সম্পাদনাঃ শামীম বখতিয়ার - (Dhaka)
প্রকাশ ০১/০২/২০২২ ১১:৪৮এ এম

আত্মকেন্দ্রিক নারী সর্বদা ভয়ঙ্কর

আত্মকেন্দ্রিক নারী সর্বদা ভয়ঙ্কর
ad image
প্রতিটি আত্মকেন্দ্রিক নারী
চরম স্বার্থপর-
সেই মহিলা নিজেকে এবং তার বাবা-মা ছাড়া কাউকে ভাবে না।
তবে আমি ড্যাম সিওর কোনো পুরুষ
কোনোভাবেই ওই নারীকে সুখী করতে পারে না।

তারা তাদের সুবিধার জন্য সবকিছু করতে পারে।
যদি তারা কারো প্রেমে পড়ে
সেই মানুষের জীবন জাহান্নাম করে ছাড়বে এতে কোন সন্দেহ নেই।
যতক্ষণ আপনি তার চাহিদা পূরণ করতে পারেন
ততক্ষণ পর্যন্ত আপনি তার কাছে ভালো।

এই নারীদের ধারণা তারা কখনো ভুল করেন না।
তাদের চিন্তাধারা ধ্যান-ধারণা সবকিছু ভুল।
এটি যখন আপনি প্রমাণ করতে যাবেন।
তখন আপনি তার চ্যাপ্টার থেকে ক্লোজড
অথবা একদম ডিলিট হয়ে যাবেন।

এই নারীরা ভুলের মধ্যে জীবন যাপন করলেও
তারা বুঝতে পারে না তাদের সবকিছুই ভুল- সবকিছুই অযৌক্তিক।
যদি আপনি তাদের চিন্তাভাবনা সম্পর্কে খুব দ্রুত বুঝতে পারতেন, তবে আপনার জন্য ভালো ছিল।

এই নারীরা কোনরকম যদি বুঝতে পারে আপনি তাকে অতিরিক্ত ভালোবাসতেন
তাহলে আপনি তার অপরাধ লীলার জন্য সারাজীবন কষ্ট পাবেন।

আপনি তাকে সবকিছু দেওয়ার পরেও
আপনার প্রতি তার চাওয়া-পাওয়ার আকাঙ্খা বেড়ে যাবে কারণ সে জেনে গেছে আপনি তাকে খুব ভালবাসেন। তাহলে সে আপনার দুর্বলতার সুযোগ নেবে।

এই মহিলারা যেমন নিজেরা সুখী হতে পারে না, তেমনি তারা আপনাকেও কখনো সুখী করতে পারবেনা।

পুরুষদের জীবনের সবচেয়ে কঠিন সিদ্ধান্ত হল একজন ভালো সঙ্গী নির্বাচন করা।
একজন পুরুষ যদি তার জীবনের জন্য একজন ভালো নারী সঙ্গী বেছে নিতে ব্যর্থ হন।

তবে তার পরের দিনগুলো যে ভয়াবহ রকমের দুর্বিষহ জীবন নিয়ে আসবে তাতে কোনো সন্দেহ নেই।
একজন পুরুষকে (পুরুষ এবং মহিলা) অবশ্যই প্রেমে নিঃস্বার্থ হতে হবে।

আমি তোমাকে ভালোবাসি,
এই তিনটি শব্দ শুধু শব্দ নয়।
এই তিনটি শব্দ শুধু মুখের কথা নয়।
এই কথার দরুন যেন হৃদয়ের অনুভূতিগুলো প্রকাশ পায়। এ যেন হৃদয়ের চিরন্তন বার্তা
যা মৃত্যুর আগ মুহূর্ত পর্যন্ত মনে রাখতে হবে
মৃত্যুর পরেও মানুষ এই তিনটি শব্দকে আঁকড়ে ধরে বেঁচে থাকতে পারে।
এটাই ভালোবাসার চিরন্তন অঙ্গীকার।

এইসকল আত্মকেন্দ্রিক নারীর হৃদয় বলে কিছু থাকেনা।

একজন পুরুষ সেই মহিলার সম্পর্কের শুরু থেকেই যদি বুঝতে পারে তার অর্থের ক্ষুধা মেটাতে ব্যর্থ হবে। তবে তাকে এড়িয়ে চলা উত্তম।

