Feedback

সারাবিশ্ব

সোলাইমানির শেষ ইচ্ছা পূরণে যার পাশে সমাহিত হলেন

সোলাইমানির শেষ ইচ্ছা পূরণে যার পাশে সমাহিত হলেন
February 01
01:55am
2020

আই নিউজ বিডি ডেস্ক Verify Icon
Eye News BD App PlayStore
ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী আইআরজিসির কুদস ফোর্সের প্রধান জেনারেল কাসেম সোলাইমানির শেষ দুটি ইচ্ছা পূরণ করা হয়েছে। এর মধ্যে একটি ছিল এক তরুণ যোদ্ধার পাশে তাকে সমাহিত করা। যার নাম মোহাম্মাদ হোসেন ইউসুফ এলাহি। সোলাইমানি মার্কিন হামলায় নিহত হওয়ার পরপরই খবর আসে, নিজের জন্মশহর কেরমানে এক শহীদের কবরের পাশে দাফন করতে বলে গেছেন তিনি। ইরানের বিখ্যাত ব্যক্তিত্বরা সাধারণত পবিত্র মাশহাদে ইমাম রেজা (আ.) ও কোমে হজরত মাসুমার (সা.আ.) মাজার প্রাঙ্গণে নিজেকে দাফন করতে ওসিয়ত করে যান। এছাড়া অনেকেই রাজধানী তেহরানে ইমাম খোমেনির (রহ.) মাজারের অদূরে বিখ্যাত বেহেশতে জাহরা কবরস্থান অথবা নিজের প্রিয়তম ব্যক্তিদের কবরের পাশে সমাহিত হওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেন। এদিক থেকে কাসেম সোলাইমানির ওসিয়ত অনেকটাই ব্যতিক্রমী। এ বিষয়টি নিয়ে কৌতূহল বশত রেডিও তেহরানের সিনিয়র সাংবাদিক ড. সোহেল আহম্মেদ অনুসন্ধান চালান। কে সেই ব্যক্তি যার পাশে সমাহিত হতে ওসিয়ত (ইচ্ছা প্রকাশ) করে গেছেন বিশ্বসেরা জেনারেল কাসেম সোলাইমানি। মোহাম্মাদ হোসেন ইউসুফ এলাহি সম্পর্কে খোঁজ নিয়ে এমন কিছু তথ্য পেলাম যা বর্তমান সমাজের অনেকের কাছেই পুরোপুরি অবিশ্বাস্য। এসব তথ্য একেবারেই আধ্যাত্মিক।
ওসিয়ত অনুযায়ী জেনারেল সোলাইমানিকে যেখানে কবর দেওয়া হয়েছে সেই এলাকাটি রাজধানী তেহরান থেকে প্রায় ৮শ’ কিলোমিটার দূরে। শহরের নাম কেরমান। এটি ইরানের দক্ষিণ-পূর্বের প্রদেশ কেরমানের কেন্দ্রীয় শহর। শহরের অদূরে শহীদদের জন্য গড়ে ওঠা ওই কবরস্থানের সদস্য সংখ্যা কিছু দিন আগেও ছিল এক হাজার ১১ জন। কাসেম সোলাইমানি যুক্ত হওয়ায় এ সংখ্যা এক হাজার ১২ জনে উন্নীত হয়েছে। এদেরই একজন হলেন জেনারেল সোলাইমানির প্রিয়পাত্র মোহাম্মাদ হোসেন ইউসুফ এলাহি। তিনি জাতীয়ভাবে খুব বেশি পরিচিত নন। তবে তার সম্পর্কে বই ও নিবন্ধ রয়েছে। মেহদি ফারাহানির লেখা ‘নাখলে সুখতে’ বইয়ে শহীদ ইউসুফ এলাহি সম্পর্কে কয়েকজনের স্মৃতিচারণ স্থান পেয়েছে যা আমাকে আবেগ-আপ্লুত করেছে। ফার্সি নাম ‘নাখলে সুখতে’ অর্থ হচ্ছে পুড়ে যাওয়া খেজুর গাছ। লেখক সম্ভবত রূপক অর্থে এই নাম ব্যবহার করেছেন। ১৯৮৬ সালে ইরাক-ইরান যুদ্ধ চলাকালে প্রায় ২৫ বছর বয়সে ইউসুফ এলাহি রাসায়নিক হামলায় আহত হয়ে তেহরানের একটি হাসপাতালে মারা যান। ইরাক সীমান্তে কাসেম সোলাইমানির নেতৃত্বে দীর্ঘ দিন যুদ্ধ করেছেন তিনি। একদিন তাদের ঘাঁটিতেই রাসায়নিক হামলা করে বসে ইরাকি বাহিনী। নিষিদ্ধ রাসায়নিক গ্যাসে আক্রান্ত হয়ে তারা বাঙ্কার থেকে বের হতে বাধ্য হন। ইউসুফ এলাহি সবাইকে বাঙ্কার থেকে বাইরে পাঠিয়ে নিজে সবার শেষে বের হন। এরপর ইউসুফ এলাহিকে মারাত্মক অসুস্থ অবস্থায় তেহরানের একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানেই শেষনিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। ইরাক সীমান্তে ইরানি সামরিক ঘাঁটিতে সহযোদ্ধাদের সবাই এই তরুণকে আরেফ ও পরহেজগার হিসেবে চিনতেন। সহযোদ্ধাদের বর্ণনা থেকে তার কিছু আধ্যাত্মিক ক্ষমতার কথা জানা যায়। এছাড়া জেনারেল সোলাইমানি নিজে ইউসুফ এলাহি সম্পর্কে স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে বলেছেন, ‘তখন যুদ্ধ চলছিল। এলাহিকে নিয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ কাজে যাচ্ছিলাম। হাঁটতে হাঁটতে বললাম গত কয়েকটি অভিযানের একটিতেও সন্তোষজনক সাফল্য পাইনি আমরা, সামনে যে অভিযান এটাতো আরও কঠিন ও জটিল অভিযান। এটাতে সফল হওয়ার সম্ভাবনা নেই বললেই চলে। এলাহি এ কথা শোনে বললেন, ঘটনাক্রমে এই অভিযানেই আমরা সফল হব। কোথা থেকে সে এত নিশ্চিত সে কথা জানতে চাইলে ইতস্তত করে বলল, আমি নিশ্চিত হতে পেরেছি। আমি খবর পেয়েছি।’ আধ্যাত্মিক শক্তির মাধ্যমে আগামবার্তা এর আগেও এলাহি অনেক সহযোদ্ধাকে দিয়েছেন। এ কারণে তার কথায় বিশ্বাস করেন সোলাইমানি এবং শেষ পর্যন্ত সেই অভিযানে তারা সফল হন। ‘নাখলে সুখতে’ বইয়ে ইউসুফ এলাহির সহযোদ্ধারা জানিয়েছেন, প্রতিদিনের অন্যান্য নামাজের পাশাপাশি নিয়মিত তাহাজ্জুদের নামাজে মগ্ন হতেন ইউসুফ এলাহি। এই শহীদ সম্পর্কে তার এক ভাই বলেছেন, ‘তেহরানের লাব্বাফি নেজাদ হাসপাতালে তখন ইউসুফ এলাহি চিকিৎসাধীন। কেরমান থেকে রওনা হয়ে তেহরানে পৌঁছেছি। হাসপাতালের ভেতরে ঢুকতেই এক যুবক এগিয়ে এসে বলল আপনি কি ইউসুফ এলাহির ভাই। বললাম-জ্বি। বলল আমার সঙ্গে আসুন। ইউসুফ এলাহি আপনাকে নিতে আমাকে পাঠিয়েছেন। আমি ও আমার আরেক ভাই অবাক হয়ে তার সঙ্গে গেলাম। রুমে ঢুকে ইউসুফ এলাহিকে জিজ্ঞেস করলাম-তুমি কিভাবে জানলে আমরা আসছি। সে জবাবে বলল- আপনারা যখন কেরমান থেকে গাড়িতে উঠেছেন তখন থেকেই আমি আপনাদেরকে দেখতে পাচ্ছিলাম। আমরা ঠিক কয়টায় রওনা হয়েছি, কোন রঙের গাড়ি দিয়ে এসেছি তার সবই বলে দিতে পারল ইউসুফ এলাহি।’ ইউসুফ এলাহির এক সহযোদ্ধা জানিয়েছেন, ‘একবার তাদের ব্রিগেডের দুই সেনা সীমান্তবর্তী নদীতে শত্রুর ওপর নজর রাখতে গিয়ে নিখোঁজ হয়ে যায়। খোঁজাখুঁজির পরও তাদের পাওয়া যাচ্ছিল না। আমরা এই খবর ইউসুফ এলাহিকে জানাই। এলাহি কমান্ডার কাসেম সোলাইমানিকে অবহিত করেন। কমান্ডার সোলাইমানি দ্রুত খবরটি ঘাঁটির সবাইকে জানাতে বলেন। সোলাইমানি বলেছিলেন, হয়ত ইরাকি সেনারা তাদের দুইজনকে আটক করেছে। এর ফলে আমাদের পরবর্তী অভিযানের খবর তারা জেনে যাবে। সবাইকে বিষয়টি সম্পর্কে সতর্ক করতে হবে। ইউসুফ এলাহি কমান্ডারের অনুমতি চেয়ে বলল, আজ রাতটা যাক। আমি সকালেই জানাতে পারব ওদের ভাগ্যে কী ঘটেছে। কমান্ডার অনুমতি দিলেন। সকালে ইউসুফ এলাহি জানাল-ওরা বন্দি হয়নি, ওরা দু’জনই শহীদ হয়ে গেছে। ওদের দু’জনের একজনের নাম ছিল আকবার মুসায়িপুর, অপর জনের নাম হোসেন সাদেকি। বলল-আমি ওদের সঙ্গে কথা বলেছি। তারা ধরা পড়েনি, শহীদ হয়ে গেছে। এরপর জানাল নদীর তীরে ওদের মরদেহ পাওয়া যাবে। আমরা নদীর ধারে অপেক্ষা করতে থাকলাম। প্রথমে আকবার মুসায়িপুর