Feedback

জাতীয়

৬ মাসেই চাঁদাবাজির রাজত্ব কায়েম করেন লিয়াকত

৬ মাসেই চাঁদাবাজির রাজত্ব কায়েম করেন লিয়াকত
August 13
12:37pm
2020
MH Ripon Mondol
Trishal, Mymensingh:
Eye News BD App PlayStore
শামলাপুর ফিশিং ঘাট। ওই ঘাটের মাছ ব্যবসায়ী নূরুল ইসলাম। দুই মাস আগে পুলিশকে ঘাটের নিয়মিত চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানানোর কারণে নির্যাতনের শিকার হন তিনি। অভিযোগ রয়েছে, শামলাপুর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ লিয়াকত আলী নূরুল ইসলামকে ফাঁড়িতে তুলে নিয়ে নির্যাতন করে চল্লিশ হাজার টাকা আদায় করেন। বিষয়টি নিয়ে নূরুল ইসলামের কাছে জানতে চাইলে তিনি ভয়ে কোনো কথা বলতে রাজি হননি।

গত ২৫শে এপ্রিল মানব পাচারের অভিযোগ তুলে নোয়াখালীপাড়া গ্রামের আব্দুল হাকিমের ছেলে আব্দুস সালামকে তুলে আনেন লিয়াকত। পরে ওই পরিবারের কাছ থেকে সাড়ে ৮ লাখ টাকা আদায় করে নেন লিয়াকত। এতে সন্তুষ্ট হতে না পেরে ২৬শে এপ্রিল তিনি সালামকে বন্দুকযুদ্ধের নামে হত্যা করেন বলে অভিযোগ করেছে পরিবার। এ ঘটনার পর এলাকার সবাই লিয়াকতের ভয়ে তটস্থ থাকতেন। এতে লিয়াকত এলাকায় প্রদীপের উত্তরসূরি বলে প্রচার বেড়ে যায়। যদিও এর আগে আরো কয়েকটি কথিত ক্রসফায়ার দেন তিনি।

এলাকাবাসী বলছেন, লিয়াকত এখানে আসার পর বেশ কয়েকটি কথিত ক্রসফায়ার দিয়েছেন। সাবেক সেনা কর্মকর্তা সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান হত্যা ঘটনার এক নম্বর আসামি ইন্সপেক্টর লিয়াকত এখন কারাগারে। তার পরও তার নির্যাতন ও চাঁদাবাজির শিকার ভুক্তভোগীরা ভয়ে কথা বলতে চাইছেন না। তারা বলছেন, পরিস্থিতি ঠাণ্ডা হলে স্বরূপে ফিরে আসবে পুলিশ। পরে ওই সময়ের গণমাধ্যমের বক্তব্য দেখলে তাদের ওপর চড়াও হতে পারে। তাই এমন ভয়ে এখনো কেউ মুখ খুলছেন না।

অভিযোগ রয়েছে, শামলাপুর পুলিশ ফাঁড়িতে যোগদানের ৬ মাসের মধ্যেই লিয়াকত আলী গড়ে তোলেন চাঁদাবাজির রাজত্ব। সরজমিনে ওই এলাকার বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, মাদক ব্যবসায়ী ও মানব পাচারের অভিযোগ তুলে একের পর এক এলাকাবাসীকে তুলে এনে চাঁদা আদায় করতেন। আর চাঁদা না দিলে করতেন নির্যাতন, দিতেন ক্রসফায়ারের হুমকি।

এদিকে এলাকার ১২টি ফিশারিজ ঘাট থেকেও নিয়মিত মাসোয়ারা আদায় করতেন প্রায় ৫০ লাখ টাকার মতো। এর মধ্যে মাছ ধরার প্রায় তিনশ’টি নৌকা থেকে প্রত্যেক দিন এক হাজার টাকা করে চাঁদা নেয়ার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। জেলেদের জিম্মি করে এসব চাঁদা আদায় করতেন তিনি। এসবে সহযোগিতা করতো জেলেদের মধ্যে সিরাজুল হক, মোহাম্মদ হানিফ, সাইফুল, বেলাল উদ্দিন, মো. সৈয়দুল হক।

