Md. Motahar hossain.
প্রকাশ ০৫/০৩/২০২২ ০৩:১৭পি এম

মিঠাপুকুরে তেলের ঘাটতি পুরনে সূর্যমুখীর চাষ বাড়ছে

মিঠাপুকুরে তেলের ঘাটতি পুরনে সূর্যমুখীর চাষ বাড়ছে
ad image
মিঠাপুকুরে তেল জাতীয় ফসল সূর্যমুখীর চাষ বাড়ছে। গত বছরের তুলনায় এ বছর এ উপজেলায় ৬০ হেক্টর জমিতে সূর্যমুখীর আবাদ করা হয়েছে। মিঠাপুকুর উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর অফিস সূত্রে জানা গেছে, গত বছর মিঠাপুকুরে মাত্র ৫ হেক্টর জমিতে সূর্যমুখী চাষ হয়েছিল। চলতি মৌসুমে তা দাঁড়িয়েছে ৬০ হেক্টর। উপজেলার দুর্গাপুর, কাফ্রিখাল, পায়রাবন্দ ও রাণীপুকুর ইউনিয়নে সূর্যমুখীর চাষ বেশি হয়েছে। এবার সরকারের প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় ২০০ কৃষককে বিনা মূল্যে সার দেয়াসহ সূর্যমুখী চাষের কলাকৌশল শিখিয়ে উদ্বুদ্ধ করা হয়।

সূর্যমুখীর চাষ করা কৃষকরা জানান, ফসল বিক্রির নিশ্চয়তা পাওয়ায় তারা এফসল চাষে আগ্রহী হয়েছেন। এবার ভালো দাম পেলে আগামী মৌসুমে আরও বেশী জমিতে চাষ করবেন। মিঠাপুকুর উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা লোকমান হেকিম জানান, প্রতি শতকে সূর্যমুখীর ১২ কেজি বীজ উৎপাদন হয়। ১০০ কেজি বীজ থেকে ৪৪ লিটার তেল পাওয়া যায়। প্রতি মণ বীজের দাম ২ হাজার ৪০০ টাকা। এই কর্মকর্তা আরো বলেন, সূর্যমুখী বীজ বিক্রি নিয়ে কৃষকের চিন্তা নেই। কারণ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর কৃষকদের কাছ থেকে এ বীজ কিনে নেবে।

এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মুহাম্মদ সাইফুল আবেদীন জানান, রংপুর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. ওবাইদুর রহমান মন্ডলের পরিকল্পনা ও দিকনির্দেশনায় এ বছর অধিক পরিমাণ জমিতে সূর্যমুখী চাষ করা হয়। সয়াবিন তেলের বিকল্প হিসেবে সূর্যমুখী, সরিষা চাষ বাড়ানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। এ বছর হাইব্রিড জাতের বীজ সরবরাহ করা হয়েছে। ভালো ফলন পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সয়াবিন ও সরিষার তেলের তুলনায় সূর্যমুখীর তেল স্বাস্থ্যের জন্য বেশী উপকারী।

শেয়ার করুন

ad image

সম্পর্কিত সংবাদ