About Us
MD. BABLU HOSSAIN
প্রকাশ ২৬/০৮/২০২০ ১১:৪৬এ এম

পরিচালক ছাড়াই চলছে বেনাপোল বন্দর

পরিচালক ছাড়াই চলছে বেনাপোল বন্দর Ad Banner

টানা ১০ মাস হতে চললেও দেশের সর্ববৃহৎ স্থলবন্দর বেনাপোলে পরিচালক পদে কাউকে নিয়োগ না দেয়ায় চরম অব্যবস্থাপনায় চলছে বেনাপোল বন্দরের কার্যক্রম। একজন উপপরিচালক বর্তমানে ভারপ্রাপ্ত পরিচালকের দায়িত্ব পালন করছেন। যেকোনো ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিতে হলে চেয়ে থাকতে হয় ঢাকার প্রধান কার্যালয়ের দিকে। ওখান থেকে দিক নির্দেশনার পরে কাজ হয় এ বন্দরে।বেনাপোল বন্দরকে বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের আওতায় আনার পর ১৯ বছরে ১৩ জন পরিচালক দায়িত্ব পালন করেছেন।


আর ভারপ্রাপ্ত দায়িত্ব পালন করেছেন ২ জন উপপরিচালক ৪ বার। উপসচিব মর্যাদায় এখানে নিয়োগ পাওয়ার পর ২-৪ মাস কাজ করার সঙ্গে সঙ্গে বদলির তোড়জোড় করতে থাকেন কর্মকর্তারা। এর ফলে কেউ আসতে চান না এ বন্দরে। আবার কেউ আসলেও ৪ মাস, ৬ মাস বা এক-দেড় বছর থাকার পর তদবির করে চলে যান অন্যত্র। 


জানা যায়, কলকাতা থেকে বেনাপোলের দূরত্ব মাত্র ৮০ কিলোমিটার। যোগাযোগ ব্যবস্থা সহজ হওয়ায় দেশে স্থলপথে যে পণ্য আমদানি হয় তার ৭০ শতাংশ হয়ে থাকে বেনাপোল বন্দর দিয়ে। ভৌগলিক অবস্থানের কারণে প্রতিবেশী রাষ্ট্রের ব্যবসায়ীদের পছন্দের তালিকায়ও প্রথম সারিতে বেনাপোল বন্দর। দেশের সিংহভাগ গার্মেন্টস ইন্ডাস্ট্রিসহ বিভিন্ন শিল্প কলকারখানার কাঁচামাল আমদানি হয় এ বন্দর দিয়ে। রাজস্ব আয়ের দিক থেকে চট্টগ্রাম বন্দরের পরই বেনাপোল বন্দরের অবস্থান।


প্রতিবছর এ বন্দর দিয়ে ভারত থেকে প্রায় ৪০ হাজার কোটি টাকার পণ্য আমদানি হয়ে থাকে যা থেকে সরকারের প্রায় সাড়ে ৫ হাজার কোটি টাকা রাজস্ব আয় হয়ে থাকে।  বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে প্রতি বছর প্রায় দশ হাজার কোটি টাকা মূল্যের বাংলাদেশে উৎপাদিত বিভিন্ন পণ্য ভারতে রফতানি হয়। ২০১৮-১৯ অর্থবছরের রফতানি হয়েছিল চার লাখ এক হাজার ১৭৭ মেট্রিক টন পণ্য। করোনার মধ্যে ২০১৯-২০ অর্থবছরে রফতানি হয়েছে তিন লাখ ৩৮ হাজার ৮২৯ মেট্রিক টন পণ্য।


শেয়ার করুন

সম্পর্কিত সংবাদ