যে আপনাকে প্রকৃত ভালোবাসে সে আপনার অর্থকে বিবেচনায় রাখবে না।
সে বিবেচনায় রাখবে আপনার ভালোবাসাকে এমনকি আপনাকে।
সে মনে রাখবে আপনি তার জন্য কতটা গুরুত্বপূর্ণ সে মনে রাখবে আপনি কতোটা তার জন্য ইম্পরট্যান্ট পারসন।

যে নারী অর্থ ছাড়া কোন কিছুই চিন্তা করে না যে নারী কথায় কথায় উগ্র মেজাজ দেখায় অথবা আপনাকে তুচ্ছ তাচ্ছিল্য করে ভৎসনা করে। কোন যাচাই-বাছাই অথবা বিবেচনা ছাড়াই আপনাকে ভুল বুঝবে।
তবে আপনাকে জানতে হবে যে মহিলাটি আপনাকে কখনই ভালোবাসেনি।

আমাদের বর্তমান প্রেক্ষাপটে সম্পর্ক মানেই দেওয়া-নেওয়া, মনের দিক দিয়ে কোনোভাবেই তারা স্যাটিসফ্যাকশন অর্জন করতে পারে না তাদের জীবনে কি চাই! একজন প্রকৃত মানুষ নাকি তার অর্থ বিত্ত। নাকি প্রতিমাসে নতুন নতুন বাহারি পোশাকের কালেকশন অথবা সপ্তাহে চারদিন ডিনার, লাঞ্চ। ঘুরতে নিয়ে যাওয়া।

এই দেওয়া-নেওয়ার সীমাবদ্ধ মানসিকতা সেই নারীকে কতটা আগ্রেসিভ করে তোলে তা সে নিজেও জানে না।

এই বিষয়গুলো একজন নারী যতটা দেরিতে অনুভব করতে পারে।
ততোটাই তাড়াতাড়ি সে নিজেকে ধ্বংসের দিকে নিয়ে যাবে।

আপনার সম্পর্কের বন্ধন অনুভব করতে হবে যখন এটি অনুভূতি এবং আবেগ (পুরুষ এবং মহিলা) দ্বারা প্রকাশ করা হয়। কিন্তু যেখানে কোনো বন্ধন নেই কোনো ভালোবাসা নেই যেখানে দৃঢ় আত্মবিশ্বাস নেই সেখানে বুঝতে হবে সেই নারী সম্পর্কের মূল্য বোঝেনা এবং সে সম্পর্কের প্রকৃত ক্ষেত্র তৈরি করতে ব্যর্থ হয়েছে।
সেখানে একজন পুরুষের জন্য উত্তম কিছু নেই।

একজন মানুষের জীবনের প্রকৃত সম্পর্ক তৈরি না হওয়া পর্যন্ত পারস্পরিক বোঝাপড়া তৈরি হয় না।
ছোটখাটো ভুল ধারণার মধ্যে আপসহীন চিন্তাভাবনা তৈরি না হওয়া পর্যন্ত।
ততক্ষণ পর্যন্ত বুঝতে পারবেন সম্পর্কটা একটা ঝুলন্ত সেতুর মতো।

কথায় অবহেলা ভুল বোঝাবুঝি সম্পর্কের বাধ্যবাধকতাকে নষ্ট করে দেয়।

যে সম্পর্কের মধ্যে একজন আরেকজনকে কথা বলার অধিকার দেয় না-
মনে রাখবেন এটা কোনো সম্পর্ক নয়।
সেখানে নেই কোন ভালোবাসা
যেখানে চাহিদার সীমাবদ্ধতার বিস্তৃত পরিসর রয়েছে
ভালবাসা নামক অসীম পাহাড় এখানে কোন ভাবেই আকর্ষণীয় নয়।


মানুষের জীবনে অপূর্ণতা থাকতে পারে
অনুশোচনা থাকতে পারে, ভুল থাকতে পারে
কথায়-কথায় সম্পর্ককে উপেক্ষা করলে সম্পর্কের ভিত থাকেনা।
তখন দূরত্ব থাকবে সেই দূরত্ব হলো একে অপরের থেকে যোজন-যোজন দূরত্ব।

