Md shohag Hossen - (Patuakhali)
প্রকাশ ১৮/০২/২০২২ ১১:১২পি এম

মির্জাগঞ্জে নির্বিঘ্নে দখল হচ্ছে খাল, দেখার কেউ নেই

মির্জাগঞ্জে নির্বিঘ্নে দখল হচ্ছে খাল, দেখার কেউ নেই
ad image
খালগুলো বাঁধ দিয়ে কেউ নির্মান করছে চলাচলের রাস্তা, কেউ কেউ কাঁচা-পাকা ভবন করে দখলে নিচ্ছে খাল।এতে বাধাগ্রস্থ হচ্ছে পানি প্রবাহ।নিরব ভুমিকায় প্রশাসন।যেন দেখার কেউ নেই। প্রধানমন্ত্রীর নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে থেমে নেই খাল ও জলাশয় দখল। প্রভাবশালীদের ছত্রচ্ছায়ায় সাধারণ মানুষ খাল দখল করে বিভিন্ন স্থাপনা নির্মাণ করছে। এমনই দখলের কবলে পড়েছে উপজেলার নয়াগাঙ্গুলী, বেড়েধন,বেবাঝিয়াখালী ও মালিবাড়িসহ বিভিন্ন খাল।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, উপজেলার সুবিদখালী গার্লস স্কুল সংলগ্ন মালিবাড়ি খালাটি বালি ফেলে ভরাট করে দখলে নিচ্ছে শানু হাওলাদার, হানিফসহ খালের পারে বসবাসরতরা। খালটি নয়াগাঙ্গুলী থেকে শুরু হয়ে বকশী খালে মিলিত হয়েছে।এছাড়াও দেখা যায়, উপজেলার পশ্চিম সুবিদখালী এলাকার বাধঘাট এলাকার বেবাঝিয়া খাল দখল করে পাকা স্থাপনা নির্মান করছে পবিত্র দাস ও রনোজিত দাস নামে ব্যক্তিরা। আরও দেখা মিলে আব্বাস নামে একজন খালের মাঝে পাকা টয়লেট নির্মান করেছে। অনেকেই বসতবাড়ি নির্মাণের পাঁয়তারা করছে। ফলে খালের স্বাভাবিক পানিপ্রবাহ বন্ধ হয়ে গেছে। একসময় এ খাল দিয়ে যুগ যুগ ধরে ক্ষড় স্রোত বয়ে যেতো এবং পালতোলা তোলা নৌকা চলাচল করত। মানুষ মালপত্র নিয়ে যাতায়াত করত। এখন সবই বন্ধ হয়ে গেছে।

এলাকাবাসীর দাবি, শিগগিরই খাল পুনরুদ্ধার করে পানির স্বাভাবিক প্রবাহ ফিরিয়ে আনা হোক।অভিযুক্ত শানু হাওলাদার, হানিফ মুন্সি, পবিত্র ও রনজিত সহ একাধিক দখলদাররা বলেন,এসব আমাদের ক্রয় করা জমি।আমরা খাল দখল করিনি।যদি সরকারি খালের জমি হয় তবে আমাদের স্থাপন সড়িয়ে নিবো।উপজেলা সহকারী কমিশনার( ভুমি) মোঃ রায়হান-উজ্জামান বলেন, খবর পেয়ে ঘটনা স্থালে গিয়ে উভয়কে কাজ বন্ধ রাখা নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এব্যাপারে পটুয়াখালী জেলা প্রশাসক মোঃ কামাল হোসেন জানান, খাল দখলদারের বিরুদ্ধে গ্রহন করা হবে।

শেয়ার করুন

ad image

সম্পর্কিত সংবাদ