Md shohag Hossen - (Patuakhali)
প্রকাশ ০৮/০১/২০২২ ০৯:৪৪এ এম

Patuakhali: একই মুক্তিযুদ্ধার নামে দুই ঘর বরাদ্দ

Patuakhali: একই মুক্তিযুদ্ধার নামে দুই ঘর বরাদ্দ
ad image
পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলায় একজন মুক্তিযোদ্ধার নামে দু’টি সরকারি ঘর দেয়া হয়েছে। দু’টি ঘরের একটিতে তিনি বসবাস করছেন। আর অন্যটি উত্তোলনের প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। ওই মুক্তিযোদ্ধার নাম আবদুল গনি হাওলাদার। তার ছেলে বর্তমানে আলিপুর ইউনিয়নের ইউপি সদস্য। এ নিয়ে ঘর না পাওয়া অস্বচ্ছল মুক্তিযোদ্ধাদের মাঝে অসন্তোষ বিরাজ করছে।

উপজেলা নির্বাহী অফিস ও বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, মুজিবর্ষ উপলক্ষে অস্বচ্ছল গৃহহীন বীর মুক্তিযোদ্ধা পরিবারকে বরিশাল বিভাগীয় কমিশনারের ডিও পত্রের আলোকে প্রতিটি উপজেলার রাজস্ব তহবিল থেকে গৃহ নির্মাণ করার জন্য সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। ওই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী দশমিনা উপজেলার আলীপুর ইউনিয়নের চাঁদপুরা গ্রামের আবদুল গনি হাওলাদারের আবেদনের বিপরীতে তার নামে একটি ঘর বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। বর্তমানে ওই ঘরে আবদুল গনি হাওলাদার বসবাস করছেন।

চলতি ২০২১-২২ অর্থ বছরে অসহায় ও অস্বচ্ছল মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য সরকার ঘর নির্মাণ করার সিদ্ধান্ত নিলে উপজেলা প্রশাসন বাছাই শুরু করে। কিন্তু ওই বাছাইতে পুনরায় মুক্তিযোদ্ধা আবদুল গনি হাওলাদারের নামে ঘর বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। তার ছেলে বর্তমানে ইউপি সদস্য এবং উপজেলা যুবলীগের নেতা।

এ নিয়ে ঘর না পাওয়া অস্বচ্ছল মুক্তিযোদ্ধাদের মাঝে অসন্তোষ বিরাজ করছে। এ বিষয় মৃত বীর মুক্তিযোদ্ধা মোজিবুর রহমানের ছেলে মাহবুল খন্দকার অভিযোগ করে বলেন, ‘আমি অন্যের দেয়া জমিতে ভাঙাচুরা ঘরে থাকি। উপজেলা পরিষদে আমি ৩বার আবেদন করেও কোনো ঘর পাই নাই। কিন্তু একজনে দুইটা ঘরর পাইছে।’ মুক্তিযোদ্ধা আবদুল গনি হাওলাদার ও তার ছেলে ইউপি সদস্য ইয়াকুব হোসেন দু’টি ঘর পাওয়ার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ‘বর্তমানে মুক্তিযোদ্ধাদের নামে যে ঘরটি আমাদের দেয়া হয়েছে আমরা এই ঘরের জন্য আবেদন করেছিলাম।

কিন্তু মুজিববর্ষ উপলক্ষে বিভাগীয় কমিশনার স্যারের চিঠির আলোকে তৎকালীন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আল-আমিন স্যারের অনুরোধে উপজেলা পরিষদ থেকে দেয়া আগের ঘরটি নিয়েছিলাম। আমরা তখন নিতে চাইনি।’ সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) বলেন, ‘একটি নাম দুইবার এসেছে। কিন্তু ঘর একটি হয়েছে, অন্যটি এখনো হয়নি। দুইবার নাম আসায় উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানিয়েছি। উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে।

শেয়ার করুন

ad image

সম্পর্কিত সংবাদ