ও পরে হোসেন সাদেকির মরদেহ আমরা খোঁজে পাই এবং নিয়ে আসি।' এমন আরও অনেক ঘটনাই তার সহযোদ্ধারা বর্ণনা করেছেন যা থেকে এটা স্পষ্ট, ইউসুফ এলাহি ছিলেন একজন বড় মাপের আরেফ। ইউসুফ এলাহি এবাদত-বন্দেগি ও সৎকর্মের মাধ্যমে এত উচ্চ মর্যাদায় পৌঁছেছিলেন যে, স্বপ্নে আগাম বার্তা পেয়ে যেতেন। ইউসুফ এলাহির সরাসরি কমান্ডার হিসেবে এসব তথ্য সবার চেয়ে বেশি জানতেন কাসেম সোলাইমানি। এমন আধ্যাত্মিক ব্যক্তিকে স্বচক্ষে দেখাও অনেক বড় সৌভাগ্যের বিষয়। এ কারণেই হয়ত এমন আধ্যাত্মিক ব্যক্তিত্বের চিরদিনের প্রতিবেশী হওয়ার সুযোগ হাতছাড়া করতে চাননি সোলাইমানি। তিনি স্ত্রীকে লেখা চিঠিতে বলে যান, তার (ইউসুফ এলাহি) পাশে কবর পাওয়ার ইচ্ছা আমার।' প্রায় ১১ মাস আগেও ওই কবরস্থানে গিয়েছিলেন সোলাইমানি। সে সময় জেনারেল সোলাইমানির সঙ্গে কেরমান প্রদেশের শহীদ ফাউন্ডেশনের সাবেক প্রধান মোহাম্মাদ রেজা হাসানি সাদির দেখা হয়। ওই কবরস্থানে দাঁড়িয়ে তিনি সোলাইমানির কাছে জানতে চান, শুনেছি আপনি ইউসুফ এলাহির পাশে যাতে কবর দেওয়ার সুযোগ পান সেজন্য আবেদন করেছেন তাই না? জবাবে জেনারেল বলেছিলেন, হ্যাঁ। তবে ওর একেবারে পাশের জায়গাটা খালি না থাকলে ওর কবরের আশেপাশে হলেও চলবে। তবে ইউসুফ এলাহির একেবারে পাশে কবর পাওয়ার ইচ্ছাটা পূরণ হয়েছে কাসেম সোলাইমানির। তারা পাশাপাশিই শুয়ে আছেন সেখানে। কাসেম সোলাইমানির আরও একটি ইচ্ছা পূরণ করা হয়েছে সেখানে। তিনি স্ত্রীকে বলে গিয়েছিলেন, তার কবরের ওপর যেন কোনো পদবী বা খেতাব লেখা না হয়, কবর যেন হয় একেবারেই সাদাসিধা। বিপ্লব-উত্তর ইরানে সর্বোচ্চ পদক ‌‌‌‌‘জুলফিকার’ অর্জনকারী একমাত্র জেনারেলের কবরের ওপর স্থাপিত পাথরটি তাই এখনও একেবারেই খালি, সেখানে কিছুই লেখা হয়নি। যারা জিয়ারতে যাচ্ছেন তারা প্রথমে চলে যাচ্ছেন ইউসুফ এলাহির কবরে। কারণ সবাই জানে ইউসুফ এলাহির কবরে গেলেই পাওয়া যাবে কাসেম সোলাইমানির সন্ধান। আজীবন প্রচার-বিমুখ সোলাইমানি মৃত্যুর পরও যেন নিজেকে লুকিয়ে রাখার চেষ্টা করলেন। এক সময়ের অধীনস্থ যোদ্ধা শহীদ ইউসুফ এলাহির পরিচয়েই যেন পরিচিত হতে চাইলেন। প্রসঙ্গত, গত ৩ জানুয়ারি ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্দেশে মার্কিন বাহিনী দ্বারা হত্যাকাণ্ডের শিকার হন জেনারেল কাসেম সোলাইমানি। তিনি শুধু ইরানের নয়, পুরো আরব বিশ্বের বীর হিসেবে পরিচিত ছিলেন। ক্যারিশম্যাটিক কমান্ডার হিসেবে সারা পৃথিবীতে পরিচিতি পেয়েছিলেন। তার বুদ্ধি-সাহস, নেতৃত্বের গুণাবলী ও যুদ্ধক্ষেত্রের বিচক্ষণতার গল্প ছিলো মানুষের মুখে মুখে। পৃথিবীর ‘এক নম্বর’ জেনারেল হিসেবে বিবেচিত সোলাইমানির নাম ছিলো বিশ্বের সবচেয়ে দক্ষ গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ ও মোসাদের হিট লিস্টের ‘এক নম্বরে’। কাশেম সোলাইমানি মূলত সিরিয়া ও ইরাক যুদ্ধে তার বীরত্বপূর্ণ অবদানের জন্য দেশ-বিদেশে খ্যাতি অর্জন করেছিলেন। সেসময় তিনি ‘সারুল্লাহ’ গ্রুপের নেতৃত্ব দেন। ওই যুদ্ধে তার অবদানের প্রশংসা করেছিলেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষ।

