Gowtom Budha Paul
প্রকাশ ১৭/০১/২০২২ ০৬:২৭পি এম

Moulvibazar: মৌলভীবাজারে বিশ্বশান্তিকল্পে হরিনাম সংকীর্তনের আয়োজন

Moulvibazar: মৌলভীবাজারে বিশ্বশান্তিকল্পে হরিনাম সংকীর্তনের আয়োজন
ad image
মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ উপজেলার পশ্চিম কুমড়াকাপন সার্বজনীন দুর্গাবাড়িতে সারথী যুব সংঘের আয়োজনে বিশ্বশান্তিকল্পে ভগবান শ্রীকৃষ্ণের রাসলীলার সূচনা বিগ্রহ ও শ্রীশ্রী রাধাকৃষ্ণের পূজাঅর্চ্চনাসহ (আগামী ২০- ২২ জানুয়ারী পর্যন্ত) ১২তম বর্ষ অষ্টপ্রহরব্যাপী শ্রীশ্রী হরিনাম ও জপযজ্ঞ মহোৎসবের আয়োজন করা হয়েছে।

উৎসব উপলক্ষে কমলগঞ্জ উপজেলার পশ্চিম কুমড়াকাপন গ্রামে সাজ সাজ রব বইছে। তিন দিনব্যাপী এই উৎসব আয়োজন নিয়ে কথা হয় সারথী যুব সংঘ ও মহোৎসব উদযাপন পরিষদের সঙ্গে।

কথা হয় মহোৎসব উদযাপন পরিষদ ১৪২৮ বাংলার সভাপতি শ্রী অসিত কুমার পালের সাথে। তিনি বলেন, তিন দিনব্যাপী এ উৎসবের প্রথম দিনের আয়োজনে রয়েছে (২০ জানুয়ারি) বৃহস্পতিবার শ্রীশ্রী রাধাকৃষ্ণের পূজাঅর্চ্চনা, সমবেত গীতা পারায়ণ, শ্রীমদ্ভগবদ্ আলোচনা সভা আলোচনা; আলোচনা করবেন শ্রী রাহুল কৃষ্ণ দাস ও অষ্টপ্রহরব্যাপী শ্রীশ্রী হরিনাম ও জপযজ্ঞ মহোৎসবের শুভ অধিবাস কীর্তন; কীর্তন পরিবেশন করবেন বাংলাদেশ বেতারের কন্ঠশিল্পী শ্রী টিটু দাস।

২য় দিনের আয়োজনে রয়েছে (২১ জানুয়ারি) শুক্রবার ব্রাহ্মমৃহূর্ত থেকে হরিনাম সংকীর্তন ও জপযজ্ঞ মহোৎসবের আরম্ভ। সংকীর্তন পরিবেশন করবেন রাধাবিনোদিনী অষ্টসখী সম্প্রদায়; গোপালগঞ্জ, রাধানাথ সম্প্রদায়; সিলেট, পুরোষোত্তম সম্প্রদায়; জুড়ী এবং আশ্রম সম্প্রদায়; রাজনগর, মৌলভীবাজার।

জপযজ্ঞ মহোৎসব পরিচালনা করবেন পশ্চিম কুমড়াকাপন গীতা স্কুলের পরিচালক শ্রী রিপন পাল। তিনি বলেন, তিন দিনব্যাপী এই আয়োজনে গীতা স্কুলের পক্ষ থেকে সব ধরনের প্রস্তুতি গ্রহন করা হয়েছে। আমরা গত প্রায় ৫ বছর যাবৎ হরিনাম সংকীর্তনের পাশাপাশি জপযজ্ঞ পরিচালনা করে আসছি। এই বিষয়ে তরুণ সনাতনী ভক্তদের কাছ থেকে ব্যাপক সারা পেয়েছি।

এবং সর্বশেষ তৃতীয় দিন (২২ জানুয়ারি) শনিবার দধির ভান্ড ভঞ্জন ও মহোৎসবের সমাপন।

অসিত কুমার পাল আরও বলেন, তিন দিনব্যাপী এই আয়োজনে উৎসবকে সফল করতে সনাতনী ভক্তবৃন্দ, গ্রামবাসী, প্রশাসন ও স্থানীয় সরকারের প্রতিনিধিরা বিশেষভাবে সহযোগীতা করছেন। প্রতি বছর লক্ষাধিক ভক্তের সমাগম ঘটে। আমরা আশা করছি এই বছরও ভক্তবৃন্দের উপস্থিতি ও সহযোগিতা পাবো।

সারথী যুব সংঘের বর্তমান সভাপতি শ্রী সম্ভু রুদ্র পাল বলেন, উৎসব উপলক্ষে প্রতিমা কারিগররা ব্যস্ত সময় পার করছেন। আমরা এই বছরে আয়োজন সাজিয়েছি রাধাকৃষ্ণের রাসলীলা নিয়ে।আমাদের কমিটির সদস্যরা দেশব্যাপী নিমন্ত্রণ প্রদান ও প্রণামী সংগ্রহ করছেন।

সাবেক সাধারন সম্পাদক শ্রী বিষ্ণু কান্ত পাল বলেন, গত ১১ বছর ধরে আমরা এই উৎসবের আয়োজন করে আসছি। সিলেট বিভাগ তথা সারা বাংলাদেশের সকল সনাতনী ভক্তবৃন্দের কাছে আমাদের যথাসাধ্য প্রচেষ্টা অনুযায়ী নিমন্ত্রন পাঠানোর চেষ্টা করি। উৎসব উপলক্ষে প্রায় লক্ষাধিক ভক্তের সমাগম ঘটে। গত বছর করোনার কারণে আমরা সীমিত পরিসরে এই আয়োজন করেছি। আমাদের সকল সদস্য এই উৎসব ঘিরে সার্বিক প্রস্তুতি নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন। উৎসবে অংশগ্রহন ও সহযোগিতা করতে যোগাযোগ করতে পারেন ০১৭১৯-৪২৬৮৬৭।

উৎসব উপলক্ষে সকল সনাতনী ভক্তবৃন্দের পদধূলি ও সার্বিক সহযোগিতায় আনন্দময় হয়ে উঠবে এই আয়োজন এমনটাই প্রত্যাশা করেন উৎসব আয়োজক কমিটি।

শেয়ার করুন

ad image

সম্পর্কিত সংবাদ