Md.Shahidul Islam - (Bandarban)
প্রকাশ ০৫/০৩/২০২২ ০৩:১৬পি এম

বান্দরবানের কদুখোলায় নবজাতকের আসল মা- বাবার হদিস পাওয়া গেলো!

বান্দরবানের কদুখোলায় নবজাতকের  আসল মা- বাবার হদিস পাওয়া গেলো!
ad image
সদর উপজেলার ৪নং সুয়ালক ইউনিয়নের কদুখোলা ৩নং ওয়ার্ডে সদ্য ভুমিষ্ট একটি শিশুকে বস্তা পেচানো অবস্থায় গত ২৭ফেব্রুয়ারী পুলিশ উদ্ধার করে। পরে আদালতের মাধ্যমে স্থানীয় নুরুল ইসলাম ও হামিদা দম্পতিকে নবজাতক শিশুটিকে দত্তক হিসেবে দিয়ে দেন। যা বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়।

চাঞ্চল্যকর এই ঘটনার ৪র্থ দিনের মাথায় সেই বাচ্চার আসল মা,বাবার হদিস পাওয়া গেলো।
৩ মার্চ মোঃ আব্দুস সালাম ও ফারহানা দম্পতি সদর থানায় এসে শিশুটির আসল মা-বাবা বলে পরিচয় দিয়ে থানায় ঘোরাঘুরি করতে থাকে।

শেষে চীফজুডিসিয়াল আদালতের বারান্দায় ঘুরতে থাকে নিজের শিশুকে ফিরে পাবার আশায়। কিন্তু মোঃ আব্দুস সালাম ও ফারহানা নিজেদের নাম পুরোপুরি অস্বীকার করেন।

এ ব্যাপারে সুয়ালক ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ড ইউপি সদস্য রফিকুল আলম বলেন গত ২৭ ফেব্রুয়ারী উদ্ধার কৃত শিশুটির আসল মা-বাবা আদালত ও মুসলিম রীতিনীতি মোতাবেক সকল সিদ্ধান্ত মেনে নিবে মর্মে গত কাল ২মার্চ এসে অঙ্গীকার নামায় স্বাক্ষর করেছে।

শিশুটির মায়ের নাম ফারহানা আক্তার আর বাবার নাম মোঃ আব্দুস সালাম। ফারহানার বাবা আব্দুল মতিন বলেন যেহেতু মেয়ের বিয়ে হয়নি তাই লোকসমাজের চক্ষুলজ্জার ভয়ে শিশুটিকে ফেলে দেওয়া হয়েছিল। ৩নং ওয়ার্ড এর গ্রাম পুলিশ মোঃ ইউসুফ, বলেন শিশুটির আসল পরিচয় খুঁজে পেতে আমাদের খুব কষ্ট হয়েছে।

৩নংওয়ার্ড ইউপি সদস্য রফিকুল আলম বলেন শিশুটির দায়িত্ব কেউ নিতে চাইনি সকলের প্রচেষ্টায় আমরা নিশ্চিত হয়েছি শিশুটির মা ফারহানা আর বাবা আব্দুস সালাম। প্রথমে অস্বীকার করেছিল সকল তথ্য প্রমাণ হাজির করার কারনে স্বীকার করতে বাধ্য হয়েছে। শিশুটির পরিচয় নিশ্চিত করতে না পারলে সমাজের কলংক বলে উল্লেখ করেন পাড়া সর্দার। রফিকুল আলম আরো বলেন নিজেদের মধ্য আলোচনা করে সিদ্ধান্ত হয়েছে আগামী ৬মার্চ রবিবার শিশুটিকে আসল মা -বাবার কাছে ফিরে পাবার আশায় আদালতে আবেদন করা হবে।

এ ব্যাপারে সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম বলেন উদ্ধারকৃত নবজাতককে আদালতের মাধ্যমে নুরুল ইসলাম ও হামিদা দম্পতিকে দেওয়া হয়েছে।

উল্লেখ্য যে স্থানীয় বাসিন্দা আবদুল করিমের স্ত্রী হাসিনা বেগম বাড়ির পাশের খালে মাছ ধরতে গেলে বস্তা পেচানো অবস্থায় একটি নবজাতক বাচ্চার কান্না শুনতে পায় পরে তারা বাচ্চাটিকে উদ্ধার করে নিজেদের কাছে রাখে পরে জরুরি সেবা ৯৯৯ এ কল করলে সদর থানা পুলিশ ২৭ ফেব্রুয়ারী রবিবার রাত ৯ঃ৩০ ঘটিকার সময় শিশুটিকে নিজেদের হেফাজতে নিয়ে নেন।

শেয়ার করুন

ad image

সম্পর্কিত সংবাদ