রবিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২১
Azizur Rahman babu - (Shariatpur)
প্রকাশ ১৩/১০/২০২১ ১১:২৮এ এম

Aggressive women: নারী যখন মারমুখী হয় !

Aggressive women: নারী যখন মারমুখী হয় !
সমাজে নারীদের ভূমিকা যে কোন পর্যায়ে প্রশংসার দাবী রাখে। সেই একই পরিবারে নারীর প্রতি খারাপ আচরণ করলে পূরুষের চৌদ্দগুষ্টির খবর হয়ে যায় ।

অধিকাংশ পুরুষ আত্মসন্মানের ভয়ে কিছু বলতে গিয়েও বলতে পারে না। যেসব পুরুষ কোন কিছুর পরোয়া করে না । তারাই চুল ধরে ধুড়ুম - ধাড়ুম মাইর শুরু করে। এই মাইরের চোটে নারী মারাত্মক জখম হয় । কখন ও প্রচন্ড আঘাত প্রাপ্ত হয়। বিবাদ এখানেই শেষ হয় না। কাউন্টার এটাক করতে নারী " নারী নির্যাতন " মামলাও উক্ত নারী কতৃক আদালতে রজ্জু হয়। শুরু হয় মামলার খেলা। নিরীহ পুরুষদের যাঁতাকলে পিষতে পিষতে যাওয়া নারী হয় তখন যায় বীরাঙ্গনা।

এবার পুরুষের প্রসংগে বলি। পুরুষ জাতি বরাবরই পরিশ্রমী। বৌ বাচ্চার ভোরণ পোষণ স্বাভাবিক দৈনন্দিন চাহিদা মেটাতে গিয়ে গাধার মত সকাল সন্ধ্যা খেটে বাড়ি ফেরে। তাতে ও পুরুষের নিস্তার নেই। বৌ'য়ের পেন-পেনানিতে ঠিক মত বাসায় খেতে ও পারে না বেচারা । পিয়াজ নাই, রসুন নাই, ছেলের স্কুলের ব্যাগ নাই, তেল নেই, আটা নেই, তরকারি নাই।

এই নাই নাইয়ের উছিলায় স্বামী বেটাকে সেই সব লোভী নারী-রা নাস্তানাবুদ করে ছাড়ে। মোটামোটি পরোক্ষভাবে একটা মানষিক যন্ত্রণায় জড়িয়ে রাখে । পুরুষ অসহায় হয়ে আর্থিক সুখের আশায় বিকল্প আয়ের পথ খুজতে থাকে। এক সময় পেয়ে ও যায়। সেটা বৈধ হোক আর অবৈধ । অবৈধ আয়ে পুরুষে পরিশ্রম কম, সময় কম - লাভ বেশী। সেই উপার্জনে সংসারের চারিদিকে উন্নতির ছোয়া। বৌ খুশি, সন্তান খুশি, আত্মীয়স্বজন খুশি।

কোন অভাব নেই। কিন্তু একটার অভাবতো রয়েছেই। সেটা সততার অভাব। স্বামী বেচারা বৌকে সুখি করতে কাড়ি কাড়ি টাকা কামালেন ঠিকই কিন্তু পরিবারের সকল সদস্য সদস্যা থেকে দিনে দিনে দূরে সরে যাচ্ছেন। দিনের পর দিন মায়ার সংসার হতে মানষিক দূরত্ব সৃষ্টি হয়েছে।

বাস্তবতায় সেই অবৈধ টাকার উত্পাতে সীমাহীন খরচায় মানবিক/ মানসিক প্রশান্তির জন্য পরকিয়ায় জড়িয়ে পড়ছেন। ছেলে মেয়ে বৌ নিয়ন্ত্রণহীন হয়ে পড়ছে । " সংসার " নামক রেলগাড়িটা ক্রমশঃ গতিহীন হয়ে তিল তিল করে বিপদের দ্বার প্রান্তে পৌছিয়ে যাচ্ছে। এই পুরুষ মহাশয়েরা নারীদের বিরুদ্ধ কোন আইনী পদক্ষেপ নিতে ও পারছে না।

সমাজের এইরূপ সমস্যা আজ ঘরে ঘরে দেখা যাচ্ছে। আর দিন দিন প্রকোট হচ্ছে স্বামী- স্ত্রী 'র বোঝা পোড়া। বাড়ছে বিবাহ বিচ্ছেদের মত অপ্রীতিকর ঘটনা। নির্দিষ্ট নীতিমালা না থাকায় পুরুষেরা ক্রমশ অবহেলার শিকার । নর - নারীর মধ্যে তালাকের হার সংক্রমক হারে বেড়েই চলছে।

বাস্তবতায়, সরকারী উচ্চমহলে এ বিষয়ে কঠোরভাবে দৃষ্টিপাত না করলে সমাজে ভয়াবহ পরিস্থিতি সৃষ্টি হবে। অচিরেই " পুরুষ নির্যাতন আইন" প্রণয়ন করে পুরুষ জাতিকে রক্ষা করা হউক।

কমপক্ষে এই আইনের আশ্রয়ে পুরুষরা নিজের আত্মোসন্মান বজায় রেখে নিজকে সুরক্ষিত করে সমাজে বেঁচে থাকার সুযোগ পাবে। নারী কতৃক বিড়ম্বনার স্বীকার হতে হবে না।

শেয়ার করুন

সম্পর্কিত সংবাদ