Nayan Das - (Rangpur)
প্রকাশ ৩০/১২/২০২১ ০৪:২২এ এম

Kurigram: উত্তরের হিমেল হাওয়া ও ঠান্ডায় কুড়িগ্রামে বিপর্যস্ত জন-জীবন

Kurigram: উত্তরের হিমেল হাওয়া ও ঠান্ডায় কুড়িগ্রামে বিপর্যস্ত জন-জীবন
ad image
পৌষ-মাঘ মাস নিয়ে শীতের ব্যাপ্তিকাল। আর ইংরেজি মাসের হিসাবে ডিসেম্বরের মাঝামাঝি থেকে ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি পর্যন্ত শীতকাল। এসময় মানুষের দুর্ভোগের শেষ থাকে না।

কুড়িগ্রামের আকাশে বুধবার(২৯ ডিসেম্বর) সকাল থেকে রয়েছে হিমেল হাওয়া, মেঘলা আকাশ। গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি হয়েছে থেমে থেমে। নেই সূর্যের দেখা। তুলনামুলক শীতের শুরুতেও শীত না থাকায় শীতের ভরা মৌসুমেও বিগত বারের চেয়ে বুধবার তাপমাত্রা একটু বেশী বলে জানিয়েছে কুড়িগ্রামের রাজারহাটে অবস্থিত কৃষি আবহাওয়া ও পর্যবেক্ষন কেন্দ্র।

রাজারহাট আবহাওয়া অফিস জানায়, অনান্য বার পৌষের এই সময়টিতে কুড়িগ্রামের তাপমাত্রা ১০-১১ ডিগ্রি সেলসিয়াস পরিলক্ষিত হলেও এবার বুধবার (২৯ ডিসেম্বর) সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১৩ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

সরেজমিনে বুধবার ভোরে বিভিন্ন এলাকা ঘুরে শীতের দেখে মেলেনি। চারিদিকে মেঘলা অৎআকাশ পরিলক্ষিত হয়েছে। এসময় থেমে থেমে গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি হতে দেখা গেছে। শীত না থাকলেও হিমেল হাওয়ায় শির শির বাতাসে দূর্ভোগ নিয়ে কর্মের সন্ধানে ছুটে চলতে দেখা গেছে দিনমজুর, খেটে-খাওয়া ও শ্রমজীবী মানুষজনকে। মেঘলা অাকাশ ও থেমে থেমে গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি হওয়ায় দুঃশ্চিন্তায় পড়েছেন খেটে-খাওয়া মানুষজন।

চর যাত্রাপুর এলাকার জেলা শহরগামী ঘোড়ার গাড়ি চালক অায়নাল মোল্লা জানান, তিনি জেলা শহরে যাচ্ছেন ঘোড়ার গাড়ি নিয়ে। তবে শীত না থাকলেও শিরশির বাতাসে ঠান্ডা অনুভুত হচ্ছে। কিন্তু অাকাশ মেঘলা ও থেমে থেমে গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি হওয়ায় দুঃশ্চিন্তায় পরেছেন তিনি। মুষলধারে বৃষ্টি হলে ভাড়া না মেলার অাশঙ্কা তার। পৌষের এই সময়ে অাকাশে এমন মেঘ ও বৃষ্টি কখনো দেখেননি বলে জানান তিনি।

ভোগডাঙ্গা এলাকার দিনমজুর জলিল মিয়া জানান, তিনি কয়েক ধরে সর্দি কাশিতে ভুগতেছিলেন। অাজ কিছুটা সুস্থ অনুভব করায় কাজের সন্ধানে ঘর হতে বের হয়েছেন। কিন্তু কাজের সন্ধানে বের হয়ে শীতের ভরা মৌসুমেও আকাশে ঘন মেঘ দেখে কাজ না মেলার আশঙ্কা তার। শীতের সময়ে এমন বৈরী আবহাওয়াকে তিনি আল্লাহ'র গজব নেমে এসেছে বলে জানান।

রাজারহাট আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সুবল চন্দ্র সরকার জানান,
বায়ু চাপের তারতম্যের কারনে অাকাশ মেঘলা এবং থেমে থেমে গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি হচ্ছে। যা আগামী ২৪ ঘন্টা পর্যন্ত অব্যাহত থাকতে পারে। তবে পৌষের এই সময়টিতে শীত বেশী থাকে এবং তাপমাত্রা কমে যায়। কিন্তু অাজ শীত নেই, রয়েছে হিমেল হাওয়া এবং তাপমাত্রা অনান্য বারের তুলনায় সামান্য বেশী। তবে অাগামী জানুয়ারি মাসের প্রথম সপ্তাহে মৃদু শৈত্য প্রবাহ বয়ে যেতে পারে।

জেলা ত্রাণ ও পুর্নবাসন কর্মকর্তা আব্দুল হাই সরকার জানান,জেলার ৯ উপজেলা ও ৩ পৌরসভায় ৩৫ হাজার ৭ শত কম্বল বরাদ্দ রাখা হয়েছে । যা ইতিমধ্যে বিতরণ চলছে । পাশাপাশি উপজেলা ভেদে ৮ থেকে ১৪ লাখ টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে শীতের পোশাক কেনার জন্য।

শেয়ার করুন

ad image

সম্পর্কিত সংবাদ