All News Report

Add Rating:

0

সম্পর্কিত সংবাদ

ট্রেন্ডিং

বাতিল হতে যাচ্ছে ‘কাফালা বা কপিল প্রথা’: ২০২১ সালের প্রথম ৬ মাসেই বিলুপ্তি কার্যকর হবে

বাতিল হতে যাচ্ছে ‘কাফালা বা কপিল প্রথা’: ২০২১ সালের প্রথম ৬ মাসেই বিলুপ্তি কার্যকর হবে

ফ্রান্সে আরও ৩৫টি ওয়েবসাইট হ্যাক করল Royal Battler BD এবং Bangladesh Civilian Force

ফ্রান্সে আরও ৩৫টি ওয়েবসাইট হ্যাক করল Royal Battler BD এবং Bangladesh Civilian Force

কিশোরগঞ্জে জুয়ার আসরে র‌্যাবের হানা, আটক ১০

কিশোরগঞ্জে জুয়ার আসরে র‌্যাবের হানা, আটক ১০

মাত্রাতিরিক্ত ক্রেডিট ফির যাঁতাকলে পিষ্ট হাবিপ্রবির শিক্ষার্থীরা"

মাত্রাতিরিক্ত ক্রেডিট ফির যাঁতাকলে পিষ্ট হাবিপ্রবির শিক্ষার্থীরা"

ধর্ষণের কারন ও উৎস্য মোবাইলে পর্ণো ছবি ও যৌন উত্তেজক ঔষধ

ধর্ষণের কারন ও উৎস্য মোবাইলে পর্ণো ছবি ও যৌন উত্তেজক ঔষধ

‘হু আর ইউ ' অ্যাম আই এ ক্রিমিনাল? র‍্যাবকে মদ্যপ হাজীপুত্র

‘হু আর ইউ ' অ্যাম আই এ ক্রিমিনাল? র‍্যাবকে মদ্যপ হাজীপুত্র

সুদের টাকা দিতে ব্যর্থ হওয়ায় স্ত্রীকে ঋণদাতার হাতে তুলে দিলেন স্বামী

সুদের টাকা দিতে ব্যর্থ হওয়ায় স্ত্রীকে ঋণদাতার হাতে তুলে দিলেন স্বামী

আবারো দুঃসংবাদ দিলো আবহওয়া অধিদপ্তর

আবারো দুঃসংবাদ দিলো আবহওয়া অধিদপ্তর

দুই বিদেশি কুকুর ও ১০ দেহরক্ষী নিয়ে এলাকায় চক্কর দিতেন ওয়ার্ড কাউন্সিলর ইরফান!

দুই বিদেশি কুকুর ও ১০ দেহরক্ষী নিয়ে এলাকায় চক্কর দিতেন ওয়ার্ড কাউন্সিলর ইরফান!

ভয়ে ফরাসি নাগরিকদের সতর্ক থাকার আহবান ফ্রান্সের

ভয়ে ফরাসি নাগরিকদের সতর্ক থাকার আহবান ফ্রান্সের

বাংলা সিনেমার ফিল্ম স্টাইলে দেহরক্ষী নিয়ে চলতেন ইরফান !

