পাবনায় নতুন করে কোয়ারেন্টাইনে ৫৭ জন

পাবনায় গত ২৪ ঘণ্টায় ৫৭ জনকে হোম কোয়ারেন্টাইনে পাঠানো হয়েছে। এ নিয়ে এ পর্যন্ত জেলায় মোট ৬৮৮ জনকে হোম কোয়ারেন্টাইনে পাঠানো হলো।

এ ছাড়া জেলায় ৩ হাজার ৩০০ জন বিদেশ থেকে আসলেও তারা কোথায় আছে তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

মঙ্গলবার দুপুরে ডিসি’র সম্মেলন কক্ষে জেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির বিশেষ সভায় ডিসি কবীর মাহমুদ এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

এদিকে জেলা প্রশাসনের নির্দেশনার পরেও শহরে ব্যাপক লোক সমাগম দেখা যায়। বাজারগুলোতে ক্রেতা বিক্রেতাদের সমাগম ব্যাপকভাবে লক্ষ্য করা গেছে। আর এই পরিস্থিতিতে ডিসি বাজার মনিটরিং করলেও অসাধু ব্যবসায়ীরা চালসহ নিত্য প্রয়োজনীয় খাদ্য দ্রব্যের দাম বৃদ্ধি করে বিক্রি করছে বলে অভিযোগ করেন ক্রেতারা। এখনো পাবনার বড় বাজারে পাইকারি চালের দোকানে প্রতি বস্তা চাল বিক্রি হচ্ছে বস্তা প্রতি তিন থেকে চারশ’ টাকা বেশি দামে। আটা বিক্রি হচ্ছে প্রতি বস্তাতে একশত টাকা বেশি দামে।

জেলায় গত এক সপ্তাহে হোম কোয়ারেন্টাইন ও  বাজার মোবাইল কোটের মাধ্যমে প্রায় পাঁচ লাখ টাকা জরিমানা আদায়সহ দাম বৃদ্ধি ও আইন অমান্য করায় পাঁচটি মামলা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ডিসি। জেলা সবচাইতে বেশি হোম কোয়ারেন্টাইনে রয়েছে ঈশ্বরদী উপজেলাতে ২৮৫ জন তার পরেই পাবনা সদরের ১৭৭ জন।

এদিকে করোনা ঝুঁকি থেকে সাধারণ মানুষদের রক্ষা করতে মঙ্গলবার থেকে পাবনায় সব ধরনের আবাসিক হোটেল শপিংমল, বিপণি বিতান, মার্কেট, চায়ের দোকান বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।

পাবনার সিভিল সার্জন ডা. মেহেদী ইকবাল জানান, পাবনায় গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ৫৭ জনকে হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। এরইমধ্যে পাবনা জেলা হাসপাতালে কর্মরত চিকিৎসকদের সেফটির জন্য প্রয়োজন অনুসারে পিপিই বিতরণ করা হয়েছে।

ডিসি বলেন, পাবনায় এখন পর্যন্ত কোনো করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়নি। যে একজনকে করোনা সন্দেহে পরীক্ষার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছিলো তার নেগেটিভ ফলাফল এসেছে। তবে আজ পর্যন্ত হোম কোয়ারেন্টাইনে আছে ৬৮৮ জন। তাছাড়া সবাইকে আতঙ্ক না হয়ে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

মতামত দিন

avatar