বাজারে মৎস্য ব্যবসায়ী সমিতির এক নেতা বলেন, যারা চাঁদা তুলে দিতো তাদের কোনো দোষ নেই। তারাও ভুক্তভোগী। তারা শুধু দিনের বেলায় সবার টাকাটা তুলে নিয়ে দিয়ে আসতো। তারা নিজেরাও চাঁদা দিতো লিয়াকতকে। চলতি বছরের জানুয়ারিতে এই ফাঁড়িতে যোগদান করেন লিয়াকত হোসেন। এরপর থেকেই পুরো এলাকাটি তিনি ঘুরে ঘুরে দেখেন। ওসি প্রদীপের প্রশ্রয়ে নিজেও এলাকায় গড়ে তোলেন শক্তিশালী সিন্ডিকেট। নিয়োগ দেয়া হয় ক্যাশিয়ার ও নিজস্ব সোর্স।

স্থানীয় সংবাদকর্মীরা বলছেন, ওসি প্রদীপ তাকে এই ফাঁড়িতে নিয়ে আসেন। সরজমিন দেখা যায়, বাহারছড়া ইউনিয়নটি সাগরতীরে হওয়ায় বেশিরভাগ মানুষ মাছ শিকার করে জীবন চালান। ফলে এখানে গড়ে প্রায় ১২টি ফিশারিজ ঘাট রয়েছে। ঘাটগুলোর মধ্যে শামলাপুরে দুটি, শিলখালী একটি, চৌদারপাড়া দুটি, বাইন্যাপাড়া একটি, জাহাজপুরা একটি, হাজমপাড়া একটি, নোয়াখালীপাড়াতে একটি ও কচ্ছপিয়ায় একটি। প্রতি ঘাটে গড়ে ১শ’ করে নৌকা রয়েছে। এসব নৌকা সমুদ্রে নামার আগেই দৈনিক এক হাজার টাকা দিতো লিয়াকতের ক্যাশিয়ার আব্দুল্লাহ আল মামুনকে। টাকা না দিলেই মানব পাচারের অভিযোগ তুলে ধরে আনা হতো পুলিশ ফাঁড়িতে। এছাড়া মৎস্য ব্যবসায়ীদের সংগঠন থেকেও প্রতি মাসে ১০ হাজার টাকা চাঁদা নিতো। এই এলাকায় এরকম প্রায় ১২টি সংগঠন রয়েছে।

বাহারছড়া উপকূলে মৎস্য সমবায় সমিতি ও মাছ ব্যবসায়ী সমিতির দু’জন নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ১০ হাজার টাকার বাইরেও যেসব সংগঠন নিয়ন্ত্রণে ভালো ব্যবসা হয় সেগুলো দিতো তিন-চার লাখ টাকা করে। শামলাপুর দক্ষিণ ঘাটের সভাপতি বেলাল উদ্দিন বলেন, আমরা প্রতি ঘাট থেকে পুলিশের মেসের জন্য খরচ দিতাম। আর টাকা কম দিলে বাবা মাকে নিয়ে গালি দিতো। ধরে নিয়ে নির্যাতন করতো। আবার এসব টাকা না দিলে মাছ ধরা ও ব্যবসা বন্ধ করে দিতো পুলিশ। পাশাপাশি মাদক দিয়ে চালান করে দেয়ার হুমকি দিত। ক্রসফায়ারের হুমকি তো আছেই।

এই এলাকার ফিশারিজ ঘাটের নৌকার মালিক রাশেদুল জানান, তাদের খাবারের জন্য মাছ দিয়ে আসতে হতো। আসলে এত মাছ তাদের প্রয়োজন হতো না। মাছ জমা করে ক্যাশিয়ার মামুন এক দালাল ধরে বিক্রি করে ফেলত। শামলাপুর বাজারে ৩০টির মতো মাছের আড়ত রয়েছে। এসব আড়তে প্রতিদিন অর্ধশতাধিক ব্যবসায়ী মাছ কিনতে আসেন। এসব ছোট মাছ ব্যবসায়ী থেকে গড়ে ৫০০ টাকা চাঁদা নিতো লিয়াকতের লোকজন।

গতকাল সরজমিন মাছ বাজারে গিয়ে কথা হয় কয়েকজন মাছ ব্যবসায়ীর সঙ্গে। তারা বলেন, এখন একটু শান্তিতে আছি। কতদিন এই শান্তি থাকে কে জানে! তারা অভিযোগ করে বলেন, চাঁদা না দিলে মাছের ভেতর ইয়াবা রয়েছে বলে মাছ রাস্তায় ফেলে দেয়া হতো। সেই সঙ্গে ব্যবসায়ীদের ফাঁড়িতে উঠিয়ে নিয়ে হাজার হাজার টাকা চাঁদা আদায় করা হতো। স্থানীয় আড়তদার হেলাল উদ্দিন জানান, ত্রিশ আড়তে প্রতিদিন শত শত মাছ ব্যবসায়ী মাছ কিনতে আসেন। প্রতি মাছ ব্যবসায়ীর কাছ থেকে ৩শ’ থেকে ৫শ’ টাকা আদায় করতো ক্যাশিয়ার মামুন। সে নিজে এসেই টাকা নিয়ে যেতো। চাঁদাবাজির এখানেই শেষ নয় তার। টমটম ও যানবাহন থেকে করতো নিয়মিত চাঁদাবাজি।

