Md. Abdur Rahim - (Chapainawabganj)
প্রকাশ ১২/০১/২০২২ ০৫:০০পি এম

Chapainawabganj: কুকুরের উৎপাতে অতিষ্ঠ পৌরবাসী

Chapainawabganj: কুকুরের উৎপাতে অতিষ্ঠ পৌরবাসী
ad image
চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌর এলাকায় মাত্রাতিরিক্ত বেওয়ারিশ কুকুরের উৎপাতে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে পৌরবাসী। দিন ও রাতে ফাঁকা রাস্তা ও বাজার এলাকাগুলোতে বেওয়ারিশ কুকুরের উৎপাত বেশি হওয়ায় পথচারীদের মাঝে আতঙ্ক বিরাজ করছে। এসব কুকুরের কামড় ও আঁচড়ে জলাতঙ্কে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে মনে করছেন সচেতন মহল।

সম্প্রতি জেলা শহরের স্কুল-কলেজ রোড, পাঠানপাড়া পশ্চিম, বাতেন খাঁ মোড়, সেন্টু মার্কেট, নিউ মার্কেট এলাকা, কাঁঠালবাগিচা, হুজরাপুর, শান্তিমোড়, স্কুল-কলেজ রোড, বিশ্বরোড মোড়, পাওয়ার হাউস মোড়সহ বিভিন্ন এলাকা ঘুরে কুকুরের উৎপাত লক্ষ করা গেছে। দিনের বেলা ও রাতে শহরের বিভিন্ন স্থানে কুকুরের উৎপাত বেড়ে গেছে। এতে করে স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থী ছাড়াও পথচারীদের পথ চলা দায় হয়ে পড়েছে।

এলাকাবাসীসহ শিক্ষার্থীদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, যত্রতত্র কুকুরের আনোগোনায় পথচলা মুশকিল হয়ে পড়েছে। তবে উচ্চ আদালত থেকে কুকুর নিধনে নিষেধাজ্ঞা থাকায় পথচারীরা সমস্যায় পড়েছে। ফলে চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভা কুকুর নিধন করতে পারছে না। বেওয়ারিশ কুকুরের উপদ্রব বেড়ে যাওয়ায় আতঙ্কে রয়েছেন তারা। এছাড়া একদিকে কুকুর কামড়ানোর আশঙ্কা অন্যদিকে খাবার নষ্ট করাসহ রাতের বেলায় সংঘবদ্ধ কুকুর দলের চিৎকার-চেঁচামেচিতে ঘুমের ব্যাঘাত ঘটছে।

চিকিৎসকরা বলছেন, কুকুরের কামড়ে সংক্রমণ, টিটেনাস রোগের আশঙ্কা থাকে। শিশুদের নাক-মুখে কুকুর কামড়ালে ৭০ থেকে ৮০ ভাগ ক্ষেত্রেই তারা মারা যায়। কুকুরের কামড়ে বা আঁচড়ে (রক্ত বের না হলেও) জলাতঙ্ক রোগ বেশি হয়।

চিকিৎসকদের মতে, শরীরের কোন অংশে কামড় বা আঁচড় দিয়েছে, তার মাত্রার ওপর নির্ভর করে কতদিনে জলাতঙ্ক দেখা দেবে। সাধারণত এক সপ্তাহ থেকে তিন মাসের মধ্যে লক্ষণ দেখা দেয়। শরীরের নিচের অংশে কামড় বা আঁচড় দিলে এবং এর মাত্রা কম হলে সাত বছর সময়ের মধ্যে যেকোনো সময় জলাতঙ্কে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা থাকে। এ রোগে আক্রান্ত হয়ে গেলে মানুষ সাধারণত বাঁচে না। আক্রান্ত ব্যক্তি অস্বাভাবিক আচরণ করে। ক্ষত স্থানে ব্যথা হয়, জ্বালাপোড়া করে। শ্বাস নিতে কষ্ট হয়, ঢোক গিলতে গলায় ব্যথা লাগে। জ্বরও হতে পারে, খিঁচুনিও হতে পারে। মুখ দিয়ে লালা ঝরে, মেজাজ খিটখিটে হয়ে যায়। ইচ্ছা থাকলেও পানি খেতে পারে না, বাতাস সহ্য করতে পারে না। মৃত্যুর আগে আলো দেখলে ভয় পায়। আবার পা থেকে শুরু করে পুরো শরীর অবশ হয়ে যেতে পারে।

শেয়ার করুন

ad image

সম্পর্কিত সংবাদ