বাংলা সিনেমার ফিল্ম স্টাইলে দেহরক্ষী নিয়ে চলতেন ইরফান !

পাকুন্দিয়া পল্লী দারিদ্র্য বিমোচন ফাউন্ডেশনে ঋন জালিয়াতি ও দুর্নীতি

পাকুন্দিয়া পল্লী দারিদ্র্য বিমোচন ফাউন্ডেশনে ঋন জালিয়াতি ও দুর্নীতি

মোরগের আক্রমণে পুলিশ কর্মকর্তার মৃত্যু

মোরগের আক্রমণে পুলিশ কর্মকর্তার মৃত্যু

Royal Battler BD এবং Bangladesh Civilian Force এর একত্র আক্রমণ এ ফ্রান্সের আরো ৩০ ওয়েব সাইট দখল

Royal Battler BD এবং Bangladesh Civilian Force এর একত্র আক্রমণ এ ফ্রান্সের আরো ৩০ ওয়েব সাইট দখল

রিফাত হত্যা: অপ্রাপ্তবয়স্ক ৬ আসামিকে আদালতে হাজির করেছে পুলিশ

রিফাত হত্যা: অপ্রাপ্তবয়স্ক ৬ আসামিকে আদালতে হাজির করেছে পুলিশ

সর্বশেষ

ভিয়েতনামে শক্তিশালী টাইফুন, নিখোঁজ ২৬ জেলে

ভিয়েতনামে শক্তিশালী টাইফুন, নিখোঁজ ২৬ জেলে

সিনহা হত্যা: আবারো ৫ দিনের রিমান্ডে কনস্টেবল রুবেল শর্মা

সিনহা হত্যা: আবারো ৫ দিনের রিমান্ডে কনস্টেবল রুবেল শর্মা

রাজীবপুরে হাত ধোয়া দিবস উদযাপন

রাজীবপুরে হাত ধোয়া দিবস উদযাপন

ঢাবির লাইব্রেরির পেছনে পাওয়া গেল নবজাতকের লাশ

ঢাবির লাইব্রেরির পেছনে পাওয়া গেল নবজাতকের লাশ

মহানবী( সঃ ) কে অবমাননা করায় কলাপাড়ায় বিক্ষোপ সমাবেশ

মহানবী( সঃ ) কে অবমাননা করায় কলাপাড়ায় বিক্ষোপ সমাবেশ

জয়পুরহাটে এমপি'র নামফলক ভাংচুরের অভিযোগ

জয়পুরহাটে এমপি'র নামফলক ভাংচুরের অভিযোগ

আকবরের পলায়ন: কী আছে পুলিশ সদর দফতরের তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে?

আকবরের পলায়ন: কী আছে পুলিশ সদর দফতরের তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে?

অস্ট্রেলিয়ায় সম্মাননা পেলেন সিলেটের চমন

অস্ট্রেলিয়ায় সম্মাননা পেলেন সিলেটের চমন

কবিতা- অনুশোচনা

কবিতা- অনুশোচনা

সিলেটে হবে বিদেশগামীদের জন্য আলাদা করোনা পরীক্ষাগার

সিলেটে হবে বিদেশগামীদের জন্য আলাদা করোনা পরীক্ষাগার

চুনারুঘাটে  ৪জন বালু খেকোকে কারাদন্ড প্রদান

চুনারুঘাটে ৪জন বালু খেকোকে কারাদন্ড প্রদান

রায়হান হত্যা : দায় স্বীকার করেননি টিটু, কারাগারে প্রেরণ

রায়হান হত্যা : দায় স্বীকার করেননি টিটু, কারাগারে প্রেরণ

সবার জন্য নিরাপদ আবাসন নিশ্চিতে সিসিক কাজ করছে: মেয়র  আরিফ

সবার জন্য নিরাপদ আবাসন নিশ্চিতে সিসিক কাজ করছে: মেয়র আরিফ

শিবগঞ্জ থানায় জব্দকৃত চাল হতদরিদ্রদের মাঝে বিতরণ

শিবগঞ্জ থানায় জব্দকৃত চাল হতদরিদ্রদের মাঝে বিতরণ

৮ মাস কাজ বন্ধ থাকায় ৩৬৯ নকল নবীশ চরম আর্থিক সংকটে মানবেতর জীবন-যাপন করছে

৮ মাস কাজ বন্ধ থাকায় ৩৬৯ নকল নবীশ চরম আর্থিক সংকটে মানবেতর জীবন-যাপন করছে