About Us
সোমবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২১
SATYAJIT DAS - (Habiganj)
প্রকাশ ১১/০৯/২০২১ ১১:৪৬পি এম

লন্ডনী সমাচার

লন্ডনী সমাচার Ad Banner
উমায়রা ইসলাম,মৌলভীবাজারঃ
আমরা কেমনে দ্বিতীয় লন্ডন। ইতিহাস বলে উহা আমাদের বাপ দাদার নষ্টামির ফসল। যাহা এযাবৎকাল পর্যন্ত আমরা উত্তরাধিকারসূত্রে অব্যাহত রেখেছি।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর যখন ইউরোপে যুদ্ধমৃত্যুর কারনে পুরুষের সংখ্যা কমে গেল, তখন সেখানকার সরকার কলোনি থেকে পুরুষ আমদানি শুরু করলো।

ষাটের দশকে যতব্যক্তি লন্ডনে গিয়েছেন, তাদেরকে নেয়া হয়েছে ইউরোপের যুদ্ধ বিধ্বস্ত দেশকে পুনর্নিমানের জন্য একরকম কৃতদাস হিসেবে ও তাদের মহিলাদের প্রয়োজনে। সেসময় অতি অল্প সময়ে অনেকে প্রচুর সম্পদের মালিক হয়েছেন। মেকানিজমটা মোটেই সভ্য নয় আমাদের চিরপরিচিত সমাজের দৃষ্টিভঙ্গিতে।

ইনারা অতঃপর ভদ্রলোকের মেয়েদের বিয়ে করে এদেশে এসে ভদ্র হয়েছেন, কিংবা ভদ্রতা রক্ষা করেছেন। কিন্তু ইতিহাস বদলা নেয়। পয়সার ঝনঝনানিতে আমাদের কৃষিভিত্তিক সমাজকে ইনারা নষ্ট করা শুরু করলেন।

মানুষ ছুটতে থাকলো কাচা টাকার পেছনে, যে কাচাটাকাকে আমাদের গ্রামীণ সমাজ কখনোই গুরুত্ব দেয়নাই। এখন লন্ডনী সাহেব ভাতিজাকে ভাগিনাকেও ছেলে পরিচয়ে বিদেশে নেয়া শুরু করলেন। রেজাল্ট : বাংলাদেশে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ রেমিটেন্স আসা আরম্ভ হলো।

ইনাদের পরবর্তী জেনারেশন, না বৃটিশ না বাঙালী। শুরু হলো কন্ট্রাক্ট ম্যারেজের ইতিহাস। কারণ, না বৃটিশ না বাঙালী জেনারেশন কেমন লাম্পট্যর জীবন যাপন করেন, তাতো বাপ চাচা বা মা খালারা লুকিয়ে রাখতে চান। আমরাও সিলেটের ভাবমূর্তি নষ্ট করতে চাইনা বলে এসব বলিনা।

ঐ জেনারেশনের দুই চারটা ভাল প্রডাকশন ব্যতীত সবগুলোই আমাদের ধ্যান ধারণা অনুযায়ী লম্পট হয় both ছেলে এন্ড মেয়ে, কিন্তু তাহাদের সমাজে ইহা কোন সমস্যা নয়।

লম্পটের মা বাবা ভাতিজা ভাতিজিকে পিরিত করে মেয়ের জামাই বা ছেলের বৌ করেন নিজেদের ভবিষ্যত নিরাপত্তার খাতিরে। কারন তাদের আধুনিক সভ্যতার প্রডাকশন লম্পট সন্তান তাদের দায়িত্ব নিবেনা। আর আমাদের গোবেচারা ছেলেমেয়ে উন্নত জীবনের আশায় বলী হয় এবং তাদের সন্তান পরবর্তী লাম্পট্যর অধ্যায় শুরু করে।

এসব সমাচার কেন?
কয়েকটা মেয়ের দুর্দশা দেখে কষ্ট পেতে হচ্ছে তাই।

লম্পট প্রডাকশন বাংলাদেশে এসে একাধিক বিয়ে করে একাধিক মেয়ের জীবন নষ্ট করে, তাদের পরিবারকে ক্ষতিগ্রস্ত করে আমাদের শান্তিপ্রিয় ধর্মীয় অবকাঠামো কে ধ্বংস করে। আর টাকার লোভে আমাদের সমাজের সাধারন পরিবার এসব সহ্য করতে করতে একপর্যায়ে আফসোস করে। লম্পট মেয়েরাও একাধিক ছেলেদের জীবন নিয়ে খেলেছে। হাজার হাজার উদাহরন দিতে পারবো।

এদের চরিত্র কি খুলে দেবার সময় আসেনাই???
চাপা কষ্ট আর কত পুষবেন?

আরে যে ছেলের বাপের পরিচয় বাংলাদেশে একটা আর লন্ডনে আরেকটা তার মা আসলে কি? আর সে আমাদের মেয়েদের টাকা দিয়ে কিনতে চায়? সেই ছেলের জন্মপরিচয় নিয়ে লিগ্যাল সমস্যা আছে, সে আবার কিসের বাহাদুরি দেখায় আমাদের সমাজে।

তার বাপ না চাচা, কে তার জন্মদাতা সেটা বৃটিশ সরকার দেখুক। আমাদের ঐসব দেখার দরকার নেই। যেটাকা ঐ লম্পটের পিছে খরচ করবেন, সেটা দিয়ে দেশে একটা ছেলের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করে দেন। তারপর মেয়ে বিয়ে দেন। আর বিলাসিতা কমিয়ে দেন, তাহলে আর চৌদ্দগোষ্টিকে কৃতদাস হতে হবে না, লম্পটও হতে হবে না।

শেয়ার করুন

সম্পর্কিত সংবাদ

SATYAJIT DAS - (Habiganj)
প্রকাশ ১১/০৯/২০২১ ১১:৫৪পি এম