Robiul Islam - (Rajshahi)
প্রকাশ ০৯/০১/২০২২ ০৪:৪৭পি এম

Rajshahi: বাঘায় ইউনিয়ন বিএনপি'র কাউন্সিল নির্বাচন অনুষ্ঠিত

Rajshahi: বাঘায় ইউনিয়ন বিএনপি'র কাউন্সিল নির্বাচন অনুষ্ঠিত
ad image
রাজশাহীর বাঘায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বি.এন.পি'র তৃ-বার্ষীক ইউনিয়ন নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার (৯ জানুয়ারী) মনিগ্রাম ইউনিয়ন বিএনপি' কাউন্সিল নির্বাচনের ভোট গ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে।

উপজেলার মনিগ্রাম ইউনিয়নের কাউন্সিল নির্বাচনের ভোট গ্রহন অনুষ্ঠিত হয়েছে বাঘা থানা বিএনপির আহ্বায়ক ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান ফকরুল ইসলাম বাবলু'র পাকুড়িয়া ইউনিয়নস্থ ময়েনের মোড় সংলগ্ন নিজ বাড়ির নির্মাণাধীন ভবনের ছাদে। সকাল থেকে ভোট গ্রহন শুরু হয়ে শেষ হয় দুপুরে।

জানা যায়, উপজেলার মনিগ্রাম ইউনিয়নের প্রতিটি ওয়ার্ডে ৩ টি করে ৯ টি ওয়ার্ডে মোট ২৭ জন্য ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন।

এ নির্বাচনে সভাপতি পদে মনিগ্রাম ইউনিয়ন বিএনপি'র সভাপতি হেলাল উদ্দিন রিয়াল আনারস মার্কা এবং ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক ও ৯ নং ওয়ার্ড সভাপতি মামুনুল হক চেয়ার মার্কা,সাধারণ সম্পাদক পদে ৭ নং ওয়ার্ড বিএনপি সদস্য আব্দুস সামাদ মুকুল ফুটবল মার্কা ও ৯ নং ওয়ার্ড সভাপতি বজলুল করিম আম মার্কা,সাংগঠনিক সম্পাদক পদে ৭ নং ওয়ার্ড সহ সভাপতি সাইদুর রহমান কালু টিউবওয়েল মার্কা ও ৫ নং ওয়ার্ড এর সাধারণ সম্পাদক শরিফুল ইসলাম রাহুল মই মার্কা এবং ১ নং ওয়ার্ড সদস্য তৈয়ব আলী তালা মার্কা সহ তিনটি পদে মোট ৭ জন প্রতিদ্বন্দীতা করেন।

ভোট গ্রহন শেষে ফল ঘোষণা করেন বাঘা থানা বিএনপির আহ্বায়ক ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান ফকরুল ইসলাম বাবলু। সভাপতি পদে মামুন আল হক চেয়ার মার্কা প্রতিকে ১৩ ভোট পেয়েছেন, তার প্রতিদ্বন্দী হেলাল উদ্দিন রিয়াল আনারস মার্কা প্রতিকে ১৪ ভােট পেয়ে ১ ভোটে বিজয়ী হন। সাধারণ সম্পাদক পদে বজলুল করিম আম মার্কা প্রতিকে ১০ ভোট পেয়েছেন, প্রতিদ্বন্দী আব্দুস সামাদ মুকুল ফুটবল মার্কা প্রতিকে ১৭ ভোট পেয়ে ৭ ভোটে বিজয়ী হয়েছে। সাংগঠনিক সম্পাদক পদে সাইদুর রহমান কালু টিউবওয়েল মার্কা প্রতিকে ১০ ভোট, শরিফুল ইসলাম রাহুল মই মার্কা প্রতিকে ১০ ভোট এবং তৈয়ব আলী তালা মার্কা প্রতিকে ০৭ ভোট পেয়েছে।

ভোট গ্রহনের সময় ভোটার এবং দলীয় নেতা কর্মীদের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি লক্ষ করা গেছে।তবে দুইজন প্রার্থী সমান ভোট পাওয়ায় সাংগঠনিক সম্পাদক পদে ফল ঘোষণা স্থগিত রয়েছে বলে জানা যায়।

সাইদুর রহমান কালু বলেন, আমি দীর্ঘ ৩৫ বছর ধরে দলের সাথে অতঃপ্রত ভাবে জড়িয়ে আছি।
দলের জন্য সীমাহীন ত্যাগও করেছি। আমার বিরুদ্ধে দলীয় মামলায় তিন দফায় ৪৫ দিন কারা ভোগ করেছি। এছাড়াও বর্তমানে আমার বিরুদ্ধে দলীয় ১২ টি মামলা চলমান রয়েছে। আজকের নির্বাচনে সাংগঠনিক সম্পাদক আমি ১০ ভোট পেয়েছি, একই পদে আরও একজন ১০ ভোট পেয়েছে। তিনি নিজে ভোটার হওয়ার সুবাদে ১ ভোট বেশি পেয়ে আমার সমকক্ষ হয়েছে। কিন্তুু আমি প্রার্থী হিসেবে আমার নিজের ভোট দিতে পারিনি। সেই অর্থে আমিই একটা ভোট বেশি পাওয়ার কথা। তারপরও জেলা কমিটির সিদ্ধান্ত আমি মেনে নেব।

বাঘা থানা বিএনপির আহ্বায়ক ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান ফকরুল ইসলাম বাবলু বলেন, প্রশাসনিক সহায়তায় স্বতঃস্ফূর্ত ভাবে ভোট গ্রহন তথা নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে।

শেয়ার করুন

ad image

সম্পর্কিত সংবাদ