MAHBUBUR RAHMAN OVI
প্রকাশ ১৬/০১/২০২২ ০৪:০৪পি এম

vulture: উদ্ধার হওয়া বিলুপ্ত প্রজাতির শকুনটি বরগুনায় বনে অবমুক্ত

vulture: উদ্ধার হওয়া বিলুপ্ত প্রজাতির শকুনটি বরগুনায় বনে অবমুক্ত
ad image
গ্রামের থেকে উদ্ধার হওয়া বিলুপ্ত প্রজাতির শকুনটি বরগুনার তালতলী বনে অবমুক্ত করা হয়েছে। শনিবার বিকালে চিকিৎসা শেষে শকুনটিকে তালতলী উপজেলার সোনাকাটা ইকোপার্ক বনে ছেড়ে দেয়া হয় এমনটি জানিয়েছে (১৬ জানুয়ারী ) রোববার বিকালে বরগুনা বন-বিভাগের রেঞ্জার মো. মতিয়ার রহমান । তিনি আরও জানান, জেলার তালতলী উপজেলার সোনাকাটা ইকোপার্ক বনে বিলুপ্ত প্রজাতির শকুনটি অবমুক্ত করা হয়েছে।

শনিবার সকালে বরগুনার পাজরাভাঙ্গা এলাকা থেকে শকুনটিকে আমরা উদ্ধার করি এবং চিকিৎসা শেষে ওই দিন বিকালে তাকে বনে ছেড়ে দেয়া হয়।
এর পূর্বে (১৫জানুয়ারী) শনিবার সকাল সাড়ে ১০ টার দিকে সর্দ উপজেলার পাজরাভাঙ্গা গ্রামের চাঁন মিয়ার বাজারের বাসিন্দাদের হাতে ধরা পড়ে বিপন্ন প্রজাতির ধৃসর রং এর একটি অসুস্থ্য শকুন। পরে গ্রামবাসীরা শকুন পাওয়ার কথা সংবাদকর্মীদের জানায়। বন-বিভাগ কর্তৃপক্ষকে সাংবাদিকগন বিষটি জানালে বরগুনা বন-বিভাগের বন-রক্ষী বায়জীদ হোসেনসহ অন্যরা শকুনটি উদ্ধার করে জেলা প্রানি-সম্পদ হাসাপাতালে নিয়ে আসে।

পরে সেখানের কর্তব্যরত চিকিৎসক উপজেলা প্রাণি-সম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. হাবিবুর রহমান ও ডা. বেনজীর আহমেদ শকুনটিকে চিকিৎসা দেয়।
চিকিৎসার সময় জেলা প্রাণি-সম্পদ কার্যালয়ের উপজেলা প্রাণি-সম্পদ কর্মকর্তার কাযালয়ে বিপন্ন প্রজাতির এ শকুন টিকে ২টি ইনজেকশন দিতে দেখা যায়
উল্লেখ্য বাংলাদেশে প্রায় ৬ প্রজাতির শকুন রয়েছে। এর মধ্যে ৪ প্রজাতি বসবাস করে স্থায়ীভাবে।

যাদের মধ্যে রয়েছে রাজ শকুন, গ্রীফন শকুন, হিমালয়ী শকুন,কালা শকুন ও ধলা শকুন। এরা মৃত্যু জীব-জন্তু খেয়ে বেঁচে থাকে। লোক চক্ষুর আড়ালে বড় গাছে এরা বসবাস করে। প্রকৃতিক ভারসাম্য রক্ষায় শকুন গুরুত্বপূর্ণ ভ‚মিকা রাখে। শকুন রক্ষা করে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করা প্রয়োজন।

শেয়ার করুন

ad image

সম্পর্কিত সংবাদ