তেমনি একজন ভুক্তভোগী সরোয়ার কামাল (৪৫)। পেশায় টমটম চালক। ধারকর্জ করে একটি টমটম কিনেছিলেন তিনি। চলতি বছরে লকডাউন ঘোষণার সময় তার কাছে মাসিক চাঁদা দাবি করেন। পাঁচশ’ টাকা চাঁদা না দিতে পারায় তাকে সারাদিন আটকে রেখে পাঁচশ টাকা দেয়ার পর তাকে ছেড়ে দেয়। টমটম চালক সরওয়ার কামাল বলেন, করোনায় লকডাউন ঘোষণাকালে ৫শ’ টাকার জন্য সামনের গ্লাসটি ভেঙে ফেলে লিয়াকত। এরপর টাকা নিয়েই তিনি গাড়িটি ছেড়েছেন। এখানে প্রায় হাজারখানেক ছোট-বড় টমটম রয়েছে। এগুলো থেকে প্রতিদিন দুইশ’ এবং মাসে পাঁচশ’ করে চাঁদা নিতো লিয়াকত। বড় টমটম থেকে মাসে এক হাজার ও দিনে তিনশ’ টাকা নেয়া হতো। তবে মিনি টমটম সমিতি ও বড় টমটম সমিতি থেকে মাসে ৫০ হাজার টাকা করে চাঁদা নিতো। বড় টমটম চালক রিয়াদ মুনির অভিযোগ করে বলেন, লিয়াকতের যন্ত্রণায় অতিষ্ঠ ছিলাম। এখন একটু শান্তিতে আছি।এদিকে গ্রাম্য সালিশ থেকেও হাজার হাজার টাকা হাতিয়ে নিতেন লিয়াকত ও তার সহযোগীরা এমন অভিযোগ উঠেছে তার বিরুদ্ধে। ভুক্তভোগী দুই পক্ষের মধ্যস্থতার কথা বলে এসব টাকা নিতেন তিনি। সরজমিন গিয়ে এমন অভিযোগের সত্যতা মেলে।

তবে টেকনাফ থানায় যোগদানকারী নতুন ওসি আবুল ফয়সাল জানান, ঘটনা অনেক ঘটেছে। সবগুলো তদন্ত করে বের করা হবে।

All News Report

সম্পর্কিত সংবাদ

ট্রেন্ডিং

বরগুনার রিফাত হত্যাঃ স্ত্রী মিন্নিসহ ৬ জনের মৃত্যুদণ্ড

বরগুনার রিফাত হত্যাঃ স্ত্রী মিন্নিসহ ৬ জনের মৃত্যুদণ্ড

সীমান্তে নিখোঁজ হওয়ার ১১ দিন পর মৃতদেহ উদ্ধার

সীমান্তে নিখোঁজ হওয়ার ১১ দিন পর মৃতদেহ উদ্ধার

যাদের ভিসার মেয়াদ শেষ তাদের বিষয়ে কিছু করার নেই: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

যাদের ভিসার মেয়াদ শেষ তাদের বিষয়ে কিছু করার নেই: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

মাধ্যমিকে ফেল করা মাহাবুব এখন সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র

মাধ্যমিকে ফেল করা মাহাবুব এখন সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র

মিন্নিসহ সব আসামীদের সাজা চাইলেন রিফাতের বোন

মিন্নিসহ সব আসামীদের সাজা চাইলেন রিফাতের বোন

ইউএনও ওয়াহিদা খানম হাসপাতাল থেকে ছাড়া পাচ্ছেন

ইউএনও ওয়াহিদা খানম হাসপাতাল থেকে ছাড়া পাচ্ছেন

রিফাত হত্যার মাস্টারমাইন্ড মিন্নি: রাষ্ট্রপক্ষ

রিফাত হত্যার মাস্টারমাইন্ড মিন্নি: রাষ্ট্রপক্ষ

মাজহারের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে মুখ খুললেন শাওন

মাজহারের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে মুখ খুললেন শাওন

শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছুটি বৃদ্ধি নিয়ে যা বললেন মন্ত্রী

শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছুটি বৃদ্ধি নিয়ে যা বললেন মন্ত্রী

