Monir
প্রকাশ ১৪/০২/২০২২ ০১:০১পি এম

১০ টাকার গোলাপ আজ ১০০ টাকা!

১০ টাকার গোলাপ আজ ১০০ টাকা!
ad image
আজ ভ্যালেন্টাইন ডে বা ভালোবাসা দিবস। ভালোবাসা নিবেদনের জন্য ফুলই যেন একমাত্র নিদর্শন। তাই উপহার হিসেবে গোলাপের চাহিদা সবার উপরে। লাল, হলুদ, সাদা কিংবা গোলাপি রঙা হলেও গোলাপের ভাষা ও আবেদনেও আছে মাহাত্ম্য। এদিকে আজ পহেলা ফাল্গুন, নানা আয়োজনে বসন্তকে বরণ করে নেওয়া হচ্ছে।

প্রিয়তমাকে ভালোবাসা দিবস ও পহেলা ফাল্গুনের শুভেচ্ছা জানাতে সাধ্যমত উপহার কিনছেন অনেকে। একইসঙ্গে কিনছেন ফুলও। একদিনে দুই আমেজে তাই বেড়েছে ফুলের কদর। ভ্যালেন্টাইন ডে-কে কেন্দ্র করে শহরের অলিগলিতে পসরা সাজিয়ে বসেছেন স্থায়ী-অস্থায়ী ফুল বিক্রেতারা। সুযোগ বুঝে তারা ভালোবাসার এই প্রতীকের দাম বাড়িয়েছেন কয়েকগুণ।

তবে গোলাপ কিনতে গিয়ে দাম শুনে হোঁচট খাচ্ছেন কেউ কেউ। রাজধানীতে স্থানভেদে আজ একটি গোলাপ বিক্রি হচ্ছে ১০০-১২০ টাকায়। অথচ স্বাভাবিক সময়ে একটি গোলাপ বিক্রি হতো ১০-১৫ টাকায়।
রাজধানীর বেশ কিছু সড়ক ঘুরে দেখা গেছে, রাস্তার পাশে অবস্থিত ফুলের দোকান ছাড়াও ফুটপাতে ঝাকায় বা ভ্যানে করে নানা রকমের ফুল নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন বিক্রেতারা। এসব স্থায়ী-অস্থায়ী দোকানগুলোতে বিক্রেতারা বড় সাইজের লাল গোলাপের দাম চাচ্ছেন ১০০-১২০ টাকা। এছাড়া সাদা গোলাপ ৮০ থেকে ১০০ এবং ছোট আকৃতির লাল গোলাপ বিক্রি হচ্ছে ৭০ থেকে ৮০ টাকায়। সূর্যমুখী ১শ টাকা ও গাঁদা ফুলের স্টিক ৩০-৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এদিকে ফুলের তোড়া ছোট-বড় ভেদে বিক্রি হচ্ছে ৪০০ থেকে ১৫০০ টাকায়।

গতকাল রবিবার সকালে প্রতিটি গোলাপ বিক্রি হয়েছে স্থানভেদে ৫০-৬০ টাকায়। সেটি দুপুর গড়িয়ে বিকেল হতেই দাম বেড়ে দাঁড়িয়েছিল ৭০-৮০ টাকায়। রাত পোহাতেই বাড়লো আরও এক দফা দাম।

গোলাপের এতো দাম কেন- এমন প্রশ্নের জবাবে রাজধানীর ভাটার নতুন বাজার এলাকায় সজিব নামের এক ভ্রাম্যমাণ ফুল বিক্রেতা বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, বছরে এই দিনটিতেই ফুলের বেচাকেনা বেশি হয়। যাতায়াত ভাড়া, আনুষাঙ্গিক খরচ মিলিয়ে গোলাপের কেনা দাম বেশি পরে যাচ্ছে। তাই গোলাপের দাম চাচ্ছি ১০০ টাকা। ৮০-৯০ টাকায় যার কাছ থেকে যেভাবে পারছি নিচ্ছি।

এদিকে শুধু ফুল ব্যবসায়ীরাই নয়, বসন্ত বরণ, ভালোবাসা দিবস ও মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে অনেকেই একদিনের জন্য ফুলের ব্যবসায় নেমে পরেন। ফুটপাতের ক্ষুদ্রব্যবসায়ীরাও বেশি লাভের আসায় এ দিনগুলোতে ফুলের ব্যবসায় ঝোকেন। ফুটপাতের গেঞ্জি বিক্রেতা ফারুক বলেন, বছরের এই দিনগুলোর অপেক্ষায় থাকি। শাহবাগ থেকে ফুল এনে রাস্তায় ফুল বিক্রি করি। দাম বেশি হলেও অনেকে ফুল কিনে নিয়ে যান। তবে কেউ কেউ দাম শুনেই চলে যান।

শেয়ার করুন

ad image

সম্পর্কিত সংবাদ