Kamruzzaman Milon
প্রকাশ ১৭/০২/২০২২ ০১:২০পি এম

মিঠাপুকুরে জমি রক্ষায় কৃষক পরিবারের মানববন্ধন

মিঠাপুকুরে জমি রক্ষায় কৃষক পরিবারের মানববন্ধন
ad image
মিঠাপুকুর উপজেলার ০৩ নং পায়রাবন্দ ইউনিয়নের শালমারা নদীর জমি খননের কাজ করছে মিঠাপুকুর বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ।ভূ-উপরিস্থ পানির সর্বত্তম ব্যবহার এবং নদীতে বৃষ্টির পানি ধরে রাখতে খননকাজ করছে নিয়োজিত ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান।কিন্তু জমি খননের সময় দেখা যায়,শালমারা লতিবপুর গ্রামে নদীর দক্ষিণ পাশে নদীর একটি অংশে কিছু স্থানীয় কৃষকদের জমি রয়েছে।যেসব জমির মালিক স্থানীয় বাসিন্দারা বলে দাবি জানান।

আজ-১৬ ফেব্রুয়ারী(বুধবার) আনুমানিক বিকাল ৪ টায় উপজেলার শালমারা বাজার”সংলগ্ন “নদী খননের নামে কৃষকের জমি দখল না করার দাবি জানিয়ে মানববন্ধন করে জমির মালিক এবং ভুক্তভোগীরা। মানববন্ধন-কারী কৃষক নুর রহমান,নুরুজ্জামানসহ অনেকে জানান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক রংপুর,কর্তৃক নুর -রহমানসহ স্থানীয় কৃষকদের কিছু জমি লিজ প্রদান করে।নদী সংলগ্ন কিছু “মালিকানাধীন”জমি তিনি দলিল এবং বর্তমান (এসএ) রেকর্ড অনুযায়ী ক্রয় করে ১৯৮৭ সালে সহ কয়েকটি দলিলমূলে তাদের নামে কবলা দলিল সম্পন্ন করেন।নুর রহমান বলেন,তারা বর্তমান মাঠ রেকর্ড অন্তর্ভুক্তসহ নিয়মিত খাজনা প্রদান এবং খারিজ করে নিজেদের নামে হোল্ডিং করেন এবং নিয়মিত জমির খাজনা প্রদান করে আসছেন।

অতিরিক্ত জেলা প্রশসক(রাজস্ব) এসএ রেকর্ড অনুযায়ী১৭ সেপ্টেম্বর ১৯৮৭ সালে ২৩৩০(৫) নং স্মরক মোতাবেক সায়রাত তালিকা হইতে দুটি দাগে ৮.৫৮ একর জমি হইতে ৬.৫০ একর জমি ব্যক্তি মালিকানা ঘোষণা করেন এবং যাহার বর্তমান মালিক নুর রহমান গং-উক্ত জমি নুর রহমান গং-তাদের চাষবাদীয় জমি হিসেবে চাষবাদ করে আসছে।মানববন্ধনে নুর রহমান গং-দাবী করেন ৬.৫০ শতাংশ জমি তাদের বাঁচার সম্বল।একটি পক্ষ উস্কানিমূলক ষড়যন্ত্র করে,নদী খননকাজ ব্যাহত করে তার সম্পত্তির উপর নজর দিয়ে তাদের সম্পত্তি নদীর জমি বলে গুজব রটিয়ে আসছেন।যার কোন ভিক্তি নাই।

মানববন্ধনে জমির আনুষাঙ্গিক কাগজ পত্রাদি,দলিল,সহকারী কমিশনার(ভূমি) ও তহসিলদার কর্তৃক আদালতে প্রতিবেদন দাখিলের বিভিন্ন নথি তুলে ধরে জমি নিজেদের সত্যতা নিশ্চিত করেন। নুর রহমান তার ৬.৫০ শতাংশ জমি যদি নদীর পানির গতিপথ এবং শালমারা নদীর পানি প্রবাহের জন্য প্রয়োজন পড়ে তাহলে তিনি সরকারকে অধিগ্রহণ করার দাবি জানান।

শেয়ার করুন

ad image

সম্পর্কিত সংবাদ