Rakib Monasib
প্রকাশ ২৮/১২/২০২১ ১২:১৭পি এম

Kamalapur Train Washing Plant: ভুল সিদ্ধান্তে বাংলাদেশ রেলের ক্ষতি ৩৬ কোটি টাকা

Kamalapur Train Washing Plant: ভুল সিদ্ধান্তে বাংলাদেশ রেলের ক্ষতি ৩৬ কোটি টাকা
ad image
ঢাক ঢোল পিটিয়ে উদ্বোধনের দুই মাস পরই রেল কর্মকর্তারা বলছেন ভুল জায়গায় বসেছে কমলাপুরের ট্রেন ওয়াশিং প্ল্যান্ট। ট্রেন পরিষ্কারের সময় ও অর্থ সাশ্রয়ের কথা বলে প্রকল্প নেওয়া হলেও, হয়েছে তার উল্টো। কাজে আসছে না ৩৬ কোটি টাকা ব্যয়ে রাজশাহী ও ঢাকার দুই ওয়াশপ্ল্যান্টের। ভুল স্বীকার করে প্রকল্প পরিচালক বলছেন, সুফল পেতে এবার নিতে হবে কমলাপুর রেলস্টেশনের অবকাঠামো পরিবর্তনের আরও একটি প্রকল্প।

এর আগে চলতি বছরের ৮ নভেম্বর বিশাল আয়োজনে রেলপথ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্যদের সঙ্গে নিয়ে কমলাপুর রেলস্টেশনে আধুনিক ট্রেন ওয়াশপ্ল্যাটের উদ্বোধন করেন রেলমন্ত্রী। সেদিন প্রকল্প পরিচালক জানিয়েছিলেন, দেড় ঘণ্টার পরিবর্তে ট্রেন পরিষ্কার করতে সময় লাগবে মাত্র ১০ মিনিট।

কিন্তু তারপরও কমলাপুর থেকে ছেড়ে যাওয়া ট্রেনগুলো পরিষ্কারে শ্রমিকরাই ভরসা এখনও। শুধুমাত্র ট্রেনের বাইরের অংশ পরিষ্কারের জন্য ওয়াশপ্ল্যান্ট বসানো হলেও সেই কাজই করছেন প্রতিদিন অন্তত ৭০ জন চুক্তি ভিত্তিক শ্রমিক। প্রতিদিন ৩২টি ট্রেন ওয়াশপ্ল্যান্টে পরিষ্কারের কথা থাকলেও সম্ভব হয় ৫ থেকে ৭টি।

প্রথমে ট্রেনের ভেতর পরিষ্কার করেন শ্রমিকরা। এরপর বাইরের অংশ পরিষ্কার জন্য ঢুকানো হয় ওয়াশপ্ল্যান্টে। শ্রমিকদের দাবি সেটিও করতে পারে না নতুন এই প্রযুক্তি। ফলে তাদের কাজ বেড়ে দ্বিগুণ।

এ বিষয়ে ট্রেন পরিষ্কাররত এক শ্রমিক বলেন, হাতে যে কাজটি করি সেটি ওই প্ল্যান্টে সম্ভব হয় না।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, প্লাটফরম থেকে তিনবার ইঞ্জিন পরিবর্তন আর তিন স্থানে কোচ থামিয়ে নেয়া হয় ওয়াশপ্ল্যান্টে, ফলে বেড়েছে ভোগান্তি।

ওয়াশপিট ইনচার্জ মো. হাদিউজ্জামান জানান, অবকাঠামোগতভাবে ভুল জায়গায় বসেছে ওয়াশপ্ল্যান্ট, তাই মিলছে না সুফল।

তিনি বলেন, এটা যদি সামনের সাইডে হতো, তাহলে যখনই রেলগুলো ওয়াশপিটে ঢোকানো হচ্ছে তখনই পরিষ্কার হয়ে চলে আসতো। এখন ওদিকে হওয়ার কারণে কাজ দ্বিগুণ বেড়ে
গেছে।

সব বাস্তবতা স্বীকার করে প্রকল্প পরিচালক ফকির মো. মহিউদ্দিন বলছেন, এর পূর্ণাঙ্গ সুফল পেতে এবার নিতে হবে কমলাপুর রেলস্টেশনের অবকাঠামো পরিবর্তনের আরও একটি প্রকল্প।

তিনি বলেন, প্ল্যান্টটি একেবারে পূর্ণমাত্রায় ব্যবহার করতে গেলে কমলাপুর রেল স্টেশনের অবকাঠামোগত নতুন পরিবর্তন প্রয়োজন। এ নিয়ে আমাদের একটি পরিকল্পনা আছে। সেটা করা গেলে প্ল্যান্টটি পূর্ণমাত্রায় ব্যবহার করা যাবে।

রাজশাহীর ওয়াশপ্ল্যান্টটিরও একই অবস্থা বলে জানা গেছে।

শেয়ার করুন

ad image

সম্পর্কিত সংবাদ