্যানটিকে সজোড়ে ধাক্কা মেরে দ্রুত ঘটনাস্থল হতে পালিয়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই বুলি খাতুন মৃত্যুবরণ করেন।

পরবর্তীতে স্থানীয় লোকজন বাকি পাঁচ জনকে উদ্ধার করে ধুনট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা করার জন্য নিয়ে যান এবং তারা প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে নিজ নিজ  বাড়িতে চলে যায়। স্থানীয় লোকজন ও আহত নিহতের আত্মীয় স্বজনরা বলেন সকাল সকাল না গেলে ওএমএস আটা পাওয়া যায় না শেষ হয়ে যায়। তাই তারা রাতে কথা বলে রেখে ভোরে এক সাথে রওনা দিয়ে এ দুর্ঘটনার শিকার হন। তারা আরোও বলেন নিহত বুলি খাতুন তালাক প্রাপ্তা ও তার একটি ছোট বাচ্চাও রয়েছে। ঘটনার খবর পেয়ে ধুনট থানার এসআই মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেন সঙ্গীয় ফোর্সসহ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন এবং লাশের সুরতহাল রিপোর্ট প্রস্তুত করেন।

এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে ধুনট থানা প্রশাসন জানান। ধুনট থানার অফিসার ইনচার্জ কৃপা সিন্ধু বালা বলেন, পালিয়ে যাওয়া ঘাতক ট্রাকের সন্ধান পেতে জোর তদন্ত চলছে আসা করি অতি অল্প সময়ের মধ্যেই ঘাতক ট্রাকের সন্ধান মিলবে এবং আইনের আওতায় আনা হবে।    

শেয়ার করুন

ad image

সম্পর্কিত সংবাদ