Aminur Rahman - (Manikganj)
প্রকাশ ১১/০২/২০২২ ১২:১৩পি এম

অনাকাঙ্ক্ষিত বৃষ্টিতে গাজর চাষিদের মাথায় হাত

অনাকাঙ্ক্ষিত বৃষ্টিতে গাজর চাষিদের মাথায় হাত
ad image
মানিকগঞ্জের সিংগাইর উপজেলা গাজর চাষে বিখ্যাত। প্রতি বছর গাজর বিক্রি করে স্বাবলম্বী হয় উপজেলার অধিকাংশ কৃষক। এবছর গাজরের বীজের দাম ছিলো বেশি, ফলন হয়েছে কম, বাজারে গাজরের দামও কম। এতে কৃষকরা গাজর বিক্রি করে বীজের দামও পাচ্ছেন না।

জানা গেছে, উপজেলার কিটিংচর, দশআনি,ছয়আনি,ভাকুম, লক্ষীপুর,কানাই নগর,বানিয়াড়া,কাংশা, খড়ারচর,দুর্গাপুর ও আজিমপুরসহ বিভিন্ন গ্রামের শত শত কৃষক প্রতিবছরের মতো এবারও গাজর চাষ করেছেন। বীজের দাম বেশি হওয়ায় বেড়েছে উৎপাদন খরচ। আবহাওয়া অনুকূলে না থাকায় ফলনও হয়েছে কম। আবার বাজারে কমেছে গাজরের দাম। এতে লাভবান না হয়ে ক্ষতির মুখে পড়ছে গাজর চাষীরা।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানাগেছে, উপজেলায় এবছর প্রায় ১০ হাজার হেক্টর জমিতে গাজর চাষ হয়েছে। প্রতি বিঘা গাজর ক্ষেতে কৃষকদের ক্ষতি হয়েছে প্রায় ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকা। রাজগাটা গ্রামের গাজর চাষী মোঃ মগর আলী জানান, ৩০ হাজার টাকা খরচ করে এক বিঘা জমিতে গাজর চাষ করেছি। পাইকারি ব্যবসায়ীরা গাজর ক্ষেতের দাম বলেন ৫ হাজার টাকা। পরে বিক্রি না করে গবাদিপশুকে খাওয়াচ্ছি। খানবানিয়াড়া গ্রামের গাজর চাষি আবুল হোসেন বলেন, ১ কেজি গাজরের বীজ এবার ১৮ হাজার টাকায় কিনেছি। আবহাওয়া অনুকূলে না থাকায় ফলনও হয়েছে কম। গাজর ক্ষেত বিক্রি করবো কিন্তু পাইকার পাচ্ছি না।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা টিপু সুলতান সপন বলেন, অনাকাঙ্ক্ষিত বৃষ্টির কারণে এবছর গাজরের ফলন তেমন ভালো হয়নি। এছাড়া বাজারে গাজরের দামও কম। গাজর চাষিদের সরকারিভাবে সহযোগিতার আশ্বাস দেন এই কৃষি কর্মকর্তা।

শেয়ার করুন

ad image

সম্পর্কিত সংবাদ