যুক্তরাষ্ট্রের ৫০টি রাজ্যেই ছড়িয়ে পড়েছে করোনা

যুক্তরাষ্ট্রের ৫০টি রাজ্যেই করোনা সংক্রমণ দেখা দিয়েছে। বেড়েছে মৃতের সংখ্যা। সর্বশেষ ওয়েস্ট ভার্জিনিয়াতে করোনা সংক্রমণের খবর পাওয়া গেছে। এ খবর দিয়েছে অনলাইন বিবিসি।
ওয়েস্ট ভার্জিনিয়ার গভর্নর জিম জাস্টিস প্রথম করোনা আক্রান্তের বিষয়ে বলেছেন, আমরা জানতাম এই রোগ আসছে। সান ফ্রান্সিসকো বে এলাকার মতো একই রকম লকডাউনের কথা বিবেচনা করা হচ্ছে নিউ ইয়র্ক সিটিতে। এখন পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রে করোনায় মারা গেছেন ১০৮ জন। আক্রান্ত হয়েছেন কমপক্ষে ৬৩০০।

সারাবিশ্বে এ সংখ্যা প্রায় দুই লাখ। আর মৃতের সংখ্যা প্রায় ৮০০০। এরই মধ্যে এক ট্রিলিয়ন ডলারের প্রণোদনা প্যাকেজ অনুমোদনের চেষ্টা করছে প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন। তার অর্থমন্ত্রী স্টিফেন মনুচিন মঙ্গলবার রিপাবলিকান দলের সিনেটরদের সতর্ক করে বলেছেন, যদি কংগ্রেস ওই অর্থ দিতে ব্যর্থ হয় তাহলে যুক্তরাষ্ট্রে বেকারত্বের হার দাঁড়াতে পারে শতকরা ২০ ভাগ। এর আগে মহামন্দার সময় বেকারত্বের যে হার ছিল, তা হবে তার দ্বিগুন।

নিউ ইয়র্কের মেয়র বিল ডি ব্লাসিও বলেছেন, নিউ ইয়র্কে বসবাস করেন প্রায় ৮৫ লাখ মানুষ। তাদেরকে ‘শেল্টার প্লেসে’ বা স্বেচ্ছা কোয়ারেন্টিনে যেতে বলা হবে কিনা সে বিষয়ে দু’দিনের মধ্যেই তিনি সিদ্ধান্ত দেবেন। এমন উদ্যোগ নেয়া হলে মানুষজনকে তাদের ঘরের মধ্যেই স্বেচ্ছায় বন্দি হয়ে থাকতে হবে। তবে তারা অত্যাবশ্যকীয় নিত্যপণ্য বা ওষুধ কিনতে বেরুতে পারবেন। কুকুরকে হাঁটাতে নিতে পারবেন। ব্লাসিও বলেন, এটা হবে অত্যন্ত কঠিন এক সিদ্ধান্ত। এর আগে কখনো এমন পরিস্থিতিতে পড়িনি আমরা। নিউ ইয়র্ক সিটির ইতিহাসে আমি কখনো এমন কিছু শুনিওনি। ওদিকে সান ফ্রান্সিসকো বে এলাকার ৬৭ লাখ মানুষকে ঘরের ভিতর অবস্থান করতে নির্দেশ দিয়েছেন কর্মকর্তারা।

এ অবস্থায় যদি রাজ্য গভর্নররা অনুরোধ করেন তাহলে করোনা ভাইরাস আক্রান্ত এলাকায় অস্থায়ী হাসপাতাল নির্মাণে সেনাবাহিনী মোতায়েন করতে পারে হোয়াইট হাউজ। এ কথা বলেছেন ভাইস প্রেসিডেন্ট মাইক পেন্স। তিনি মঙ্গলবার হোয়াইট হাউজে সংবাদ সম্মেলন করেন। সেখানে বলেন, অনুরোধ এলে মাঠপর্যায়ে হাসপাতাল নির্মাণের জন্য আর্মি কোর অব ইঞ্জিনিয়ারসদের ডাকা হবে।

মতামত দিন

avatar