যদি বলি আমি সারাজীবন তোমার সাথে থাকতে চাই
যদি বলি আমি শুধু তোমাকে ভালোবাসি
এবং সর্বদা আমি তোমাকে ভালবাসব।
এই কয়েকটি শব্দ যখন একজন মহিলা বা পুরুষের ভিতরে থাকে।
এতে দারুন একটি সুচিন্তা সৃষ্টি হতে পারে কিন্তু সেখানে কখনো কেও অন্যায় করতে পারবে না।

আপনি যখন একজন প্রতারককে বলবেন আমি তোমাকে অনেক ভালোবাসি
তখন যদি কেও এই কথার দরুন আপনার থেকে সুবিধা নেয়
তাহলে সে সবসময় আপনার থেকে সুবিধা নেবে
আজকাল প্রেম সপ্তাহে তিন দিন রেস্টুরেন্টে
ডিনার বা লাঞ্চ
মাসে দুবার কয়েকবার শপিং করতে নিয়ে যাওয়া
আর একজন নারীর অকারণে অর্থের প্রয়োজন সার্ভাইভ করা আপনার জন্য কঠিন হয়ে পড়বে।

তবে এই কাজগুলো সঠিকভাবে করতে পারলে আপনার চেয়ে ভালো আর কেউ নেই।
কিন্তু এখন প্রেম কলার খোসার মতো
বা ভাজা বাদামের মত
ভাজা বাদামের ভিতরে যতক্ষণ ভালো থাকে ততক্ষণ আপনি ভালো থাকবেন

ততক্ষণ পর্যন্ত আপনি ঠিক আছেন
যখন দেখবেন বাদামের ভেতরটা নষ্ট হয়ে গেছে, তখন তা মুখ থেকে ফেলে দিতে সময় নেবেন না।
আপনার জীবন টাও তেমনই হবে।



এটি ঠিক একজন প্রতারক মহিলার চরিত্র
এই আত্মকেন্দ্রিক মহিলারা যা চায় তার বাইরে কিছু ভাবতে পারে না।
তারা তাদের সুবিধা এবং আপনার অসুবিধার চেয়ে তাদের সুবিধাগুলিকে বেশি গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করে।

তারা সম্পর্ক টিকিয়ে রাখার চেয়ে ব্রেক আপ করতেই বেশি পারদর্শী। ভালোবাসার মানে তারা কখনোই বুঝতে পারে না। হাজার বার বিপদে পড়লেও বারবার সেই পথে যায়।

তাদের কোন আবেগ নেই, অনুভূতি নেই
এই আবেগ নেই বলেই তারা এত খারাপ আচরণে কৃপণ নয়।

তারা নিজেরাই নরকের মতো জ্বলতে থাকে
তারা নিজের মতো করে অন্যদের জীবন দিতে চায়
একইভাবে, সে অন্যের জীবন জাহান্নামে পাঠাতে যথেষ্ট দক্ষ।

তারা সবসময় অন্যদের ক্ষতি করার দিকে মনোনিবেশ করে কারণ তাদের মধ্যে সমবেদনা বলে কিছু নেই।
তাদের চাহিদা মেটানোর জন্য সবকিছু করতে পারে সেটা যত বড় অন্যায় হোক না কেন করবেই। কোন অন্যায় অপরাধের মধ্যে, স্বার্থপরতার মধ্যে ভালবাসা নেই। একে অপরের প্রতি নেই কোন শ্রদ্ধা!
এদের জন্যই আজকের সমাজ নষ্ট হয়ে যায়
পরিবারের লোকজন বাইরে বেরোতে পারেনা
তবে যার পুরো পরিবার করাপ্টেড তারা সর্বদা ড্যাম কেয়ার।

শেয়ার করুন

ad image

সম্পর্কিত সংবাদ

MD hedaetul Islam - (Sirajganj)
প্রকাশ ২৭/০২/২০২২ ০৯:৫৫পি এম
MD hedaetul Islam - (Sirajganj)
প্রকাশ ০১/০৩/২০২২ ০৯:৪৩পি এম