৩০ দিনের মধ্যে জাহালমকে ১৫ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ দেবে ব্র্যাক ব্যাংক

৩০ দিনের মধ্যে জাহালমকে ১৫ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ দেবে ব্র্যাক ব্যাংক

মিনিকেট চালের দাম নির্ধারণ করে দিয়েছে খাদ্য মন্ত্রণালয়

মিনিকেট চালের দাম নির্ধারণ করে দিয়েছে খাদ্য মন্ত্রণালয়

খাদ্যনালী কেটে ফেললেন নার্স, সংকটাপন্ন রুগি

খাদ্যনালী কেটে ফেললেন নার্স, সংকটাপন্ন রুগি

বিএনপির সাবেক সভাপতি লৎফর রহমান মিন্টুর ইন্তিকাল

বিএনপির সাবেক সভাপতি লৎফর রহমান মিন্টুর ইন্তিকাল

স্পর্শকাতর স্থানে হাত ডান্স গুরুর, যা বললেন নোরা

স্পর্শকাতর স্থানে হাত ডান্স গুরুর, যা বললেন নোরা

জামালপুর পৌরসভার মেয়র প্রার্থী নূর হোসেন আবাহনী

জামালপুর পৌরসভার মেয়র প্রার্থী নূর হোসেন আবাহনী

সর্বশেষ

মৃত্যুদণ্ডের রায়ের পরও হাসছিলেন রিফাত ফরাজী

মৃত্যুদণ্ডের রায়ের পরও হাসছিলেন রিফাত ফরাজী

শিশুর জন্ম মুসলিম হিসেবেই, আমি কেবল নিজ ধর্মে ফিরেছি: নারী নব মুসলিম

শিশুর জন্ম মুসলিম হিসেবেই, আমি কেবল নিজ ধর্মে ফিরেছি: নারী নব মুসলিম

হত্যার পর নদীতে ফেলে দেয়া যুবক ফিরলেন ৬ বছর পর!

হত্যার পর নদীতে ফেলে দেয়া যুবক ফিরলেন ৬ বছর পর!

কুষ্টিয়ায় হোটেল মালিকগন আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ হলেও সরকার হারাচ্ছে বিপুল পরিমাণ রাজস্ব

কুষ্টিয়ায় হোটেল মালিকগন আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ হলেও সরকার হারাচ্ছে বিপুল পরিমাণ রাজস্ব

বাউফলে জোড়া খুনের বিচারের দাবীতে ঝাড়ু মিছিল

বাউফলে জোড়া খুনের বিচারের দাবীতে ঝাড়ু মিছিল

গল্প

গল্প

ভারতের স্থলবন্দর খুলে দেয়ার অনুরোধ জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

ভারতের স্থলবন্দর খুলে দেয়ার অনুরোধ জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

স্টপেজ

স্টপেজ

দেশের মানুষ ধর্ষণ, দূর্নীতি ও টাকা পাচারের ভোগান্তির স্বীকার হচ্ছেঃ ভিপি নুর

দেশের মানুষ ধর্ষণ, দূর্নীতি ও টাকা পাচারের ভোগান্তির স্বীকার হচ্ছেঃ ভিপি নুর

মাদ্রাসায় কর্মচারী নিয়োগ: ৬পদে ৪জন চেয়ারম্যান পরিবারের লোক!

মাদ্রাসায় কর্মচারী নিয়োগ: ৬পদে ৪জন চেয়ারম্যান পরিবারের লোক!

ফুসফুস ভালো রেখে জীবনযাপন করার জন্য এই ৭টি খাবার খাওয়া উচিৎ

ফুসফুস ভালো রেখে জীবনযাপন করার জন্য এই ৭টি খাবার খাওয়া উচিৎ

সজিনা পাতার গুণাগুণ

সজিনা পাতার গুণাগুণ

ডিমলায় ঢাকা সেচ্ছাসেবী সংগঠনের সমন্বয় বৃক্ষ ও টিউবওয়েল বিতরণ

ডিমলায় ঢাকা সেচ্ছাসেবী সংগঠনের সমন্বয় বৃক্ষ ও টিউবওয়েল বিতরণ

ঠাকুরগাঁওয়ে নিজের বলার মতো গল্প ফাউন্ডেশনের হাজার তম দিন উদযাপন

ঠাকুরগাঁওয়ে নিজের বলার মতো গল্প ফাউন্ডেশনের হাজার তম দিন উদযাপন

হবিগঞ্জের জি কে গউছের নাকে অস্ত্রোপাচার

হবিগঞ্জের জি কে গউছের নাকে অস্ত্রোপাচার