Md Nahid Islam - (Naogaon)
প্রকাশ ২৪/০১/২০২২ ১০:৩৫পি এম

Qatar: সমুদ্রতলে ‘গোলাপ’ প্রবাল

Qatar: সমুদ্রতলে ‘গোলাপ’ প্রবাল
ad image
যত দূর দেখা যায়, তত দূরে চোখজুড়ানো প্রবালের সারি। সমুদ্রের তলদেশে এ প্রবালগুলো গোলাপ আকৃতির। তিন কিলোমিটার এলাকাজুড়ে থাকা এই প্রবাল আসলেই নয়নাভিরাম। অবাক করা বিষয় হলো, বৈশ্বিক উষ্ণায়নের মুখে তাপমাত্রা বৃদ্ধির পরও অক্ষত রয়েছে প্রবালগুলো। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সমুদ্রের গভীরে অবস্থানের কারণেই সুরক্ষিত রয়েছে সেগুলো। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল–জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রশান্ত মহাসাগরের তাহিতি দ্বীপে এই প্রবালপ্রাচীরের সন্ধান পাওয়া গেছে। এটি পুরোপুরি গড়ে উঠতে সময় নিয়েছে প্রায় ২৫ বছর। এর মধ্যে কয়েকটি প্রবালের আকৃতি বিশাল। সেগুলোর ব্যাস দুই মিটারের বেশি।

প্রবালপ্রাচীরটির খোঁজ পান সাঁতারুদের একটি বৈশ্বিক দল। তাঁদের নেতৃত্ব দিয়েছেন অ্যালেক্সিস রোজেনফিল্ড নামের এক ফরাসি আলোকচিত্রী। চোখের সামনে প্রবালপ্রাচীরটি দেখে অভিভূত তিনি। রোজেনফিল্ডের ভাষ্য, ‘বিশাল আকারের অপরূপ গোলাপ প্রবালগুলো প্রত্যক্ষ করার বিষয়টি মোহনীয় ছিল। দৃষ্টিসীমার শেষ পর্যন্ত সেগুলো ছড়িয়ে ছিল। এটা যেন এক শিল্পকর্ম।’

এদিকে সারা বিশ্বে প্রবালের জন্য প্রতিকূল পরিবেশ সৃষ্টি করেছে সমুদ্রের তাপমাত্রা বৃদ্ধি। এতে হারিয়ে যাচ্ছে সেগুলোর নজরকাড়া রং। একই অবস্থা হয়েছে অস্ট্রেলিয়ার গ্রেট ব্যারিয়ার রিফে। ২০১৬ সাল থেকে সেখানের ৮০ শতাংশ প্রবাল নষ্ট হয়ে গেছে।

ইউনেসকোর তথ্য বলছে, উষ্ণ পানিতে প্রবালপ্রাচীরগুলোর অবস্থান সর্বোচ্চ ২৫ মিটার গভীর পর্যন্ত হয়ে থাকে। তবে তাহিতির প্রবালপ্রাচীরটির গভীরতা ৩০ থেকে ১২০ মিটারের মধ্যে। এই গভীরতায় ভালোভাবেই আলো পৌঁছাতে পারে, যা প্রবালের বেড়ে ওঠা ও টিকে থাকার জন্য যথেষ্ট।

তাহিতির এই প্রবালপ্রাচীরের আবিষ্কার ইঙ্গিত দিচ্ছে মহাসাগরগুলোতে আরও এমন বড় প্রবালপ্রাচীর থাকতে পারে। কারণ, ইউনেসকোর বিজ্ঞানীদের হিসাবমতে, সাগরের তলদেশের মাত্র ২০ শতাংশ এখন পর্যন্ত সামনে এসেছে।

শেয়ার করুন

ad image

সম্পর্কিত সংবাদ