Monir
প্রকাশ ১৪/০২/২০২২ ০৫:১৭পি এম

কেন স্মরণ করবেন জয়নাল-কাঞ্চন-দীপালিদের

কেন স্মরণ করবেন জয়নাল-কাঞ্চন-দীপালিদের
ad image
১৯৮২ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর শিক্ষা দিবসে সামরিক সরকারের শিক্ষামন্ত্রী মজিদ খান-এর শিক্ষানীতি বাতিলের দাবি তোলে ছাত্র সংগঠনগুলো। ছাত্ররা মনে করেছিল, এই নীতিতে দরিদ্র শিক্ষার্থীরা উচ্চশিক্ষা থেকে বঞ্চিত হতে পারেন। আর এ আন্দোলন জন্ম দেয় ১৯৮৩ সালের রক্তাক্ত ১৪ ফেব্রুয়ারির। রাজপথে সেইদিন ঝরেছিল জয়নাল, জাফর, কাঞ্চন, দীপালীসহ আরও অনেকের প্রাণ। কালের গহ্বরে দিনটিতে সেই শহীদদের স্মরণ সীমিত হয়ে আসে।

সেই আন্দোলনে জড়িত ছাত্রনেতারা বলছেন, এই দিনটি আমাদের বারবার শেকড় সন্ধানী করে। এই শহীদদের আত্মত্যাগ স্মরণ করা জরুরি। কেননা ১৯৮৩ থেকে ১৯৯০ সময়টাতে যারা ত্যাগ স্বীকার করেছেন, তাদের লক্ষ্য পরিপূর্ণভাবে অর্জিত হয়নি।


১৯৮৩ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ মজিদ খানের কুখ্যাত শিক্ষানীতি প্রত্যাহার, বন্দি মুক্তি ও গণতান্ত্রিক অধিকারের দাবি ও গণমুখী, বৈজ্ঞানিক ও অসাম্প্রদায়িক শিক্ষানীতির দাবিতে ছাত্র জমায়েত ডাকে। হাজার হাজার শিক্ষার্থীদের শান্তিপূর্ণ মিছিলটি হাইকোর্টের গেটের সামনে ব্যারিকেডের সামনে বসে পড়ে এবং ছাত্রনেতারা তারের ওপরে উঠে বক্তৃতা শুরু করে। এসময় পুলিশ বিনা উসকানিতে তারের একপাশ সরিয়ে রায়ট কার ঢুকিয়ে দিয়ে রঙিন গরম পানি ছেটাতে থাকে, বেধড়ক লাঠিচার্জ, ইট-পাটকেল ও বেপরোয়া গুলি ছুড়তে শুরু করে। গুলিবিদ্ধ হন জয়নাল, এরপর গুলিবিদ্ধ জয়নালকে বেয়নেট দিয়ে খুঁচিয়ে খুঁচিয়ে মারা হয়।

শেয়ার করুন

ad image

সম্পর্কিত সংবাদ