রবিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২১
Riyazul Islam - (Jashore)
প্রকাশ ২০/০৯/২০২১ ০৭:১২পি এম

এক লাখ টাকা ঋণ মাফ পেলেন সেই চায়ের দোকানদার বাসুদেব!

এক লাখ টাকা ঋণ মাফ পেলেন সেই চায়ের দোকানদার বাসুদেব!
মিডিয়ার কল্যাণে প্রায় ১১ মাস পর এক লাখ টাকা ঋণ মাফ পেলেন যশোরের কেশবপুরের সেই চায়ের দোকনদার বাসুদেব পাল। আনসার ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংক কেশবপুর শাখার তৎকালীন ম্যানেজার আজগার আলী প্রতারণা ও চেক জালিয়াতির মাধ্যমে তার ঘাড়ে ওই ঋণের বোঝা চাপিয়ে দিয়েছিলেন।

এ সংক্রান্ত রিপোর্ট পোস্ট পিয়ন, ডিবিসিবাংলাসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশের পর টনক নড়ে কর্তৃপক্ষের। তাৎক্ষনিক ভাবে দুর্নীতিবাজ ম্যনেজারকে বদলি এবং বিভাগীয় তদন্ত কমিটি গঠন হয়।

মঙ্গলবার ঢাকা থেকে তদন্ত কমিটির প্রধান অ্যসিসটেন্ট জেনারেল ম্যানেজার মোঃ মঞ্জুরুল হক কেশবপুরে যান এবং বাসুদেব পালসহ আরো কয়েকজন অভিযোগকারীর বক্তব্য গ্রহণ করেন।

অভিযোগ প্রমানিত হওয়ার এক পর্যায় দুর্নীতিবাজ ম্যনেজারকে রক্ষা করার জন্য নতুন মিশন নিয়ে মাঠে নামেন তারই দোসর খুলনার রিজিওনাল ম্যানেজার(আরএম) জিএম হাফিজুর রহমান।বাসুদেব পালের হাত পা ধরেন এবং ব্যাংকের কোষাগারে সুধসহ পুরো টাকা জমা দিয়ে বাসুদেব পালের জমির কাগজ পত্র ফেরৎ দেন।

এ ক্ষেত্রে মুখ্য ভুমিকা পালন করেন তদন্তকারী কর্মকর্তা অ্যসিসটেন্ট জেনারেল ম্যানেজার মোঃ মঞ্জুরুল হক। আরো কয়েক জন অভিযোগকারীর ঘুষের টাকা ফেরত দিয়ে তদন্ত রিপোর্ট দুর্নীতিবাজ ম্যনেজার আজগার আলীর পক্ষে দেয়ার প্রচেষ্টা চলছে বলে অভিযোগে প্রকাশ।

কেশবপুর আনসার ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংকে গ্রাহক হয়রানী, ভুয়া কাগজে ঋণ প্রদান, অতিরিক্ত সুদ আদায়সহ নানা অভিযোগ উঠে ম্যানেজার আজগার আলীর বিরুদ্ধে। তার বিরুদ্ধে জাল কাগজ পত্র এবং বিক্রি করা জমির দলিলের অনুকুলে আদালতে মামলা দায়ের হয়।

বর্তমানে যা পিবিআই তদন্ত করছে।কর ৯ শতাংশ হারে সুদ নেওয়ার নিয়ম থাকলেও তিনি ১৫ শতাংশ হারে সুদ আদায় করেছে। যার কারণে ব্যাংকে বর্তমান ৯০ শতাংশ গ্রাহক ঋণ খেলাপি। সর্বশেষ করোনার মহামারির সময় সরকারে ৫ শতাংশ সুদে প্রণোদনা দেওয়ার ক্ষেত্রেও ব্যাপক নয় ছয়ের অভিযোগ উঠেছে ম্যানেজারের বিরুদ্ধে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের শর্তানুযায়ী কোন খেলাপী সদস্যকে ঋন প্রদান করা যাবেনা। কিন্তু তিনি উৎকোচ নিয়ে ১০ থেকে ১৫ বছর খেলাপীদের ঋন প্রদান করেছেন। এসব অভিযোগ গণমাধ্যমে প্রকাশের পর প্রাথমিকভাবে ম্যানেজার আজগার আলীকে বদলি করা হয় সাতক্ষীরা জেলার কলারোয়া উপজেলায় এবং বিভাগীয় তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তবে তদন্ত কর্মকর্তার ভুমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অভিযোগকারীরা।

শেয়ার করুন

সম্পর্কিত সংবাদ