রফিকুল ইসলাম - (Joypurhat)
প্রকাশ ১১/০২/২০২২ ০৬:২৭পি এম

নিজের মার্কাতে ভোট দিয়েও ফলাফল শূন্য, অনিয়ম ও কারচুপির অভিযোগ

নিজের মার্কাতে ভোট দিয়েও ফলাফল শূন্য, অনিয়ম ও কারচুপির অভিযোগ
ad image
নিজের মার্কায় ভোট দিয়েও সেই ভোটের ফলাফল শূন্য দেখানো হয়েছে এমন অভিযোগ, ভোট কারচুপি, সিল মারা ব্যালট বই উদ্ধার,শৃঙ্খলা বর্হিভূত কর্মকান্ড সহ নানা অনিয়মের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন করেছে জয়পুরহাটের পাঁচবিবির কুসুম্বা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের পরাজিত ৯ মেম্বার প্রার্থী। বৃহষ্পতিবার সকাল ১০ টায় শহরের বাটার মোড় এলাকায় একটি রেস্তোঁরায় এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় ।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন, কুসুম্বা ইউনিয়ন পরিষদের বর্তমান প্যানেল চেয়ারম্যান ও পরাজিত ৯ নং ওয়ার্ডের মেম্বার প্রার্থী রবিউল ইসলাম রানা।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, ঐ ইউনিয়নের পরাজিত বিভিন্ন ওয়ার্ডের মেম্বার প্রার্থী আব্দুর রহমান, সাইফুল ইসলাম চৌধরী, আব্দুল মান্নান, ইউসুফ আলী, নিয়ামুল হাসান মতিন, ওয়াজেদ আলী, হেলাল মন্ডল, শ্রী মতি সুরভি রানী সহ অন্যনরা।

লিখিত বক্তব্যে রবিউল ইসলাম রানা নানা অনিয়ম ও কারচুপির অভিযোগ এনে বলেন,আমি ৯ নং ওয়ার্ডের মেম্বার প্রার্থী। আমার মার্কা ছিলো তালা, আমি, আমার পরিবার ও আত্বীয় স্বজন ভোট দিয়েছি কিন্তু নির্বাচন কমিশন থেকে আমার ভোটের ফলাফল শূন্য দেখানো হয়েছে। এছাড়াও ৯ নং ওয়ার্ডের শালাইপুর উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে আপেল মার্কায় সীল মারা ১০০টি ব্যালটের একটি বই স্থানীয়রা উদ্ধার করে, কিন্তু সংশ্লিষ্ঠ কারো বিরূদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। এছাড়াও অনান্য ওয়াডের্র পরাজিত প্রার্থীদের পোলিং এজেন্টদের ভয় ভীতি ও জোড় করে বেড় করে দেন। ১ নং ওয়াডের ধুরইল মাদরাসা কেন্দ্রে ভোট গ্রহন শেষ হওয়ার ১ ঘন্টা আগে প্রিজাইডিং অফিসার জোড় করে ব্যালট বাক্স নিজ জিম্মায় নেন। ভোট গণনার সময় ভাঁজ করা ছাড়াই ৪০ টি করে ব্যালট এক সাথে পাওয়া যায়। ৭ম ধাপের গত ৭ই ফেব্রয়ারী কুসম্বা ইউনিয়নের ভোটে সুক্ষ কারচুপী ও প্রহসনের নির্বাচন হয়েছে। অনান্য পরাজিত প্রার্থীরাও নানা অনিয়মের অভিযোগ তোলেন ও তারা দ্রুত আইনি ব্যাবস্থা নেবেন ।


এ ব্যাপারে পাঁচবিবি উপজেলা নির্বাচন অফিসার ও রিটানিং কর্মকর্তা জানান, সংশ্লিষ্ঠ প্রিজাইডিং অফিসার যে ভাবে রেজাল্ট দিয়েছে আমরা সে ভাবে প্রকাশ করেছি। শালাইপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে ব্যালটের ব্যাপারে আইন শৃঙ্খলা বাহিনী দায়িত্বে ছিলো তারাই বলতে পারবে। কোনো প্রার্থীর সংক্ষুদ্ধ হলে নির্বাচনী ট্রাইবুনালে মামলা করতে পারেন।

শেয়ার করুন

ad image

সম্পর্কিত সংবাদ