Verified সুফিয়ান ফারাবী - (Dhaka)
প্রকাশ ০৫/০৩/২০২২ ১২:৫০পি এম

স্বাধীনতাবিরোধীরা আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর বিরুদ্ধে গুজব ছড়িয়ে ইমেজ নষ্ট করতে চাচ্ছে

স্বাধীনতাবিরোধীরা আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর বিরুদ্ধে গুজব ছড়িয়ে ইমেজ নষ্ট করতে চাচ্ছে
স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ের মতো এখনো মানবতাবিরোধীরা বাংলাদেশের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন ইসলামী ঐক্যজোটের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মিসবাহুর রহমান চৌধুরী।

তিনি বলেন, দেশবিরোধী একটি চক্র বাংলাদেশের আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে গুজব ছড়িয়ে তাদের ইমেজ নষ্ট করতে চাচ্ছে। যা দিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ইমেজ নষ্টের অপচেষ্টা চালাচ্ছে।

আজ (৫ মার্চ শনিবার) জাতীয় প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে ইসলামী ঐক্যজোটের চেয়ারম্যান এ মন্তব্য করেন।

তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যখন আমেরিকা, বৃটেন, কানাডাসহ বিভিন্ন দেশে সফরে যান তখন ঐ সমস্ত দেশে বসবাসকারী আওয়ামী লীগ নেতারা পদ-পদবি নিয়ে মারমুখী অবস্থান নেন। কিছু নেতা-কর্মী ছাড়া বেশিরভাগ নেতারা আওয়ামী লীগ সভানেত্রীর সফর শেষ হলেই তাদের দায়িত্বের কথা ভুলে যান। অন্যদিকে সরকার বিরোধী ও স্বাধীনতার বিরোধিরা এক হয়ে দিনরাত মিথ্যাচার চালিয়ে যাচ্ছে।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কিছু ঘটনা ছাড়া দেশের জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাস দমনে তাদের কার্যক্রম প্রশংসনীয় দাবি করে মিছবাহুর রহমান চৌধুরী বলেন, এসব বাহিনী উগ্র জঙ্গিবাদীদের তৎপরতা প্রায় নির্মূল করেছে। এই উগ্রবাদীরা আমাদের দেশকে আফগানিস্তান ও পাকিস্তানের মধ্যে জঙ্গিদের অভয়ারণ্য করতে চেয়েছিল। এই অপরাধগুলো নিয়ন্ত্রণে আনতে কিছু কিছু ক্ষেত্রে কিছুটা ব্যতিক্রম হলেও তাদের প্রতি জনসমর্থন এখন পর্যন্ত বহাল আছে।

সংবাদ সম্মেলনে মিছবাহুর রহমান চৌধুরী আরো বলেন, গ্যাস, ভোজ্য তেলসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের বাজারমূল্য সীমাহীন বৃদ্ধি পেয়েছে। বাজারের ওপর সরকারের কোনো নিয়ন্ত্রণ আছে বলে মনে হয় না। বাণিজ্যমন্ত্রী যেদিন ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বৈঠক করেন সেই দিন থেকে আরেক ধাপ বৃদ্ধি পায়। রমজান মাস সামনে রেখে একশ্রেণীর কালোবাজারি নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য মজুদ করে কৃত্রিমভাবে মূল্য বৃদ্ধি করছে। আমরা এর বিরুদ্ধে সরকারের কঠোর হস্তক্ষেপ কামনা করি।

সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে মিছবাহুর রহমান চৌধুরী বলেন, একশ্রেণীর সরলমনা আলেম ষড়যন্ত্রকারীদের ফাঁদে পা দিয়ে তাদের তাণ্ডবের দায়ভার বহন করেছেন। অনেকের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে, অনেকে কারাগারে আছেন। এরা বেশির ভাগ কওমি মাদ্রাসার শিক্ষ কিংবা মসজিদের ইমামের দায়িত্ব পালন করতেন। সরকার নিকট দাবী করবো, পবিত্র রমজান মাস শুরু হওয়ার পূর্বে সাম্প্রতিক সময়ে গ্রেফতার হওয়া আলেমদের জামিনে মুক্তি দেওয়া হোক।

এছাড়া সঠিক তদন্তের মাধ্যমে নাশকতায় জড়িতদের বিচারের মাধ্যমে শাস্তি দেওয়ার দাবিও তোলা হয় সংবাদ সম্মেলনে।

শেয়ার করুন

সম্পর্কিত সংবাদ