Manir Ahmed Azad - (Chattogram)
প্রকাশ ০৫/০১/২০২২ ০২:০৩এ এম

Chittagong: লোহাগাড়ায় এক বিধবাকে ঘরছাড়া করতে ভাড়াটিয়ার হয়রানীর অভিযোগ

Chittagong: লোহাগাড়ায় এক বিধবাকে ঘরছাড়া করতে ভাড়াটিয়ার হয়রানীর অভিযোগ
ad image
চট্টগ্রামের লোহাগাড়ায় এক ভাড়াটিয়া কর্তৃক বাড়ি মালিক বিধবার বসতভিটে জোরপূর্বক দখলের পায়তারায় লিপ্ত হয়ে মিথ্যা মামলা হয়রানীর অভিযোগ পাওয়া গেছে। অভিযোগকারি ভুক্তভোগী হলেন উপজেলা আমিরাবাদ ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের সুখছড়ি অযুধ্যা পাড়ার বাসিন্দা পান্না মজুমদার (৪২)।

স্থানীয় আমিরাবাদ ইউপি’তে তার দাখিলকৃত লিখিত অভিযোগে জানা যায়, প্রতিপক্ষ সুবজ দাশ ২০২১ সালে তার কুড়েঘরটি ভাড়া নিয়ে বসবাস শুরু করেন। কিন্তু বিগত ১ টি বছর অতিবাহিত হলেও তাকে কোন ভাড়া পরিশোধ না করে উল্টো কুড়েঘর সমেত পুরো ভিটিবাড়ির জায়গা প্রতিপক্ষ দাবি করে নানা প্রকার হয়রানী করে আসছে। বিধবা পান্না মজুমদার একমাত্র ছেলে উৎসব মজুমদার (১৫)কে নিয়ে ওই ভিটিবাড়ি সংলগ্ন পৈত্রিক বাড়িতে বসবাস করেন। তিনি ২০১৪ সালে মীরা রাণী রক্ষিত প্রদত্ত সাফ কবলা (নং-৪৩১৯, তাং-২৮/১২/২০১৪) মূলে উক্ত বসতভিটের জায়গা খরিদ করেন। উক্ত জায়গায় গৃহনির্মাণ সামগ্রী মজুদ করলে বিবাদী বাঁধা প্রদান সহ চতুর্দিকের ঘেরাবেড়া খুঁটি উপড়ে ফেলে। বিষয়টি স্থানীয় ভাবে মীমাংসার জন্যে ইউপি চেয়ারম্যানের নিকট লিখিত অভিযোগ করলে প্রতিপক্ষ ইউপি চেয়ারম্যান ও মেম্বার কারো শালিসী বৈঠকে সাড়া না দিয়ে বাদীনিকে মারধরসহ নানা প্রকারের হয়রানী করে আসছে।

মঙ্গলবার ইউপি চেয়ারম্যান মো. ইউনুস, সদস্য এরশাদুজ্জামান, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের উপস্থিতিতে সরেজমিনে পরিদর্শন করে প্রতিবেশী লোকজনের সাক্ষ্যদানে বিধবা পান্না মুজমদারকে ঘরছাড়া করতে প্রতিপক্ষের হয়রানীর সত্যতার সন্ধান মেলেছে বলে জানিয়েছেন।

ভূক্তভোগীর মা রুনু দাশ জানায়, আমরা নিরীহ মানুষ। সে এলাকার চিহ্নিত একজন বাটপার। সে সুকৌশলে আমার মেয়ের কুঁড়ে ঘরটি ভাড়ায় গ্রহণের পর থেকে মদ গাজা বিক্রি করে লাখ লাখ টাকার মালিক এবং সে ও বাহিরের লোকজন ওই ঘরে বসে মদ গাজা খেয়ে প্রায় সময় মাতলামি করে। সে একজন মিথ্যাবাদী, প্রতারক, অন্যের সম্পদ লুন্টনকারী ও মাদক সেবনকারী। সেখানে দিনরাত মদ, জুয়া ও ইয়াবা সেবন করে যাচ্ছে। ভয়ে তার অপকর্মের বিরুদ্ধে কেউ কথা বলেনা। আমার মেয়ে বাধা দিলে সে মামলা দিয়ে উচিত শিক্ষা দিবে বলে হুমকি দেয়। আমার মেয়ের নিরাপত্তার জন্যে আমাদের সাথে বসবাস করায় সে ইচ্ছে মতো কুড়েঘরটি ভাড়ায় নিয়ে এমন অপকর্ম চালিয়ে যাচ্ছে। এছাড়াও সবুজ দাশ ও তার ভাই মিন্টু দাশ আমাদের কে বার বার হুমকি দিচ্ছে।

ভূক্তভোগী পান্না মজুমদার বলেন, আমার স্বামী নেই এবং একমাত্র ছেলে উৎসব মজুমদারকে নিয়ে বাপের বাড়িতে থাকি। অনেক কষ্ট করে নির্মাণ সামগ্রী মজুদ করে একটি ঘর নির্মাণের উদ্যোগ নিলে প্রতিপক্ষ একের পর এক হয়রানীমূলক নির্যাতনে আমার জীবন পযুর্দস্ত করে দিয়েছে। তাই দ্রুত প্রতারক সবুজ দাশের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করে আমাদের পরিবারের সকল শান্তিতে থাকতে পারি প্রশাসনে নিকট দাবি জানাচ্ছি।

শেয়ার করুন

ad image

সম্পর্কিত সংবাদ