About Us
Nazrul
প্রকাশ ২৪/০৮/২০২০ ১১:১৯এ এম

লেভানডোভস্কির চ্যাম্পিয়নস লিগ জয়, অদম্য বায়ার্নের হেক্সা

লেভানডোভস্কির চ্যাম্পিয়নস লিগ জয়, অদম্য বায়ার্নের হেক্সা Ad Banner

২০১২-১৩ মৌসুমে ওয়েম্বলি স্টেডিয়ামে শিরোপা হাতছাড়ার কষ্ট নিয়ে দেশে ফিরে যান রবার্ট লেভানডোভস্কি। সেবার বায়ার্ন মিউনিখের কাছে হেরে স্বপ্নভঙ্গ হয়েছিল পোলিশ স্ট্রাইকারের। তখন বরুশিয়া ডর্টমুন্ডের তারকা ছিলেন তিনি। ওই মৌসুম শেষে অবশ্য বায়ার্নে যোগ দেন লেভানডোভস্কি।


তবে বায়ার্নে লেভানডোভস্কি আসলেও ফাইনালের টিকিট কিছুতেই খু্ঁজে পাচ্ছিলেন না। ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর দাপটে চারবারই শিরোপা জেতে রিয়াল মাদ্রিদ। অবশেষে দীর্ঘ সাত বছর পর ফাইনালে ওঠেন লেভানডোভস্কি। বলতে গেলে এবার বায়ার্নকে ফাইনালে তুলতে সবচেয়ে বেশি অবদান পোলিশ তারকার। কারণ আসরে সর্বোচ্চ ১৫টি গোল করেন তিনি। এবার আর খালি হাতে পোল্যান্ডে যেতে হচ্ছে না তাঁকে। ফরাসি ক্লাব প্যারিস সেন্ট জার্মেইকে হারিয়ে ষষ্ঠবারের মতো শিরোপা জিতল জার্মান জায়ান্টরা। আর ক্যারিয়ারের অভিষেক ইউরোপ সেরার সোনালি ট্রফি জিতলেন পোলিশ সুপারস্টার।  


পর্তুগালের লিসবন স্টেডিয়ামে প্রথম বারের মতো ফাইনালে ওঠা পিএসজির মুখোমুখি হয় বায়ার্ন। জার্মান গোলরক্ষক ম্যানুয়েল নয়্যার যেন বিখ্যাত বার্লিন প্রাচীর হয়ে হাজির হন লিসবনে। আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে গিয়ে বায়ার্ন ডিফেন্স দুর্বল করলেও কাউন্টার অ্যাটাকে গোল আদায় করতে পারেনি ফরাসিরা। এমনকি জার্মানদের অভিজ্ঞ ডিফেন্ডার জেরোমে বোয়েটাং চোট পেয়ে মাঠের বাইরে যাওয়ার পরও। পিএসজি তারকা নেইমার ও এমবাপে যেন ছায়া হলেন ফাইনালের চাপে। যে দলটি চ্যাম্পিয়নস লিগে টানা ৩৪ ম্যাচে গোল করল তারাই কিনা জাল খুঁজে পেল না। ডি মারিয়াও এবার স্কোরশিটে নাম লেখাতে পারেননি।


অপরদিকে, লেভানডোভস্কিও প্রথমার্ধে একাধিক সুযোগ পেয়ে কাজে লাগাতে পারেননি। বিরতির পর ন্যাব্রি অহেতুক ফাউল করেন নেইমারকে। এতে দুপক্ষে উত্তেজনা ছড়ায়। ফলে হলুদকার্ড পান বায়ার্নের ন্যাব্রি ও পিএসজির পারদেস। ৫৯ মিনিটে দারুন এক গোছালো ফুটবলে গোল করে বাভারিয়ানরা। জোশুয়া কিমিচের ক্রস থেকে হেডে গোল করেন কিংসলে কোম্যান। 


এর কয়েক মিনিট পর ব্যবধান দ্বিগুণের সুযোগ পেলেও কোম্যানের ভলি রুখে দেন ব্রাজিলিয়ান ডিফেন্ডার থিয়াগো সিলভা। আর পিএসজির আরেক ব্রাজিলিয়ান তারকা মারকুইনহোসের দুর্বল শট ঠেকিয়ে দেন নয়্যার। শেষদিকে একের পর এক আক্রমণ করলেও গোল আদায় করতে পারেনি পিএসজি। আর ১-০ গোলে পিএসজিকে হারিয়ে চলতি মৌসুমে ট্রেবল জিতল বাভারিয়ানরা। মজার ব্যাপার হলো ২০২০ সালে ২১ ম্যাচের সবকটিতে জিতল বায়ার্ন মিউনিখ।  এতে বুন্দেসলিগা ও জার্মান কাপের শিরোপাও জেতে বায়ার্ন।


শেয়ার করুন

সম্পর্কিত সংবাদ